📌 টোকিওর কাবুকিচোতে প্রকাশ্য পতিতাবৃত্তি বাড়ছে এবং যৌনসেবা ক্রেতা পুরুষদের শাস্তির দাবি উত্থাপিত হয়েছে।
টোকিওর রাজধানী টোকিওর কাবুকিচো এলাকায় প্রকাশ্য রাস্তায় যৌনসেবা বিক্রির প্রবণতা বাড়ছে। আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে এলাকার পরিচিতি ছড়িয়ে পড়ায় এই প্রবণতা তীব্রতর হয়েছে। ফলে যৌনকর্মীরা সহিংসতা ও যৌনবাহিত সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়ছে, এবং ক্রেতা পুরুষদের শাস্তির দাবি বাড়ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০২৫ সালে কাবুকিচোতে ১১২ নারীকে যৌনসেবা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।
- 📌 ১৯৫৬ সালের জাপান পতিতাবৃত্তি প্রতিরোধ আইনে সর্বোচ্চ ছয় মাস কারাদণ্ড অথবা ২০ হাজার ইয়েন জরিমানা নির্ধারিত।
- 📌 গত বছর কাবুকিচোতে ৭৫ নারীকে গ্রেফতার করা হয়, তবে এখনও সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা যায় না।
- 📌 প্রতিবেদন অনুযায়ী এক বিদেশি ক্রেতা গড়ে ৯৫ ডলার পরিশোধ করে সেবা গ্রহণ করে।
📰 বিস্তারিত
কাবুকিচোকে ‘নিদ্রাহীন শহর’ বলা হয়; এখানে খাবারের দোকান, পানশালা ও কারাওকে সহ রাতভর মানুষের আনাগোনা থাকে। ঝলমলে আলোকসজ্জার আড়ালে গলিগুলোতে অর্থের বিনিময়ে যৌনসেবা দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে নারী দাঁড়িয়ে থাকে, যা জাপানি ভাষায় ‘তাচিনবো’ বলা হয়। এই এলাকায় নারীদের এবং ক্রেতাদের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানবিক ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
অধিকারকর্মীদের মতে, বর্তমান আইনে পুরুষেরা জানেন, তাঁরা কোনো আইনি পরিণতির মুখে পড়বেন না। আরাতা সাকামতো, রেসকিউ হাবের প্রধান, বলেন, "বর্তমান আইনে পুরুষেরা জানেন, তাঁরা কোনো আইনি পরিণতির মুখে পড়বেন না।" তিনি উল্লেখ করেন যে, শাস্তির বিধান চালু হলে রাস্তায় যৌনবাণিজ্য গোপন স্থানে চলে যেতে পারে, যা নারীদের ঝুঁকি বাড়াবে। আইনপ্রণেতা এবং অধিকারকর্মীদের দাবি যে, ক্রেতা পুরুষদেরও শাস্তির আওতায় আনা দরকার।
পুলিশ কাবুকিচোতে টহল বাড়িয়ে চলেছে; গত বছর ৭৫ নারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ১১২ নারীকে যৌনসেবা দেওয়ার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। তবে ক্রেতাদের ওপর কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ায় পুরুষদের আচরণে সহিংসতা বাড়ছে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্য কাজুনোরি ইয়ামানোও আইন পরিবর্তনের পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন, যেখানে তিনি আন্তর্জাতিক উদাহরণ উল্লেখ করে জাপানের বর্তমান নীতির সমালোচনা করেছেন।
"বর্তমান আইনে পুরুষেরা জানেন, তাঁরা কোনো আইনি পরিণতির মুখে পড়বেন না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টোকিও, কাবুকিচো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরাতা সাকামতো (অধিকারকর্মী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১২ নারী (গ্রেপ্তার)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!