📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শিল্পাচার্য সুলতানের অবহেলিত জীবন ও জীবজন্তুর সঙ্গে তাঁর সখ্যতা

শিল্পাচার্য সুলতানের অবহেলিত জীবন ও জীবজন্তুর সঙ্গে তাঁর সখ্যতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের জীবন ছিল বৈচিত্র্যময় ও সংগ্রামমুখর। কলকাতা আর্ট স্কুল থেকে পালিয়ে ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে ভবঘুরে জীবন কাটানোর পর তিনি নিজস্ব শিল্পভাষা প্রতিষ্ঠা করেন। তবে তাঁর শেষ জীবন কাটে অবহেলায়—জরাজীর্ণ বাড়িতে জীবজন্তুদের সঙ্গে একাকী

চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান তাঁর জীবনের তিনটি ভিন্ন পর্বে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পালাবদলের সাক্ষী ছিলেন। কলকাতা আর্ট স্কুলে ভর্তি হওয়ার তিন বছর পর তিনি পালিয়ে যান ভারতবর্ষের বিভিন্ন শহরে। সেখানে ভবঘুরে জীবন কাটানোর মধ্যেও শিল্পচর্চায় নিজেকে নিবেদিত রাখেন। ঔপনিবেশিক শিল্পরীতি থেকে নিজেকে দূরে রেখে তিনি গড়ে তোলেন স্বতন্ত্র শিল্পভাষা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কলকাতা আর্ট স্কুলে ভর্তি হওয়ার তিন বছর পর পালিয়ে যান ভারতবর্ষের বিভিন্ন শহরে
  • 📌 ঔপনিবেশিক শিল্পরীতি থেকে নিজেকে দূরে রেখে স্বতন্ত্র শিল্পভাষা প্রতিষ্ঠা করেন
  • 📌 ১৯৭৮ সালের নভেম্বরে প্রথম তাঁর বাড়িতে যান একজন সাংবাদিক
  • 📌 তাঁর বাড়িতে ছিল না কোনো আসবাবপত্র, দেয়ালে ছিল ধূসর কাপড় ও বিবর্ণ নারীর মুখের ছবি
  • 📌 বাড়িতে ছিল প্রায় দেড় ডজন বিড়াল, কয়েক শ প্রাণী ও কুকুর, যারা তাঁর প্রতি অসীম দয়াশীল
  • 📌 বাড়িটি ছিল প্রায় দেড় শ বছরের পুরোনো জমিদারবাড়ির বিচ্ছিন্ন অংশ

📰 বিস্তারিত

শিল্পাচার্য এস এম সুলতান তাঁর জীবনের প্রথম পর্বে কলকাতা আর্ট স্কুলে ভর্তি হন। তবে তিন বছর পর তিনি পালিয়ে যান ভারতবর্ষের বিভিন্ন শহরে। সেখানে ভবঘুরে জীবন কাটানোর মধ্যেও তিনি শিল্পচর্চায় নিজেকে নিবেদিত রাখেন। তিনি পূর্বসূরিদের পথ অনুসরণ না করে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছিলেন। তাঁর শিল্পভাবনা আরও সমৃদ্ধ হয় আমেরিকা ও ইউরোপ ভ্রমণের পর। শেষ পর্যন্ত তিনি প্রচলিত শিল্পকলার ব্যাকরণের বাইরে গিয়ে মাটির মানুষের কৃষিসভ্যতাকে নিজের সৃষ্টির মূল বিষয় হিসেবে গ্রহণ করেন।

১৯৭৮ সালের নভেম্বরে একজন সাংবাদিক প্রথম তাঁর বাড়িতে যান। রাজধানী ঢাকা থেকে আসা সেই সাংবাদিক দেখেন, শিল্পীর বাড়িতে ছিল না কোনো আসবাবপত্র। দেয়ালে ছিল ধূসর ও জরাজীর্ণ কাপড়, যার মাঝখান থেকে উঁকি দিত বিবর্ণ একটি নারীর মুখ। হারিকেনের মৃদু আলোয় তিনি দেখেন, বাড়িটির চারপাশে ছিল প্রায় দেড় ডজন বিড়াল, কয়েক শ প্রাণী ও কুকুর। কুকুরগুলো তাঁর প্রতি অসীম দয়াশীল ছিল, শুধু ক্ষুধা পেলে কাছে এসে আওয়াজ করত।

বাড়িটি ছিল প্রায় দেড় শ বছরের পুরোনো জমিদারবাড়ির একটি বিচ্ছিন্ন অংশ। সিঁড়ি ভেঙে যাওয়ার আভাস পাওয়া যেত, মেঝে ও ছাদ ওপরে-নিচে ভাঙা ছিল। বিদ্যুৎ ও পানির কোনো ব্যবস্থা ছিল না। মধ্যরাতে হারিকেনের আলোয় তিনি দেখেন, সুলতান খাঁচায় থাকা প্রাণীদের সঙ্গে কথা বলছেন। প্রাণীরাও যেন তাঁকে জবাব দিচ্ছিল। তাঁর সঙ্গে থাকা প্রাণীদের মধ্যে ছিল বড় আকারের টিকটিকি, ধাড়ি ইঁদুর, বিড়াল, কুকুর ও পাখি।

"মধ্যরাতে আচমকাই জীবজন্তু ও পাখিদের কণ্ঠস্বর প্রায় স্তব্ধ হয়ে গেল। মনে হলো, কেউ একজন এসেছে ওদের সঙ্গে দেখা করতে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মাছিমদিয়া, চিত্রা নদীর তীরে, নড়াইল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এস এম সুলতান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় দেড় ডজন বিড়াল, কয়েক শ প্রাণী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖