📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রবীন্দ্রনাথের গান ও ভাবনার গভীরতা উপলব্ধি করে ‘এ আমির আবরণ’ অনুষ্ঠানে মুগ্ধ শ্রোতারা

রবীন্দ্রনাথের গান ও ভাবনার গভীরতা উপলব্ধি করে ‘এ আমির আবরণ’ অনুষ্ঠানে মুগ্ধ শ্রোতারা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ছায়ানট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘রবীন্দ্রনাথের গান ও এ আমির আবরণ’ শিল্পসন্ধ্যায় লাইসা আহমদ লিসা ও ইমতিয়াজ আহমেদের দ্বৈত পরিবেশনায় শ্রোতারা মুগ্ধ। শঙ্খ ঘোষের বই ‘এ আমির আবরণ’ থেকে অনুপ্রাণিত এই আয়োজনটি রবীন্দ্রনাথের গানের নতুন দৃষ্টিকোণ উপস্থাপন করে

ছায়ানট মিলনায়তনে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার মধ্যেই পূর্ণ হয়ে যায় শ্রোতাদের ভিড়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ‘রবীন্দ্রনাথের গান ও এ আমির আবরণ’ শিল্পসন্ধ্যায় লাইসা আহমদ লিসা ও ইমতিয়াজ আহমেদের দ্বৈত পরিবেশনায় বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে তরুণ শ্রোতারা মুগ্ধ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এই দুই ঘণ্টার আয়োজনে রবীন্দ্রনাথের গানের গভীরতা ও শঙ্খ ঘোষের বই ‘এ আমির আবরণ’ থেকে অনুপ্রাণিত পরিবেশনায় শ্রোতারা আকৃষ্ট হন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাজ্যভিত্তিক আনন্দধারা আর্টস ইউকের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘রবীন্দ্রনাথের গান ও এ আমির আবরণ’ শিল্পসন্ধ্যায় অংশগ্রহণকারীদের ভিড় ছিল অপরিসীম
  • 📌 শঙ্খ ঘোষের বই ‘এ আমির আবরণ’ থেকে অনুপ্রাণিত এই আয়োজনে রবীন্দ্রনাথের গানের বাণী ও ভাবনার নতুন দৃষ্টিকোণ উপস্থাপিত হয়
  • 📌 অনুষ্ঠানে রাশেদ হাসান ‘এ আমির আবরণ’ বই থেকে পাঠ করেন, গানের বিরতিতে বইয়ের অংশ উপস্থাপন করা হয়
  • 📌 লাইসা আহমদ লিসা ও ইমতিয়াজ আহমেদের দ্বৈত ও একক পরিবেশনায় রবীন্দ্রনাথের ১৪টি গান পরিবেশিত হয়
  • 📌 অনুষ্ঠানের শেষে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে সমাপন করা হয়

📰 বিস্তারিত

শিল্পসন্ধ্যায় ‘এ আমির আবরণ’ বইয়ের নামকরণের কারণ হিসেবে শঙ্খ ঘোষের রবীন্দ্রনাথের গানের বাণী ও নিজের অভিজ্ঞতার সংমিশ্রণকে তুলে ধরা হয়। এই বইয়ে কবির গানের গভীরতা ও তার ভাবনার নতুন দিকগুলি বিশ্লেষিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের সূচনা হয় দ্বৈত কণ্ঠে ‘ওই আসনতলে’ গান দিয়ে। এরপর লাইসা আহমদ লিসা ‘মধুর, তোমার শেষ যে না পাই’ ও ‘বাজাও আমারে’ গান পরিবেশন করেন। ইমতিয়াজ আহমেদ ‘অধরা মাধুরী ধরেছি’ ও ‘মধুর মধুর ধ্বনি বাজে’ গান দিয়ে দ্বিতীয় পর্ব শুরু করেন।

তৃতীয় পর্বে দ্বৈত পরিবেশনায় ‘ওগো শেফালিবনের মনের কামনা’ গান দিয়ে শুরু হয়, এরপর লিসা ‘বাজিল কাহার বীণা’ ও ‘অমল ধবল পালে লেগেছে’ গান পরিবেশন করেন। ইমতিয়াজ আহমেদ ‘জীবনে যত পূজা হলো না সারা’ ও ‘বড়ো বেদনার মতো’ গান দিয়ে চতুর্থ পর্ব সম্পন্ন করেন। এইভাবে লাইসা ও ইমতিয়াজ যৌথভাবে ‘তুমি কেমন করে গান করো হে’, ‘তোমায় গান শোনাব’, ‘তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে’ ও ‘যদি জানতেম আমার কিসের ব্যথা’ গান পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ‘আমার ভাঙা পথের রাঙা ধুলায়’, ‘যেতে যেতে একলা পথে’, ‘কার মিলন চাও বিরহী’, ‘আজি ঝড়ের রাতে’ ও ‘গানের ভেতর দিয়ে যখন দেখি’ গান পরিবেশিত হয়। গানের বিরতিতে রাশেদ হাসান শঙ্খ ঘোষের বই ‘এ আমির আবরণ’ থেকে পাঠ করেন। অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে।

"রবীন্দ্রনাথের গানের বাণী ও নিজের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে কবিকে নতুনভাবে দেখার চেষ্টা করেছেন শঙ্খ ঘোষ"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ছায়ানট মিলনায়তন, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লাইসা আহমদ লিসা, ইমতিয়াজ আহমেদ, শঙ্খ ঘোষ, রাশেদ হাসান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪টি গান, ২ ঘণ্টা, ৮টি অংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖