📌 ইসরাইলের সর্বশেষ নির্বাচনে কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন, আরব দলগুলো ১৯টি। নতুন সরকার গঠনে জোট পরিবর্তন ও আলোচনার প্রয়োজন হতে পারে
ইসরাইলের সর্বশেষ নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হলেও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আপাতত ক্ষমতায় রয়েছেন। ১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পাওয়ার পরিবর্তে নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে মাত্র ৫৩টি আসন। বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকটের দল পেয়েছে ৪৮টি আসন, আর আরব নেতৃত্বাধীন দলগুলো ১৯টি আসন। এই অবস্থায় নতুন সরকার গঠনের পথে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসরাইলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন, বিরোধী জোট ৪৮টি, আরব দলগুলো ১৯টি
- 📌 সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পায়নি কোনো দল — নেতানিয়াহু আপাতত তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন
- 📌 নতুন নেসেটের সদস্যদের শপথ গ্রহণের তারিখ: ১০ নভেম্বর, সরকার গঠনের সর্বশেষ সময়সীমা: ১১ নভেম্বর
- 📌 প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের ২৮ দিনের মধ্যে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে পারেন — প্রয়োজনে সময় বাড়ানো যেতে পারে
- 📌 আরব দলগুলোর সমর্থন নতুন সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে
📰 বিস্তারিত
গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যায়, কোনো রাজনৈতিক দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। নেতানিয়াহুর জোটের মধ্যে রয়েছে লিকুদ (২৭ আসন), ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজম (৭ আসন), ওতজমা ইয়েহুদিত (৭ আসন), শাস (৬ আসন) এবং রিলিজিয়াস জায়নিজম (৬ আসন)। অন্যদিকে, বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকটের দল ইয়াশার (২১ আসন), বি’ইয়াচাদ (১২ আসন), দ্য ডেমোক্র্যাটস (৮ আসন) এবং ইসরায়েল বেইতেনু (৭ আসন) নিয়ে গঠিত। আরব দলগুলোর মধ্যে জয়েন্ট লিস্ট (১১ আসন) এবং রা’আম (৮ আসন) রয়েছে।
নির্বাচনের ফল আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের কাছে জমা দেওয়ার কথা। নির্বাচনের ফল নিয়ে গাদি আইজেনকট বলেছেন, ইসরাইলের অধিকাংশ ভোটারই নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ‘৭ অক্টোবরের সরকার এবং সামরিক বাহিনীতে বাধ্যতামূলক নিয়োগ এড়িয়ে যাওয়ার নীতির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন তারা। তারা পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন।’
প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছে নতুন সরকার গঠনের জন্য পার্লামেন্ট সদস্যদের মনোনয়ন করা। শপথ গ্রহণের পর ১১ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি একজন পার্লামেন্ট সদস্যকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দিতে পারেন। সরকার গঠনের জন্য ওই সংসদ সদস্য ২৮ দিন সময় পাবেন। প্রয়োজনে এই সময় আরও ১৪ দিন বাড়ানো যেতে পারে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকার গঠন সম্ভব না হয়, তাহলে নতুন নির্বাচন আয়োজনের পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।
"কেউ যেন কাউকে বিভ্রান্ত না করেন। ইসরাইল রাষ্ট্রে পার্লামেন্টই সরকারকে আস্থার ভোট দেয়, সরকার পার্লামেন্টকে নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, গাদি আইজেনকট, আইজ্যাক হারজগ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২০টি আসন (নেসেট), ৬১টি আসন (সরকার গঠনের জন্য), ৫৩টি আসন (নেতানিয়াহুর জোট), ৪৮টি আসন (বিরোধী জোট), ১৯টি আসন (আরব দল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!