📌 আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের ন্যায়বিচারকে সরকারের অগ্রাধিকার বলে ঘোষণা করেন এবং সংবিধানিক নীতির সঙ্গে তার সামঞ্জস্য তুলে ধরেন।
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে, ০৩:৫৬ পিএম-এ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত সংবিধান দিবসের অনুষ্ঠানে মানবতাবিরোধী অপরাধের ন্যায়বিচারকে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তি নয়, অপরাধের বিচারই মূল উদ্দেশ্য।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আইনমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা সরকারের অঙ্গীকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
- 📌 তিনি উল্লেখ করেছেন যে সরকারের হাতে প্রমাণগুলো ‘যুক্তিসংগত সন্দেহের ঊর্ধ্বে’ শক্তিশালী এবং আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালকে তা স্বীকার করতে হবে।
- 📌 অতীতের ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ৪ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন, প্রায় ৭০০ মানুষ গুমের শিকার এবং ৬০ লাখের বেশি মানুষ রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার হয়েছে।
- 📌 বর্তমান সরকারের সময়ে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা শূন্যের কাছাকাছি, এবং ৯৯ শতাংশ মামলা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য অধ্যাপক আবদুস সালামসহ সংবিধান বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আইন অনুষদের সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় এবং সংবিধান নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষের আগ্রহের কথা মন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দেশের চায়ের দোকানেও সংবিধানের ধারা, সংশোধনী ও অধিকার নিয়ে আলোচনা হয়, যা জনগণের সাংবিধানিক সচেতনতা বাড়ায়।
মন্ত্রীর মতে, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রমাণের মান ‘যুক্তিসংগত সন্দেহের ঊর্ধ্বে’ হওয়ায় আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালকে তা স্বীকার করতে হবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের সঙ্গে বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার তুলনা করে বলেন, যদিও কখনও কখনও এই এখতিয়ার অপব্যবহার হতে পারে। এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রণেতাদের দার্শনিক প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন।
আইনমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে সরকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে এবং নতুন আইনে নির্যাতনবিরোধী জাতিসংঘের ঐচ্ছিক প্রটোকল অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং দেশের মানবাধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
"মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের অঙ্গীকার।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আসাদুজ্জামান (আইনমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার ৫০০ জন, ৭০০ মানুষ, ৬০ লাখ, ৯৯ শতাংশ, ১০২ অনুচ্ছেদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!