📌 নতুন জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুযায়ী অবসরভোগীদের পেনশন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ১০০% পর্যন্ত পেনশন বৃদ্ধি হবে, যেখানে নিট পেনশন ৯ হাজার টাকার কম থাকলে বৃদ্ধির হার হবে ১০০%। নতুন কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ পেনশন সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত নতুন জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্ত ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীদের পেনশন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নতুন কাঠামোতে পেনশনভোগীদের নিট পেনশনের ওপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন বৃদ্ধি করা হবে। তবে পেনশনের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সীমাও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের নিট পেনশনের ভিত্তিতে নতুন পেনশন নির্ধারণ করা হবে।
- 📌 ৯ হাজার টাকার কম নিট পেনশনপ্রাপ্তদের পেনশন বৃদ্ধির হার হবে ১০০ শতাংশ।
- 📌 ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনপ্রাপ্তদের বৃদ্ধির হার ৭৫ শতাংশ।
- 📌 ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনপ্রাপ্তদের বৃদ্ধির হার ৬০ শতাংশ।
- 📌 ৭০ হাজার ২০০ টাকার বেশি পেনশনপ্রাপ্তরা পরবর্তী বার্ষিক বৃদ্ধি পর্যন্ত বিদ্যমান পেনশন পাবেন।
- 📌 ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কর্মরত কর্মচারীর মৃত্যুর পর পরিবার পেনশন পাবেন।
- 📌 অবসরোত্তর ছুটি ও ছুটি নগদায়নের সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
নতুন জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬-এর পেনশনসংক্রান্ত বিধানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পেনশন ও গ্র্যাচুইটি বা আনুতোষিকের বিদ্যমান হার অপরিবর্তিত থাকবে। তবে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে অবসরপ্রাপ্ত ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীদের যে নিট পেনশন ছিল, তার ভিত্তিতে নতুন করে পেনশন নির্ধারণ করা হবে। নতুন কাঠামোতে পেনশন বৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে নিট পেনশনের ভিত্তিতে:
১. ৯ হাজার টাকার কম পেনশনপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে: বৃদ্ধির হার ১০০ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন পেনশন নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১৮ হাজার টাকা।
২. ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে: বৃদ্ধির হার ৭৫ শতাংশ। এ শ্রেণির সর্বনিম্ন পেনশন ১৮ হাজার ১ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৩. ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে: বৃদ্ধির হার ৬৫ শতাংশ। এ শ্রেণির সর্বনিম্ন পেনশন ৩৫ হাজার ১ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৪৯ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৪. ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশনপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে: বৃদ্ধির হার ৬০ শতাংশ। এ শ্রেণির সর্বনিম্ন পেনশন ৪৯ হাজার ১ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৬২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৫. ৪০ হাজার ১ টাকা ও তদূর্ধ্ব পেনশনপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে: বৃদ্ধির হার ৫৫ শতাংশ। এ শ্রেণির সর্বনিম্ন পেনশন ৬২ হাজার ১ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
যেসব অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ইতোমধ্যে ৭০ হাজার ২০০ টাকার বেশি পেনশন পাচ্ছেন, তারা ১ জুলাই ২০২৭ তারিখে পরবর্তী বার্ষিক বৃদ্ধি কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের বিদ্যমান পেনশনই পাবেন। নতুন বেতনস্কেল কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে নিট পেনশনপ্রাপ্তদের জন্য প্রচলিত বিশেষ সুবিধা বিলুপ্ত করা হয়েছে।
১ জুলাই ২০২৬ তারিখ থেকে কর্মরত কোনো কর্মচারী মারা গেলে, তার পরিবার প্রচলিত পারিবারিক পেনশন বিধি অনুসরণ করে পেনশন, আনুতোষিক ও অন্যান্য প্রাপ্য ভাতা পাবেন। পেনশন পুনর্নির্ধারণের প্রক্রিয়া ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। নতুন কাঠামোতে অবসরোত্তর ছুটি ও ছুটি নগদায়নের সুবিধা বহাল রাখা হয়েছে। কর্মচারীরা ১২ মাসের অবসরোত্তর ছুটি ভোগ করতে পারবেন এবং ১৮ মাসের ছুটি নগদায়নের সুবিধাও পাবেন।
"পেনশন ও গ্র্যাচুইটি বা আনুতোষিকের বিদ্যমান হার অপরিবর্তিত থাকবে। তবে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের নিট পেনশনের ভিত্তিতে নতুন করে পেনশন নির্ধারণ করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অবসরপ্রাপ্ত ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ শতাংশ, ৯ হাজার টাকা, ১০ হাজার টাকা, ১৮ হাজার টাকা, ৭৫ শতাংশ, ৩৫ হাজার টাকা, ৬০ শতাংশ, ৭০ হাজার ২০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!