📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া কী; কে হতে পারবেন রাষ্ট্রপতি?

বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া কী; কে হতে পারবেন রাষ্ট্রপতি?

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগে রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য। সংবিধান ৫০(৩), ৫৪, ১২৩(১) ও ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন; ভোটার কেবল সংসদ সদস্যরা।

বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদটি শূন্য হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একইসঙ্গে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়াও শুরু হবে — পদ শূন্য হওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রে পদত্যাগ করতে পারেন।
  • 📌 ৫৪-অনুচ্ছেদ: পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব নেওয়া পর্যন্ত স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি।
  • 📌 ১২৩(১) অনুচ্ছেদ: পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।
  • 📌 ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ: প্রার্থী হতে বাংলাদেশের নাগরিক, অন্তত ৩৫ বছর বয়স, সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা প্রয়োজন।
  • 📌 সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হওয়া যায়।
  • 📌 ভোটার: কেবল নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা (সাধারণ ভোটার নয়)।
  • 📌 প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হলেন রিটার্নিং অফিসার।

📰 বিস্তারিত

সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি স্পিকারের উদ্দেশে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রের মাধ্যমে পদত্যাগ করতে পারেন। আর ৫৪-অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সামনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা।

সংবিধানের ১২৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদ শূন্য হওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। যদিও তফসিল ঘোষণার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা সংবিধানে নেই, তবে মনোনয়ন, যাচাই-বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং প্রয়োজনে ভোটগ্রহণসহ পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করার জন্য কমিশন সময়সূচি নির্ধারণ করবে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন বৈঠক করে তফসিল অনুমোদন করবে। এরপর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) সরকারি গেজেটে তফসিল প্রকাশ করবেন।

তফসিলে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ, যাচাই-বাছাইয়ের দিন, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং প্রয়োজন হলে ভোটগ্রহণের তারিখ, সময় ও স্থান উল্লেখ থাকবে। এই নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বও পালন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

👤 কে হতে পারবেন রাষ্ট্রপতি

সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হতে হলে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে, বয়স হতে হবে অন্তত ৩৫ বছর এবং জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। একই ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে জাতীয় সংসদের একজন সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজন সদস্যকে সমর্থক হতে হবে। একজন সংসদ সদস্য একাধিক প্রার্থীর প্রস্তাবক বা সমর্থক হতে পারবেন না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা পড়ার পর নির্বাচন কমিশন তা যাচাই-বাছাই করবে এবং বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবে। এরপর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে।

🗳️ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই। জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যরাই এই নির্বাচনের ভোটার। অর্থাৎ সংসদ সদস্যদের ভোটেই দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। যদি একাধিক বৈধ প্রার্থী থাকেন, তাহলে জাতীয় সংসদ ভবনে গোপন ব্যালটে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। উপস্থিত সংসদ সদস্যদের প্রদত্ত বৈধ ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া প্রার্থী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

তবে যাচাই-বাছাই শেষে যদি একজন মাত্র বৈধ প্রার্থী থাকেন, তাহলে ভোটগ্রহণ ছাড়াই রিটার্নিং অফিসার তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করবেন। ২০২৩ সালে মো. সাহাবুদ্দিন এভাবেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

"রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।" — সংবিধান, ৫৪-অনুচ্ছেদ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • পদত্যাগের ভিত্তি: সংবিধান ৫০(৩) অনুচ্ছেদ
  • ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি: স্পিকার (৫৪-অনুচ্ছেদ)
  • নির্বাচনের সময়সীমা: পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে (১২৩(১) অনুচ্ছেদ)
  • প্রার্থীর যোগ্যতা: নাগরিক, ৩৫+ বছর, এমপি হওয়ার যোগ্য (৪৮(৪) অনুচ্ছেদ)
  • সর্বোচ্চ মেয়াদ: ২ বার
  • মনোনয়নপত্র: ১ প্রস্তাবক + ১ সমর্থক (উভয় সংসদ সদস্য)
  • ভোটার: কেবল নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা
  • ভোটগ্রহণ: গোপন ব্যালট, সংসদ ভবন
  • রিটার্নিং অফিসার: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)
  • বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা উদাহরণ: মো. সাহাবুদ্দিন, ২০২৩
  • প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬, টিবিএস রিপোর্ট
যাচাই অবস্থা: ✓ যাচাইকৃত (নির্ভরতা স্কোর: 90%)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖