📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দুটি হাত ছাড়াই বিচারক হওয়ার স্বপ্নে অর্জন করেছেন আইন স্নাতকোত্তর: বিউটি খাতুনের জীবনযুদ্ধের গল্প

দুটি হাত ছাড়াই বিচারক হওয়ার স্বপ্নে অর্জন করেছেন আইন স্নাতকোত্তর: বিউটি খাতুনের জীবনযুদ্ধের গল্প

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দুটি হাত ছাড়াই পা দিয়ে লেখাপড়া করে আইন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন জয়পুরহাটের ক্ষেতলালের বিউটি খাতুন। তিনি বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিচারক হওয়ার স্বপ্ন পূরণের জন্য।

দুটি হাত ছাড়াই পা দিয়ে লেখাপড়া করে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন বাংলাদেশের এক অদম্য মেয়ে। জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের বিউটি খাতুনের জীবনে প্রতিবন্ধকতা ছিল না, বরং তার প্রতিবন্ধকতা তার সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। তিনি বিচারক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **দুটি হাত ছাড়াই পা দিয়ে লেখাপড়া** করে আইন স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন বিউটি খাতুন
  • 📌 **রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি** অর্জন করেছেন ২০২৬ সালের অক্টোবরে
  • 📌 **জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ** হন জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায়
  • 📌 **বিজেএস পরীক্ষায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন** বিচারক হওয়ার স্বপ্ন পূরণের জন্য
  • 📌 **বাবা-মা ও সমাজের সহযোগিতা** পেয়েছেন, কিন্তু নিজের মেধায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন

📰 বিস্তারিত

বায়েজিদ হোসেন ও রহিমা খাতুন দম্পতির দুই সন্তানের মধ্যে ছোট মেয়ে বিউটি খাতুনের জন্ম থেকেই দুটি হাত ছিল না। জন্মের পরেই পরিবার তার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। বিশেষ করে পড়াশোনা ও দৈনন্দিন কাজ কীভাবে সামলাবেন, তা নিয়ে তাদের উদ্বেগ ছিল। কিন্তু বিউটি নিজেই সেই প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে নেন। ছোটবেলা থেকেই পা দিয়ে লেখার অভ্যাস গড়ে তোলেন তিনি। প্রতিটি অর্জনের পেছনে ছিল দীর্ঘ অধ্যবসায় এবং প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।

বিউটি খাতুন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। এরপর ২০১৭ সালে আখলাশ শিবপুর শ্যামপুর উচ্চবিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ২০১৯ সালে বগুড়ার দুপচাঁচিয়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করে ২০২৬ সালের অক্টোবরে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

বিউটির বাবা বায়েজিদ হোসেন বলেন, “মেয়ের জন্মের সময় দুটি হাত ছাড়াই জন্ম নিলে আমরা তার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলাম। কিন্তু তার অর্জনে আমরা গর্বিত। তিনি নিজের মেধা ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে প্রতিবন্ধকতাকে জয় করেছেন।” আখলাশ শিবপুর শ্যামপুর উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক একরামুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, “বিউটির এই অর্জন শুধু তার পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার। অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায় থাকলে শারীরিক সীমাবদ্ধতাও সাফল্যের পথে বাধা হতে পারে না।”

"শৈশব থেকেই নানা প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি মানুষের কটু কথাও শুনতে হয়েছে। কিন্তু সেসব কথায় ভেঙে না পড়ে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। নিজের যোগ্যতায় আত্মনির্ভরশীল হতে চান তিনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা, আলমপুর ইউনিয়ন, শিবপুর গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিউটি খাতুন, বায়েজিদ হোসেন, রহিমা খাতুন, একরামুল ইসলাম উজ্জ্বল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: জিপিএ-৫ (জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি), ২০২৬ (স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖