📌 অ্যালিসিয়া ভিকান্দর ‘আনা কারেনিনা’ সিনেমার শুটিংয়ে মাইনাস ৪০ ডিগ্রি ঠান্ডায় পাঁচ দিন কাটান। নেকড়ে আক্রমণে একজন সদস্যের কোল্ড ইনজুরি হয়। তিনি অভিজ্ঞতাকে জীবনের সেরা অ্যাডভেঞ্চার বলে বর্ণনা করেছেন
মাইনাস ৪০ ডিগ্রি ঠান্ডা, নেকড়ে আক্রমণ এবং বরফের ওপর হোভারক্রাফটে যাত্রা — এই সবের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন অ্যালিসিয়া ভিকান্দর ‘আনা কারেনিনা’ সিনেমার শুটিংয়ে। এই অভিজ্ঞতা তাঁর অভিনয়জীবনের অন্যতম স্মরণীয় হয়ে আছে। সিনেমাটির শুটিং হয়েছিল রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের বাইরে একটি প্রত্যন্ত এলাকায়, যেখানে নেকড়ে আক্রমণে একজন সদস্যের কোল্ড ইনজুরি হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাইনাস ৪০ ডিগ্রি ঠান্ডায় ‘আনা কারেনিনা’ সিনেমার শুটিংয়ে অ্যালিসিয়া ভিকান্দর পাঁচ দিন কাটান, যেখানে ছিল না গরম পানির ব্যবস্থা বা সঠিক বাসস্থান
- 📌 নেকড়ে আক্রমণে শুটিং দলের একজন সদস্য আতঙ্কিত হয়ে পড়েন, রাতে নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের রক্ষা করেন
- 📌 চিত্রগ্রাহক সিমাস ম্যাকগারভে এই শুটিংকে তাঁর করা সবচেয়ে কঠিন শুটিংগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছেন
- 📌 অ্যালিসিয়া ভিকান্দর অভিজ্ঞতাকে ‘জীবনের সেরা অ্যাডভেঞ্চার’ বলে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু বলেছেন, ‘এমন অভিজ্ঞতা আমি দ্বিতীয়বার নিতে চাই না’
📰 বিস্তারিত
‘আনা কারেনিনা’ সিনেমার শুটিংয়ের একটি অংশ হয়েছিল রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের বাইরে একটি প্রত্যন্ত এলাকায়। সেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি পৌঁছেছিল। শুটিং ইউনিটকে সেখানে পৌঁছানোর জন্য দীর্ঘ ট্রেনযাত্রা, বাসযাত্রা এবং বরফের ওপর হোভারক্রাফটে যাত্রা করতে হয়েছিল। সেখানে পাঁচ দিন থাকতে হয়েছিল একটি ছোট কেবিনে, যেখানে ছিল না গরম পানির ব্যবস্থা। বিছানার বদলে বেঞ্চেই ঘুমাতে হয়েছিল, যা শীতের মধ্যেও আরও কষ্টদায়ক হয়ে উঠেছিল।
অ্যালিসিয়া ভিকান্দর দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘দীর্ঘ যাত্রার পর সেখানে পাঁচ দিন থাকতে হয়েছিল। কিন্তু সেই কেবিনে ছিল না গরম পানির ব্যবস্থা। বিছানার বদলে বেঞ্চেই ঘুমাতে হয়েছিল, যা শীতের মধ্যে আরও ভয়ানক অবস্থার সৃষ্টি করেছিল।’ তিনি এই অভিজ্ঞতাকে ‘জীবনের সেরা অ্যাডভেঞ্চার’ বলে বর্ণনা করেছেন, কিন্তু মজা করে বলেছেন, ‘এমন অভিজ্ঞতা আমি জীবনে দ্বিতীয়বার নিতে চাই না।’
শুটিংয়ের সময় নিরাপত্তা সম্পর্কে সতর্কতা ছিল। শুটিং ইউনিটের কল শিটে নেকড়ে সম্পর্কে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিল। ভিকান্দর জানান, তিনি নিজেই শুটিংয়ের পাশে নেকড়ে ও ভালুক ঘুরতে দেখেছিলেন। রাতে কটেজের আশপাশে নেকড়ের ডাক শুনতাম। একদিন রাতে একজন সদস্য রুমের বাইরে গেলে একদল নেকড়ে তাঁকে ঘিরে ফেলে। পরে তাঁকে চিৎকার করতে ও দরজায় আঘাত করতে শোনা যায়। নিরাপত্তারক্ষীরা নেকড়েগুলোকে সরিয়ে দেন। প্রচণ্ড ঠান্ডায় ওই দলের একজন সদস্যের কোল্ড ইনজুরিও হয়েছিল বলে জানা যায়।
"দীর্ঘ ট্রেনযাত্রার পর কয়েক ঘণ্টা বাসে এবং পরে বরফের ওপর হোভারক্রাফটে করে আমরা প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছাই। সেখানে পাঁচ দিন থাকতে হয়েছিল একটি ছোট কেবিনে। কিন্তু সেই কেবিনে ছিল না গরম পানির ব্যবস্থা। বিছানার বদলে বেঞ্চেই ঘুমাতে হয়েছিল, যা শীতের মধ্যে আরও ভয়ানক অবস্থার সৃষ্টি করেছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের বাইরে প্রত্যন্ত এলাকা, কিঝি দ্বীপ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যালিসিয়া ভিকান্দর, সিমাস ম্যাকগারভে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মাইনাস ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পাঁচ দিন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!