📌 একজন বিড়ালের নাম মিউ। সে বাসায় আসার পর থেকে পরিবারের সদস্যদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলেছিল। কিন্তু একদিন সে আর ফিরে আসেনি। তার অনুপস্থিতি বাসায় একটা শূন্যতা ছেড়ে গেছে
একটি সাধারণ সন্ধ্যায় বাবার সঙ্গে বাসায় ফিরে এসে আমি দেখলাম দরজার সামনে একজন বিড়াল রাজকীয় ভঙ্গিতে বসে আছে। আমরা তাকে দেখলাম, কিন্তু সে আমাদেরকে চেনে যেন না। সে আমাদের প্রতি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। সেদিনই আমি ফ্রিজ থেকে কয়েকটি ছোট মাছ নিয়ে তার সামনে রেখে দিলাম। সে সেই মাছগুলো খেয়ে ফেলে। এরপর থেকে আমাদের বাসায় মিউ নামে সেই বিড়ালের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিউ নামের বিড়ালটি বাসায় আসার পর থেকে পরিবারের সদস্যদের সাথে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলেছিল।
- 📌 প্রতিদিন সে বাইরে অন্য বিড়ালদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করত এবং ক্ষুধা লাগলে ‘মিউ মিউ’ করে ডাক দিত।
- 📌 সে কোনো এক অজানা কারণে মারা গেছে, যার ফলে বাসায় আর তার মতো কোনো বিড়ালের উপস্থিতি নেই।
- 📌 মিউকে বাসায় পুষতাম না, কিন্তু সে আমাদের সবার খুব প্রিয় হয়ে উঠেছিল।
📰 বিস্তারিত
বাসায় ফিরে এসে আমি দেখলাম, দরজার সামনে বসে আছে এক বিড়াল। সে আমাদেরকে চেনে যেন না। আমরা তাকে ডাকলেও সে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি। সেদিনই আমি ফ্রিজ থেকে কয়েকটি ছোট মাছ নিয়ে তার সামনে রেখে দিলাম। সে সেই মাছগুলো খেয়ে ফেলে। এরপর থেকে আমাদের বাসায় মিউ নামের সেই বিড়ালের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
মিউ সারাদিন বাইরে অন্য বিড়ালদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করত। ক্ষুধা লাগলে সে কোনো এক বাসার সামনে গিয়ে ‘মিউ মিউ’ করে ডাক দিত। আমাদের বাসায় মাছ-মাংস রান্না হলেই তার দাওয়াত থাকত। আমাদের বিল্ডিংয়ের প্রতিটি পরিবারই বিড়ালটিকে আপন করে নেয়। সবাই তাকে আদর করত এবং খেতে দিত।
কোনো এক অজানা কারণে মিউ আর নেই। দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে কেউ আর ঘরে ঢুকে পড়ে না। কারও জন্য বাইরে খাবারও আর রাখতে হয় না। যদিও আমরা কেউ মিউকে ঘরে পুষতাম না, তবু সে আমাদের সবার খুব প্রিয় হয়ে উঠেছিল।
"ভালো থাকিস মিউ। তোকে সারাজীবন ভীষণ মিস করব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাসা (বিল্ডিংয়ে অবস্থিত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেখক (আমি), বাবা, মিউ (বিড়াল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০ (বিড়ালের সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!