📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সংসদে পাস ব্যাংক রেজোল্যুশন সংশোধনী: বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
সংসদে পাস ব্যাংক রেজোল্যুশন সংশোধনী: বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সংসদে ব্যাংক রেজোল্যুশন সংশোধনী বিল পাস হয়েছে। বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে, যা একীভূত ইসলামী ব্যাংকের পুরাতন পরিচালকদের ফেরার সুযোগ দিত। বিলের আলোচনায় সংসদে হট্টগোল হয়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিল পাসের জন্য তোলেন

সংসদে বিতর্কিত ব্যাংক রেজোল্যুশন সংশোধনী বিল আজ বুধবার পাস হয়েছে। এই বিলে একীভূত হওয়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পুরাতন ও বিতর্কিত পরিচালকদের ফেরার সুযোগ দিতো এমন ১৮(ক) ধারা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা হয়েছে। বর্তমান সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল ব্যাপক জনমত ও সমালোচনা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮(ক) ধারা বিলুপ্ত: ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের এই বিতর্কিত ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে, যা শেয়ারধারকদের ব্যাংক পুনরুদ্ধারের সুযোগ দিতো
  • 📌 হট্টগোলের আলোচনা: স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্যের কারণে সংসদে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়
  • 📌 কণ্ঠভোটে পাস: বিলের ওপর আনা প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়
  • 📌 অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশে ছিল না: ২০২৪ সালের অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশে এই ধারা ছিল না

📰 বিস্তারিত

ব্যাংক রেজোল্যুশন সংশোধনী বিলের আলোচনায় সংসদে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বক্তব্য ছিল বিতর্কিত। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিল পাসের জন্য তোলেন। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণসংবলিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, আইন কার্যকর হওয়ার পর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় এই ধারা বিলুপ্ত করা হয়েছে।

ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের ধারা ১৮(ক) অনুযায়ী, কোনো ব্যাংক রেজোল্যুশনের আওতায় যাওয়ার আগে শেয়ারধারকরা চাইলে পরে আবার সেই ব্যাংকের শেয়ার, সম্পদ ও দায় গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে পারতেন। এই সুযোগের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকেও মনোনীত করতে পারতো।

বিতর্কিত এই ধারা প্রথম অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যাংক রেজোল্যুশন অধ্যাদেশে ছিল না। কিন্তু বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই ধারা সংশোধন করে অনুমোদন দেয়। এরপর ব্যাপক সমালোচনার মুখে সরকার এই ধারা বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং সংশোধনী বিল সংসদে পাস করে।

"আইনটি কার্যকর হওয়ার পর উক্ত ধারার পূর্ণ শর্ত পরিপালন করে ইতিমধ্যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আবেদন না করায় ধারাটি বিলুপ্ত করা সমীচীন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, রুমিন ফারহানার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ধারা ১৮(ক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖