📌 শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পূর্বে ছাত্রনেতারা নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানানোর উদ্যোগ নেন। এতে মধ্যস্থতা করেন তৎকালীন এএফপির ফ্যাক্ট-চেক সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির। বিষয়টি গোপন রাখার জন্য নিরাপত্তা বাহিনীকে অবহিত করা হয়নি
শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির ঠিক আগের মুহূর্তে নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান ছাত্রনেতারা। এতে মধ্যস্থতা ও গোপন যোগাযোগ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন তৎকালীন এএফপির ঢাকা ব্যুরোর ফ্যাক্ট-চেক সম্পাদক কদরুদ্দীন শিশির। বর্তমানে দ্য ডিসেন্টের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বিষয়টি সম্পর্কে শুধুমাত্র কয়েকজন বিশ্বস্ত ব্যক্তিই জানতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৮ অক্টোবর তারিখে শফিকুল আলমের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে প্রকাশিত হয় ছাত্রনেতাদের গোপন উদ্যোগের বিবরণ।
- 📌 শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র দুই দিন আগে ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে আহ্বান জানানো হয়।
- 📌 কদরুদ্দীন শিশির নিজে ইউনূসের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ স্থাপন ও প্রাথমিক আলোচনা পরিচালনা করেন।
- 📌 নিরাপত্তা বাহিনী বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানত না; শিশির ও এএফপির দলকে গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘরে’ আটক রাখার আশঙ্কা ছিল।
- 📌 শিশির গোপনে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ভিডিও প্রমাণও সংগ্রহ শুরু করেছিলেন।
📰 বিস্তারিত
বুধবার (২৮ অক্টোবর) শফিকুল আলমের পোস্টে উঠে আসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। তিনি লিখেছেন, এএফপির ঢাকা ব্যুরোর ডেস্ক থেকে মাত্র এক গজ দূরে বসে শিশির পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার পূর্বে ছাত্রনেতারা ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানানোর উদ্যোগ নেন। এতে শিশিরের ভূমিকা ছিল অপরিহার্য। তিনি ইউনূসের সঙ্গে প্রথম যোগাযোগ স্থাপন ও প্রাথমিক আলোচনা পরিচালনা করেন।
শফিকুল আলমের ভাষ্যমতে, শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার মাত্র দুই দিন আগে এই গোপন যোগাযোগ শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা বাহিনী বিষয়টি জানলে শিশিরসহ এএফপির পুরো দলকে ‘আয়নাঘরে’ আটক রাখার আশঙ্কা ছিল। শিশির অত্যন্ত শান্ত ও অবিচল থেকে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি গোপনে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ভিডিও প্রমাণও সংগ্রহ শুরু করেছিলেন।
শফিকুল আলম, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব, পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, বিষয়টি সম্পর্কে শুধুমাত্র হাতেগোনা কয়েকজন বিশ্বস্ত ব্যক্তিই জানতেন। শিশিরের এই গোপন কার্যক্রমের মাধ্যমে ইউনূসকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
"শেখ হাসিনার ক্ষমতা ছাড়ার তখনও দুই দিন বাকি ছিল। এমন পরিস্থিতিতেও তার নিরাপত্তা বাহিনী পুরো বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানতে পারেনি। শিশিরসহ এএফপির পুরো দলকে গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘরে’ আটক রাখার আশঙ্কা ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কদরুদ্দীন শিশির, শফিকুল আলম, মুহাম্মদ ইউনূস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!