📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের প্রাপ্য সুবিধা: মাসিক ৯০ হাজার টাকা পেনশন, কূটনৈতিক পাসপোর্ট, পিএ ও অ্যাটেনড্যান্ট

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের প্রাপ্য সুবিধা: মাসিক ৯০ হাজার টাকা পেনশন, কূটনৈতিক পাসপোর্ট, পিএ ও অ্যাটেনড্যান্ট

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাহাবুদ্দিন ৭৫% বেতনের সমান আজীবন মাসিক ৯০,০০০ টাকা পেনশন পাবেন। অন্যান্য সুবিধা: পিএ, অ্যাটেনড্যান্ট, মন্ত্রীসমান চিকিৎসা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট, সার্কিট হাউসে থাকা।

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ২৪ জুলাই পদত্যাগের পর 'দ্য প্রেসিডেন্টস পেনশন, গ্র্যাচুইটি অ্যান্ড আদার বেনিফিটস অ্যাক্ট' অনুযায়ী আজীবন পেনশন ও একাধিক সরকারি সুবিধা পাবেন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া সাহাবুদ্দিন ছয় মাসের বেশি দায়িত্ব পালন করায় আইন অনুযায়ী তিনি শেষ বেতনের ৭৫ শতাংশের সমান আজীবন মাসিক পেনশন পাবেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রেসিডেন্টস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজেস) অ্যাক্ট, ১৯৭৫ (মে ২০১৬ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন ১.২ লক্ষ টাকা।
  • 📌 সাহাবুদ্দিনের মাসিক পেনশন: ৯০,০০০ টাকা (বেতনের ৭৫%)।
  • 📌 আজীবন পেনশন; স্ত্রী/স্বামী পাবেন মাসিক পেনশনের দুই-তৃতীয়াংশ।
  • 📌 এককালীন গ্র্যাচুইটি বিকল্প: যোগ্য হওয়ার এক মাসের মধ্যে জানাতে হবে; পরিমাণ = বার্ষিক পেনশন × দায়িত্বের বছর।
  • 📌 অন্যান্য সুবিধা: পিএ, অ্যাটেনড্যান্ট, বার্ষিক ভাতা, মন্ত্রীসমান চিকিৎসা, সরকারি গাড়ি, টেলিফোন, কূটনৈতিক পাসপোর্ট, সার্কিট হাউসে বিনামূল্যে থাকা।
  • 📌 স্ত্রীও পাবেন: চিকিৎসা সুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট, সার্কিট হাউসে থাকার সুবিধা।
  • 📌 সুবিধা বাতিলের শর্ত: অন্য সরকারি পদ গ্রহণ, দণ্ডবিধির অপরাধে দোষী সাব্যস্ত, অসাংবিধানিকভাবে পদ গ্রহণ প্রমাণ।

📰 বিস্তারিত

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গতকাল (২৪ জুলাই) পদত্যাগের পর 'দ্য প্রেসিডেন্টস পেনশন, গ্র্যাচুইটি অ্যান্ড আদার বেনিফিটস অ্যাক্ট' অনুযায়ী পেনশন ও একাধিক সরকারি সুবিধা পাবেন। সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি ছয় মাসের বেশি দায়িত্ব পালন করায় আইন অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন শেষ বেতনের ৭৫ শতাংশের সমান আজীবন মাসিক পেনশন পাবেন।

প্রেসিডেন্টস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজেস) অ্যাক্ট, ১৯৭৫ (মে ২০১৬ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মাসিক বেতন দাঁড়ায় ১.২ লক্ষ টাকা। সেই হিসাবে সাহাবুদ্দিন মাসিক ৯০,০০০ টাকা পেনশন পাবেন। আইনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে অন্য কোনো সরকারি পদ থেকে পেনশন পাওয়া ব্যক্তি হয় সেই পেনশন অথবা রাষ্ট্রপতির পেনশন — যেকোনো একটি দাবি করতে পারবেন; দুটিই পাবেন না। পেনশন গ্রহণকালে সাবেক রাষ্ট্রপতি মৃত্যুবরণ করলে তাঁর জীবিত স্ত্রী বা স্বামী আজীবন মাসিক পেনশনের দুই-তৃতীয়াংশ পাবেন।

💰 এককালীন গ্র্যাচুইটি বিকল্প

আইনে সাবেক রাষ্ট্রপতিকে মাসিক পেনশনের পরিবর্তে এককালীন গ্র্যাচুইটি গ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর জন্য যোগ্য হওয়ার এক মাসের মধ্যে কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। গ্র্যাচুইটির পরিমাণ হবে — এক বছরের পেনশন × রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনের বছর সংখ্যা। আইনে বছরের যেকোনো আংশিক সময়কে সম্পূর্ণ বছর হিসেবে গণনা করা হয়। কোনো রাষ্ট্রপতি ছয় মাসের বেশি দায়িত্ব পালন করার পর মৃত্যুবরণ করলে এবং তিনি পেনশন বা গ্র্যাচুইটির কোনোটিই বেছে না নিলে, আইন অনুযায়ী তা গ্র্যাচুইটি গ্রহণের সিদ্ধান্ত বলে গণ্য হবে। মনোনীত উত্তরাধিকারী বা উত্তরাধিকারী না থাকলে আইনি উত্তরাধিকারীরা অর্থ পাবেন।

🛡️ অন্যান্য সুবিধা

আর্থিক সুবিধার পাশাপাশি সাহাবুদ্দিন পাবেন একজন পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট, একজন অ্যাটেনড্যান্ট এবং সরকারি কাজে ব্যয়ের জন্য বার্ষিক ভাতা। সরকার সময়ে সময়ে এই ভাতার পরিমাণ নির্ধারণ করবে। তিনি মন্ত্রীদের সমান চিকিৎসা সুবিধা, সরকারি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় সরকারি গাড়ির বিনামূল্যে ব্যবহার, সরকার-অনুমোদিত বিল মকুব করে আবাসিক টেলিফোন সংযোগ, একটি কূটনৈতিক পাসপোর্ট এবং বাংলাদেশের ভেতরে ভ্রমণের সময় সরকারি সার্কিট হাউস বা রেস্ট হাউসে বিনামূল্যে থাকার সুবিধা পাবেন। তাঁর স্ত্রীও চিকিৎসা সুবিধা, কূটনৈতিক পাসপোর্ট ও দেশজুড়ে সরকারি সার্কিট হাউস বা রেস্ট হাউসে বিনামূল্যে থাকার সুবিধা পাবেন।

⚠️ সুবিধা বাতিলের শর্ত

আইনে সাবেক রাষ্ট্রপতির এই সুবিধাগুলো কখন বাতিল হবে তারও উল্লেখ আছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি কনসলিডেটেড ফান্ড থেকে বেতন বা অন্যান্য সুবিধা পাওয়া কোনো পদ, আসন বা নিয়োগ গ্রহণ করলে পেনশন বা সংশ্লিষ্ট সুবিধা পাবেন না। এছাড়া পেনশনের যোগ্য হওয়ার পর কোনো আদালত তাঁকে নৈতিক অধঃপতনজনিত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করলেও সুবিধা বাতিল হবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে যদি হাইকোর্ট ঘোষণা করে যে ব্যক্তিটি অসাংবিধানিক বা অবৈধ উপায়ে রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।

"সাবেক রাষ্ট্রপতি কনসলিডেটেড ফান্ড থেকে বেতন বা সুবিধাপ্রাপ্ত কোনো পদ গ্রহণ করলে পেনশন বা সংশ্লিষ্ট সুবিধা পাবেন না।" — প্রেসিডেন্টস পেনশন, গ্র্যাচুইটি অ্যান্ড আদার বেনিফিটস অ্যাক্ট

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • সাবেক রাষ্ট্রপতি: মো. সাহাবুদ্দিন (২২তম রাষ্ট্রপতি)
  • দায়িত্ব গ্রহণ: ২৪ এপ্রিল ২০২৩
  • পদত্যাগ: ২৪ জুলাই ২০২৬
  • মাসিক বেতন: ১.২ লক্ষ টাকা
  • মাসিক পেনশন: ৯০,০০০ টাকা (৭৫%)
  • আইন: প্রেসিডেন্টস পেনশন, গ্র্যাচুইটি অ্যান্ড আদার বেনিফিটস অ্যাক্ট; প্রেসিডেন্টস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজেস) অ্যাক্ট, ১৯৭৫
  • স্ত্রীর পেনশন: মাসিক পেনশনের ২/৩ আজীবন
  • গ্র্যাচুইটি: বার্ষিক পেনশন × দায়িত্বের বছর
  • সূত্র: টিবিএস রিপোর্ট, ২৫ জুলাই ২০২৬
যাচাই অবস্থা: ✓ যাচাইকৃত (নির্ভরতা স্কোর: 90%)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖