📅 ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মোরেলগঞ্জে জিপিএফ থেকে ৯ কোটি টাকার জালিয়াতিতে ৬ কর্মকর্তা-অডিটর বরখাস্ত, সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ

মোরেলগঞ্জে জিপিএফ থেকে ৯ কোটি টাকার জালিয়াতিতে ৬ কর্মকর্তা-অডিটর বরখাস্ত, সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় জিপিএফ থেকে প্রায় ৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা জালিয়াতির অভিযোগে ৬ কর্মকর্তা-অডিটরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎের অভিযোগে সাবেক উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মীর এনামুল হককে শীর্ষ অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (জিপিএফ) থেকে প্রায় ৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা জালিয়াতির অভিযোগে সাবেক চার উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা ও দুই অডিটরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এই ঘটনার সূত্রপাত হয় স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জিপিএফ থেকে ঋণের আবেদনের পর।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা জিপিএফ থেকে জালিয়াতির অভিযোগে ৬ কর্মকর্তা-অডিটর বরখাস্ত
  • 📌 সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা আত্মসাৎের অভিযোগে সাবেক উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মীর এনামুল হক শীর্ষ অভিযুক্ত
  • 📌 অডিটর শ্যামল কুমার দাস ৬৫টি ভুয়া বিলে ৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা আত্মসাৎের অভিযোগে বরখাস্ত
  • 📌 সৌমেন সরকার ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, মদন কুমার দাস ১২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, হাসানুজ্জামান ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎের অভিযোগে বরখাস্ত
  • 📌 রুবেল মোল্লা ১২টি ভুয়া বিলে ২৩ লাখ ২১ হাজার টাকা আত্মসাৎের অভিযোগে বরখাস্ত
  • 📌 গভর্নমেন্ট সার্ভিসেস আইন, ২০১৮-এর ধারা ৩৯(১) অনুযায়ী বরখাস্তের আদেশ কার্যকর

📰 বিস্তারিত

মোরেলগঞ্জ উপজেলার শিক্ষকরা জিপিএফ থেকে ঋণ নেওয়ার চেষ্টা করলে তাদের অজান্তে জিপিএফ হিসাব থেকে বড় অঙ্কের অর্থের অজানা লেনদেনের তথ্য দেখা যায়। এরপর উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা তন্ময় গোস্বামী খুলনার বিভাগীয় কন্ট্রোলার অব অ্যাকাউন্টস (ডিসিএ) কার্যালয়ে জিপিএফ হিসাব যাচাইয়ের জন্য চিঠি দেন। তদন্তে দেখা যায়, অভিযুক্ত কর্মকর্তারা অনলাইন সিস্টেমে নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ভুয়া জিপিএফ অগ্রিম বিল তৈরি ও অনুমোদন করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্যে মীর এনামুল হক সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা জালিয়াতি করেছেন। অডিটর শ্যামল কুমার দাস ৬৫টি ভুয়া বিলের মাধ্যমে ৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা, অডিটর রুবেল মোল্লা ১২টি বিলে ২৩ লাখ ২১ হাজার টাকা, সৌমেন সরকার ১৭ লাখ ৯২ হাজার টাকা, মদন কুমার দাস ১২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা এবং হাসানুজ্জামান ৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী বরখাস্ত হওয়া ছয় কর্মকর্তা-কর্মচারী হলেন—সাবেক উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মীর এনামুল হক, সৌমেন সরকার, মদন কুমার দাস, হাসানুজ্জামান এবং অডিটর শ্যামল কুমার দাস ও রুবেল মোল্লা। প্রশাসনিক আদেশে জানানো হয়েছে, বরখাস্ত থাকা অবস্থায় অভিযুক্তরা কেবল বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন এবং কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া নির্ধারিত স্টেশন ত্যাগ করতে পারবেন না।

"অভিযুক্তরা অনলাইন সিস্টেমে নিজস্ব ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ভুয়া জিপিএফ অগ্রিম বিল তৈরি ও অনুমোদন করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মোরেলগঞ্জ উপজেলা, বাগেরহাট, খুলনার বিভাগ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর এনামুল হক, শ্যামল কুমার দাস, রুবেল মোল্লা, সৌমেন সরকার, মদন কুমার দাস, হাসানুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা (জালিয়াতির মোট পরিমাণ), ৬ জন বরখাস্ত কর্মকর্তা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖