📌 প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর পর কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম ২০২৪ সাল থেকে শুরু হয়েছে। বর্তমানে ২৪০ শিক্ষার্থী নিয়ে দু’টি অনুষদের কার্যক্রম চলছে এবং নতুন অনুষদ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে। উপাচার্য মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে উত্তরাঞ্চলে কৃষি হাব গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষ জনবল তৈরিতে ভূমিকা রাখবে
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রমের নতুন দিন শুরু হয়েছে। প্রতিষ্ঠার প্রায় পাঁচ বছর পর এই বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম ২০২৪ সাল থেকে শুরু হয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি ব্যাচে মোট ২৪০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে দু’টি অনুষদের কার্যক্রম চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, প্রতিষ্ঠার পর ২০২৪ সাল পর্যন্ত একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি তৎকালীন প্রশাসন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম ব্যাচে ৪০ জন করে দু’টি অনুষদে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **২০২১ সালের ২২ ডিসেম্বর** প্রতিষ্ঠিত কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম **২০২৪ সাল থেকে** শুরু হয়েছে।
- 📌 বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে **২৪০ শিক্ষার্থী** নিয়ে **কৃষি ও মৎস্য** অনুষদের কার্যক্রম চলছে।
- 📌 **৩০ জন শিক্ষকসহ** ১৮ জন আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োজিত রয়েছে। স্থায়ী জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 📌 **উপ-উপাচার্য** হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের **ড. নুর মহল আক্তার বানু**।
- 📌 **২০২৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর** পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি নিয়ে উপাচার্য বলেছেন, ‘উত্তরাঞ্চলে কৃষি হাব গড়ে তোলায় এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে।’
📰 বিস্তারিত
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর ২০২৪ সাল পর্যন্ত তৎকালীন প্রশাসন একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রাতিষ্ঠানিক গতি ফেরাতে ৪০ জন করে দু’টি অনুষদে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে প্রথম ব্যাচের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকটের কথা বিবেচনা করে একটি ছাত্রনিবাস ও ছাত্রীনিবাস ভাড়া নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি হাতে-কলমে শিক্ষা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা সই হয়েছে।
ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, ‘এ অঞ্চলের একটি বড় অংশ চরাঞ্চল, যা কৃষির জন্য সম্ভাবনাময়। তাই শিক্ষার্থীদের মাঠ পর্যায়ে নিয়ে গিয়ে কৃষির বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবহারিক শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। এতে শ্রেণি কক্ষের বাইরে বাস্তব কৃষি সম্পর্কে ধারণা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন তারা।’ তিনি জানান, তৃতীয় ব্যাচের জন্য একাডেমিক ও ল্যাব সুবিধা বাড়াতে ইউজিসি’র কাছে আবেদন করা হয়েছিল। ইতোমধ্যে ইউজিসি’র প্রতিনিধিদল পরিদর্শন করে আরও দু’টি ভবন ভাড়া নেয়ার সম্ভাব্যতা যাচাই করেছে।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকসহ অস্থায়ীভাবে ৩০ জন এবং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে ১৮ জন কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। উপাচার্য বলেন, খুব দ্রুত স্থায়ী জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে।
"উত্তরাঞ্চলে কৃষি হাব গড়ে তোলার যে পরিকল্পনা রয়েছে, সেখানে দক্ষ জনবল তৈরিতে এই বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সেই লক্ষ্যেই আমরা ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম (উপাচার্য), ড. নুর মহল আক্তার বানু (উপ-উপাচার্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪০ জন শিক্ষার্থী, ৩০ জন শিক্ষক, ১৮ জন কর্মী, ২০২৪ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!