📌 দুই মাসের গ্যাস সংকটের পর সরবরাহ বৃদ্ধি পেলে ঢাকার শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন স্বস্তি ফিরেছে। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রের চাপ বাড়লেও লোডশেডিং অব্যাহত রয়েছে। পেট্রোবাংলা ঘণ্টায় ২৬০৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে, যেখানে এলএনজি টার্মিনাল থেকে ৯৯২ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ হচ্ছে।
দুই মাসের গ্যাস সংকটের পর ঢাকার শিল্পাঞ্চলে আবার ফিরে এসেছে উৎপাদন স্বস্তি। গতকাল বৃহস্পতিবার পেট্রোবাংলা ঘণ্টায় ২৬০৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সঞ্চালন করে, যার ফলে শিল্পকারখানাগুলোতে গ্যাসের চাপ বাড়ার ফলে উৎপাদন কার্যক্রমে কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে বিদ্যুৎকেন্দ্রের চাপ বাড়ার পরেও লোডশেডিংয়ের সমস্যা অব্যাহত রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঘণ্টায় ২৬০৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহে পৌঁছেছে পেট্রোবাংলা, যা দু’মাসের সর্বোচ্চ
- 📌 এলএনজি টার্মিনাল থেকে ৯৯২ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ হচ্ছে, দেশীয় কূপ থেকে ১৬১৪ মিলিয়ন ঘনফুট
- 📌 গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডে এলএনজি সরবরাহ ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছিল, পরবর্তীতে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছিল
- 📌 গ্যাসের অভাবে সারা দেশে লোডশেডিং, কারখানার উৎপাদন বন্ধ ও সিএনজি গাড়ির চলাচল বিঘ্নিত ছিল
- 📌 গত সোমবার এলএনজি সরবরাহ ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট অতিক্রম করে, যা শিল্পমালিকদের জন্য স্বস্তির সংকেত
- 📌 গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ৫ হাজার মেগাওয়াটের কাছাকাছি পৌঁছেছে, তবে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের দুটি ইউনিট বিকল থাকায় লোডশেডিং অব্যাহত
- 📌 গাজীপুরের শিল্পকারখানাগুলোতে উৎপাদন স্বস্তি ফিরেছে, শ্রমিকরা পুরোদমে কাজ করছেন
📰 বিস্তারিত
পেট্রোবাংলার পরিচালক এম শোয়েব জানান, এলএনজি সরবরাহ বৃদ্ধির ফলে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ ২৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটের উপরে পৌঁছেছে। এতে শিল্পকারখানাগুলোতে গ্যাসের চাপ বাড়ার ফলে উৎপাদন কার্যক্রমে উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগের তুলনায় গ্যাসের চাপ বাড়ার ফলে গাজীপুরের হ্যামস গার্মেন্টস, স্প্যারো ফ্যাশন, ডিবিএল গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন শিল্পকারখানায় উৎপাদন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরেছে।
গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান একটি এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর সরবরাহ ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছিল। পরবর্তীতে বিশ্ববাজারে এলএনজির মূল্যবৃদ্ধি ও অন্যান্য কারণে সরবরাহ ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে এসেছিল। এ সময় গ্যাসের অভাবে সারা দেশে লোডশেডিং, কারখানার উৎপাদন বন্ধ ও সিএনজি গাড়ির চলাচল বিঘ্নিত হয়েছিল। তবে চলতি সেপ্টেম্বর থেকে এলএনজি কার্গো আসতে শুরু করায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
গত সোমবার মধ্যরাতে এলএনজি সরবরাহ ৯০০ মিলিয়ন ঘনফুট অতিক্রম করায় শিল্পমালিকদের মধ্যে স্বস্তির আভাস পেয়েছে। গতকাল ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও সাভারসহ বিভিন্ন এলাকার শিল্পমালিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের এই স্বস্তির কথাই জানা গেছে। গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে গ্যাসের চাপ ও বিদ্যুৎ সরবরাহের উন্নতির ফলে বিভিন্ন শিল্পকারখানায় উৎপাদন কার্যক্রমে স্বস্তি ফিরেছে।
"গ্যাসের চাপ বাড়ায় শিল্পকারখানাগুলোতে উৎপাদন পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন আরও স্বাভাবিক হবে।"
— ডিবিএল গ্রুপের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মেদ আব্দুল কাদির অনু
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, সাভার, টঙ্গী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম শোয়েব (পেট্রোবাংলা পরিচালক), মোহাম্মেদ আব্দুল কাদির অনু (ডিবিএল গ্রুপ), মো. শফিকুর রহমান (হ্যামস গার্মেন্টস), মাহবুব রাব্বানি (রাব্বানি ওয়াশিং অ্যান্ড ডাইং)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬০৬ মিলিয়ন ঘনফুট (ঘণ্টায় গ্যাস সরবরাহ), ৯৯২ মিলিয়ন ঘনফুট (এলএনজি সরবরাহ), ১৬১৪ মিলিয়ন ঘনফুট (দেশীয় কূপ সরবরাহ), ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট (সর্বনিম্ন সরবরাহ), ৫ হাজার মেগাওয়াট (বিদ্যুৎ উৎপাদন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!