📌 আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ঘোষণা করেছেন, দেশের বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১০টি উপজেলায় পাইলট প্রকল্পের আওতায় নিকাহ রেজিস্ট্রারদের প্রশিক্ষণ ও ডিজিটাল ডিভাইস সরবরাহ করা হবে
বাংলাদেশের বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর নিকেতনে ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থা বাল্যবিবাহ ও একাধিক বিয়ে রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডিজিটাল নিবন্ধন: বিবাহ-তালাক নিবন্ধন সম্পূর্ণ অনলাইন ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় ডেটাবেজের সাথে সংযুক্ত হবে।
- 📌 পাইলট প্রকল্প: ১০টি উপজেলার ১০২টি ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রারদের ল্যাপটপ ও ডিজিটাল ডিভাইস সরবরাহ করা হবে।
- 📌 প্রশিক্ষণ কর্মসূচি: ৩ থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ চলছে। সব কাজীকে ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
- 📌 সাব-রেজিস্ট্রার পদায়ন: ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রার পদায়ন লটারির মাধ্যমে শুরু হবে।
📰 বিস্তারিত
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থা বর্তমানে ১০টি উপজেলায় পাইলট প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। এই প্রকল্পের আওতায় ১০২টি ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রারদের ল্যাপটপ, মোবাইল ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইস সরবরাহ করা হবে। তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে সব কাজীকে ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
বিবাহ নিবন্ধনের তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে যুক্ত করা হবে। এতে নিবন্ধন সংক্রান্ত তথ্য আরও সমন্বিতভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। আইনমন্ত্রী বলেন, এই ব্যবস্থা বাল্যবিবাহ ও একাধিক বিয়ে রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এছাড়াও, ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রার পদায়নের দীর্ঘদিনের প্রভাব কমাতে শিগগিরই লটারির মাধ্যমে পদায়ন শুরু করা হবে।
"বিবাহ নিবন্ধনের অনলাইন তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এর ফলে নিবন্ধনসংক্রান্ত তথ্য আরও সমন্বিতভাবে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (ব্র্যাক লার্নিং সেন্টার, নিকেতন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ (৩-১২ অক্টোবর), ১০টি উপজেলা, ১০২টি ইউনিয়ন, ১০২টি ডিভাইস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!