📅 ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জামায়াতের আমির: গণভোটের ৭০% রায় অগ্রাহ্য করলে জনগণ মেনে নেবে না, সরকারের সংস্কার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান
জামায়াতের আমির: গণভোটের ৭০% রায় অগ্রাহ্য করলে জনগণ মেনে নেবে না, সরকারের সংস্কার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়নে জনগণের ৭০% রায় অগ্রাহ্য করলে জনগণ তা মেনে নেবে না। তিনি সরকারের সংস্কার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলেছেন এবং চাঁদাবাজি, দখলদারত্ব, মাদক ও অস্ত্র প্রবেশের মতো সমসাময়িক চ্যালেঞ্জগুলোর সমাধান দাবি করেছেন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়নে জনগণের ৭০% রায় অগ্রাহ্য করলে জনগণ তা মেনে নেবে না বলে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করা হলে তা দেশের মানুষ মেনে নেবে না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭০% জনগণের গণভোটের রায় অগ্রাহ্য করলে জনগণ তা মেনে নেবে না — জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সতর্কবার্তা
  • 📌 জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সরকারের সংস্কার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ — বিরোধীদলীয় নেতা
  • 📌 গণভোট ও সংসদ নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠানের কারণে দুটি ভোটকে ‘গুলিয়ে ফেলা’ হয়েছে — জামায়াতের দাবি
  • 📌 চাঁদাবাজি, দখলদারত্ব ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে কৃষক ও সাধারণ মানুষের অবস্থা খারাপ — পঞ্চগড়ের লাউ বিক্রির উদাহরণ দিয়ে উল্লেখ
  • 📌 সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অর্থ, অস্ত্র ও মাদক প্রবেশ ঠেকাতে সরকার ব্যর্থ — জামায়াতের আমিরের অভিযোগ

📰 বিস্তারিত

রোববার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়েছিল। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সদস্যরা দীর্ঘ সাত মাসের বেশি সময় ধরে আলোচনা করে অধিকাংশ বিষয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি সনদ তৈরি করেন। সেই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার থেকেই সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এতে সই করেছিল।

জামায়াতের আমির বলেন, জামায়াতে ইসলামী চেয়েছিল আগে গণভোট, পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কিন্তু একই দিনে দুটি ভোট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে গণভোট ও সংসদ নির্বাচনকে ‘গুলিয়ে ফেলার’ আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্য হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, সংবিধানের দোহাই দিয়ে সংস্কার আটকে রাখা যাবে না। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে সংবিধান মেনেই সভা-সমাবেশ ও আন্দোলন হয়েছে। তারপরও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটানো সম্ভব হয়নি।

ডা. শফিকুর রহমান সরকারের সংস্কার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে বলেন, বিএনপি জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী সংস্কারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না। তিনি বলেন, ‘আমরা অতীতের পচে যাওয়া রাজনীতি আর দেখতে চাই না। আমরা পরিবর্তন চাই, সংস্কার চাই। আমাদের সন্তানেরা এ জন্য জীবন দিয়েছে। তারা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ ও ন্যায়বিচার চেয়েছিল। কিন্তু সেই আকাঙ্ক্ষা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি; বরং বৈষম্য আরও বাড়ছে।’

সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, চাঁদাবাজির কারণে সাধারণ মানুষকে বেশি দামে পণ্য কিনতে হচ্ছে। অন্যদিকে কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। পঞ্চগড়ের চারটি লাউ এক টাকায় বিক্রির খবর উল্লেখ করে তিনি বলেন, একদিকে কৃষক পণ্যের দাম পাচ্ছেন না, অন্যদিকে রাজধানীতে একই পণ্য অনেক বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রবাসে অস্থিরতার কারণে দেশে ফিরে আসা কর্মীদের পুনর্বাসনে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই। জনগণকে স্বস্তি দেওয়ার কার্যকর উদ্যোগও দেখা যাচ্ছে না।

সীমান্ত দিয়ে অর্থ, অস্ত্র ও মাদক প্রবেশের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অর্থ, অস্ত্র ও মাদক প্রবেশ করলে তা ঠেকানোর দায়িত্ব সরকারের। এসব অনিয়ম প্রতিরোধে সরকার ব্যর্থ হলে দেশ পরিচালনায় তাদের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। তিনি আরও বলেন, রাগ মেডিকেল সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ তুলে উল্লেখ করেন, শুধু পদত্যাগ করিয়ে কোনো অপরাধের দায় শেষ করা যায় না; সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

"সংবিধানের দোহাই দিয়ে সংস্কার আটকে রাখা যাবে না। অতীতে সংবিধান মেনেই সভা-সমাবেশ ও আন্দোলন হয়েছে, কিন্তু ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটানো সম্ভব হয়নি। তাহলে এখন সংবিধানের দোহাই দিয়ে সংস্কার আটকে রাখার চেষ্টা কেন?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (জাতীয় প্রেস ক্লাব, কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শফিকুর রহমান (জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০% (গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোট), ২৫ (অক্টোবর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖