📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের আওতায় ৪১ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন বলেছেন, এই ডেটাবেজের মাধ্যমে অপরাধ দমন ও সরকারি সেবা প্রদানের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের আওতায় ৪১ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি স্মার্ট ডেটাবেজ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকার আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদফতরে বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ঘোষণা করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে নারীদের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবারকে উন্নয়নের মূল একক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
- 📌 ৪১ লাখ পরিবার আগামী অক্টোবর মাস থেকে ফ্যামিলি কার্ড পাবে, যার তথ্য সংগ্রহের জন্য এই প্রশিক্ষণ কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
- 📌 স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে সকল নাগরিকের তথ্য সংরক্ষণ করে ভুয়া সুবিধাভোগী ও অপরাধের প্রবণতা হ্রাসের লক্ষ্যে সরকার একটি ইন্টিগ্রেটেড ডিজিটাল কাঠামো গড়ে তুলতে চায়।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই প্রকল্পটি চার বছরব্যাপী থাকবে, যেখানে প্রতি দুই মাস পর পর তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে।
- 📌 ১০০ জন আন্তরিক প্রশিক্ষক তৈরি হলে তারা মাঠ পর্যায়ে আরও ১০০ জন করে দক্ষ কর্মী তৈরি করতে পারবেন, বলে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।
📰 বিস্তারিত
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সার্বিকভাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে কাজ করছে। ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের আওতায় ৪১ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহের জন্য ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদেরকে সঠিক তথ্য সংগ্রহের পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সঠিক তথ্য সংগ্রহের কাজে রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শের কোনো প্রভাব থাকবে না।’ তিনি প্রশিক্ষণার্থীদেরকে নির্দেশ দেন, ‘মাঠ পর্যায় থেকে নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করে একটি আধুনিক ডেটাবেজ গড়ে তোলার জন্য পূর্ণ সততা ও আন্তরিকতা প্রদর্শন করতে হবে।’
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় আসার পর মাত্র ১০ দিনের মধ্যে দেশের অবহেলিত মানুষের কল্যাণে নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের প্রাথমিক পাইলটিং কার্যক্রম সফল হয়েছে এবং আগামী অক্টোবর মাস থেকে দেশব্যাপী ৪১ লাখ পরিবারকে এই কার্ড প্রদান করা হবে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুধু ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। সরকার একটি সার্বিক ইন্টিগ্রেটেড ডিজিটাল কাঠামো গড়ে তুলতে চায়, যেখানে একটি স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে সকল নাগরিকের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এর ফলে ভুয়া সুবিধাভোগী প্রতিরোধ এবং অপরাধ প্রবণতা ব্যাপকভাবে হ্রাস পাবে।’
"নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী করে তোলার ক্ষেত্রে ফ্যামিলি কার্ড সরকারের একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কর্মসূচি। এই প্রকল্পটি টানা চার বছরব্যাপী থাকবে এবং প্রতি দুই মাস পর পর তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, আগারগাঁও, সমাজসেবা অধিদফতর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ লাখ পরিবার, ১০০ জন প্রশিক্ষক, ২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!