📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পীরগঞ্জের দাদন ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমানের ফাঁকা চেক ঋণে পড়েন ৫০ জনেরও বেশি শিক্ষক, পরিবার ধ্বংসের মুখে

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: জিয়াউর রহমান জিয়াউর রহমান
পীরগঞ্জের দাদন ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমানের ফাঁকা চেক ঋণে পড়েন ৫০ জনেরও বেশি শিক্ষক, পরিবার ধ্বংসের মুখে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় দাদন ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জিয়ারের ফাঁকা চেক ঋণে পড়েছে ৫০ জনেরও বেশি শিক্ষক ও তাদের পরিবার। ঋণের বিপরীতে ফাঁকা চেক নেওয়া, চড়া সুদ আদায় ও মামলা করার মাধ্যমে তাদের আর্থিকভাবে ধ্বংসের মুখে ফেলেছেন তিনি। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এই ঋণ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় দাদন ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জিয়ারের ফাঁকা চেক ঋণ ব্যবসায়ে পড়েছে ৫০ জনেরও বেশি শিক্ষক ও তাদের পরিবার। ঋণের বিপরীতে ফাঁকা চেক নেওয়া, চড়া সুদ আদায় ও মামলা করার মাধ্যমে তারা আর্থিকভাবে ধ্বংসের মুখে পড়েছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এই ঋণ ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পীরগঞ্জের দাদন ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জিয়ারের ফাঁকা চেক ঋণে পড়েছে ৫০ জনেরও বেশি শিক্ষক ও তাদের পরিবার
  • 📌 ঋণের বিপরীতে ফাঁকা চেক নেওয়া, চড়া সুদ আদায় ও মামলা করার মাধ্যমে তাদের আর্থিকভাবে ধ্বংসের মুখে ফেলেছেন জিয়াউর রহমান
  • 📌 চতরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান এক সময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন
  • 📌 সতীশ চন্দ্র ৪ লাখ ২২ হাজার টাকা ঋণ নিলেও ৬ লাখ টাকা সুদ পরিশোধ করতে বাধ্য হন, পরে ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মামলা করা হয়
  • 📌 গোলাম রব্বানীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে ৩ লাখ টাকা ঋণ থেকে ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার মামলা করা হয়
  • 📌 পীরগঞ্জ থানা ও উপজেলা প্রশাসন অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের কথা বললেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করেনি

📰 বিস্তারিত

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় দাদন ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমান জিয়ারের ফাঁকা চেক ঋণ ব্যবসায়ে পড়েছেন স্থানীয় শিক্ষক ও তাদের পরিবার। অভিযোগ, ঋণের বিপরীতে ব্যাংকের ফাঁকা চেক নেওয়া, চড়া সুদ আদায় ও ঋণ পরিশোধের পরও চেক ফেরত না দেওয়া। এরপর সেই চেক ব্যবহার করে বেশ কয়েক গুণ বেশি টাকার মামলা করা হয়। শুধু শিক্ষক নন, তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

জিয়াউর রহমান চতরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এক সময় তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ছিলেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দাদন ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, ঋণ নেওয়ার পর সুদ পরিশোধ করতে গিয়ে তারা আর্থিকভাবে আরও বিপর্যস্ত হয়েছেন।

চতরা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সতীশ চন্দ্র সংসারে আর্থিক সংকটের কারণে জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে ৪ লাখ ২২ হাজার টাকা ঋণ নেন। এর বিপরীতে ব্যাংকের একটি ফাঁকা চেক নেয়। তাঁদের দাবি, চার বছরে প্রায় ৬ লাখ টাকা পরিশোধ করার পরও ঋণের হিসাব শেষ হয়নি। সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় চতরা এলাকায় ২০ শতাংশ জমি লিখে দিতে বাধ্য করা হয় সতীশ চন্দ্রকে। প্রায় দুই বছর আগে সতীশ চন্দ্র মারা যান। এরপর তাঁর কাছে থাকা ফাঁকা চেক ব্যবহার করে ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকার মামলা করা হয় বলে দাবি পরিবারের। পরে স্থানীয়ভাবে আরও ২ লাখ টাকা দিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করতে হয়েছে বলে দাবি তাঁদের।

বড় আলমপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহফুজার রহমানের অভিযোগ, তিনি বিপদের সময় জিয়াউর রহমানের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা ঋণ নেন। পরে তাঁকে জিম্মি করে চতরা সোনালী ব্যাংক শাখা থেকে তাঁর অজান্তে ৭ লাখ টাকা তুলে নেওয়া হয়। মাহফুজার রহমান বলেন, ঋণ নেওয়ার সময় ফাঁকা চেকসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেই চেক ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে তাঁর ওপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করা হয়।

একই বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মকবুল হোসেনের অভিযোগ, ২ লাখ টাকা ঋণের বিপরীতে সুদসহ প্রায় ৮ লাখ টাকা পরিশোধ করেছেন। এরপরও তাঁর দেনা শেষ হয়নি। পরে তাঁর নামে সাড়ে ৭ লাখ টাকার চেক ডিজ-অনারের মামলা করা হয়। মকবুল হোসেনের দাবি, শুধু তাঁর বিরুদ্ধেই নয়, তাঁর ছেলে ও দুই ভাইয়ের নামেও মামলা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রায় ৪০ লাখ টাকার মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওই ভুক্তভোগী পরিবারের।

সরলিয়া টিএম ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক গোলাম রব্বানীর অভিযোগ আরও গুরুতর। তাঁর দাবি, সুদের টাকা দিতে না পারায় তাঁকে ব্যাংক থেকে তুলে নিয়ে জিয়াউর রহমানের নিজ দোকানে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এ ঘটনায় তিনি মামলা করেছেন বলেও জানান। গোলাম রব্বানী বলেন, তিনি ৩ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। এর বিপরীতে ৪ লাখ টাকা সুদ দেওয়ার পরও তাঁর নামে ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার মামলা করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, পীরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ফাঁকা চেকের বিনিময়ে ঋণ দেন জিয়াউর রহমান। নির্ধারিত সময়ে সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারলে বাড়তে থাকে দেনার অঙ্ক। একপর্যায়ে ফাঁকা চেক ব্যবহার করে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করা হয় বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।

"বিপদের সময় নেওয়া ঋণই এখন বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঋণের টাকা পরিশোধের পরও ফাঁকা চেক ফেরত না পাওয়ায় নতুন করে মামলা ও আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কায় দিন কাটছে তাদের।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পীরগঞ্জ উপজেলা, রংপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জিয়াউর রহমান জিয়া, সতীশ চন্দ্র, মাহফুজার রহমান, মকবুল হোসেন, গোলাম রব্বানী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ জনেরও বেশি শিক্ষক, ৪ লাখ ২২ হাজার টাকা, ৬ লাখ টাকা, ৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৩ লাখ টাকা, ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৪০ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖