📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: জ্বালানি সংকটের মূল কারণ ছিলো আগের সরকারের দুর্নীতির নীতি

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান সালাহউদ্দিন আহমদ সালাহউদ্দিন আহমদ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: জ্বালানি সংকটের মূল কারণ ছিলো আগের সরকারের দুর্নীতির নীতি

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেছেন, জ্বালানি সংকটের মূল কারণ ছিলো বিগত সরকারের ভুল নীতি ও দুর্নীতির ফল। তিনি নতুন সরকারের পদক্ষেপ ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা তুলে ধরেন, যার মধ্যে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ, কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রসার ও দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে

জাতীয় সংসদে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে ৬৮ নম্বর বিধির আলোচনা চলাকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জ্বালানি সংকটের মূল কারণ হিসেবে বিগত সরকারের ভুল নীতি ও দুর্নীতির ফলকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের অনুগত ব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষা ও বিদেশ নির্ভর জ্বালানি নীতি দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকটের মূল কারণ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেছেন, জ্বালানি সংকটের মূল কারণ ছিলো বিগত সরকারের দুর্নীতির নীতিঅদূরদর্শিতা
  • 📌 বিগত সরকার বিদেশ নির্ভর জ্বালানি নীতি গ্রহণ করে দেশীয় অনুসন্ধানে কোনো পদক্ষেপ নেনি।
  • 📌 নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৮ মাসের মধ্যে মাতাবাড়িতে তৃতীয় এফএসআরইউ স্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
  • 📌 ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশীয় কয়লা ব্যবহার করে।
  • 📌 ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট পায়রা দ্বিতীয় পর্যায়ের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ দ্রুত শুরু করার আলোচনা চলছে।
  • 📌 ভোলাতে গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ সচল করা হয়েছে এবং সেখানে ফার্টিলাইজার ইন্ডাস্ট্রি ও নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।
  • 📌 ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য।

📰 বিস্তারিত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দামে অস্থিরতা দেখা দেয়। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সংসদে দেওয়া বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেছেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই গালফ ওয়ারের মতো বৈশ্বিক সংকটের মুখোমুখি হয়। সে সকল পরিস্থিতির মধ্যেও সরকার কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনা করে বোরো মৌসুমে সেচ কাজ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি।

তিনি বলেন, সীমান্ত এলাকায় পাচার রোধ এবং আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি সামাল দিতে তেলের দাম সহনীয় মাত্রায় পুনরায় নির্ধারণ করতে বাধ্য হয়েছে। সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর ওপর বাড়তি কোনো কর না চাপিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, দেশের এলএনজি ঘাটতি মেটাতে ও বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, মাতাবাড়িতে চীন সরকারের সাথে 'জি টু জি' চুক্তির অধীনে তৃতীয় এফএসআরইউ স্থাপনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ১৮ মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়াও সরকার মাতারবাড়িতে একটি ল্যান্ড বেজড এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই প্রকল্পগুলো থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে গ্যাস সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় শত কিলোমিটারের অ্যাডভান্সড পাইপলাইন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সে লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়া চলছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশীয় কয়লার সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণে বড় পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বড়পুকুরিয়ার দেশীয় কয়লা ব্যবহার করে ৬০০ মেগাওয়াটের একটি নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বিদ্যমান বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সংস্কার কাজ চলছে।

বৈশ্বিক আর্থিক সীমাবদ্ধতা ও আন্তর্জাতিক অর্থায়ন বন্ধের বিধিনিষেধ সত্ত্বেও, পায়রা দ্বিতীয় পর্যায়ের ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ দ্রুত শুরু করার বিষয়ে সরকারের ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। যদি সঞ্চালন ও গ্রিড লাইনের অভাব তৈরি হয়, তবে সরকার নিজস্ব জিওবি তহবিল থেকে অর্থায়ন করে সেই গ্রিড লাইন বানিয়ে দেবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও এলপিজি ব্যবহারের বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশীয় অনশোর এবং অফশোর কোনো গ্যাস কূপ অনুসন্ধান করা হয়নি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েই অফশোর ও অনশোর সব জায়গায় কূপ খনন এবং অনুসন্ধান জোরদার করেছে। ইতোমধ্যেই ভোলাতে গ্যাস উত্তোলনের উদ্যোগ সচল করা হয়েছে এবং সেখানে প্রাপ্ত গ্যাসকে কেন্দ্র করে ফার্টিলাইজার ইন্ডাস্ট্রি ও নতুন বিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে।

"দেশে বর্তমানে যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দৃশ্যমান, তা পূর্ববর্তী সরকারের রেখে যাওয়া অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক অব্যবস্থাপনারই ফল। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক পরিসরে গালফ ওয়ারের মতো সংকট দেখা দেয়, যার কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দামে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়।" — স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৮ (বিধি), ১৮ মাস, ৬০০ মেগাওয়াট, ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট, ১৪ এপ্রিল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖