📌 'ঝিলিক' অভিনেত্রী তিথি বসু বিশ্বজিত চ্যাটার্জির পক্ষে কথা বললেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, গরুর মাংস খাওয়া ব্যক্তিগত বিষয় এবং বাংলাদেশে গিয়ে কী খাবেন তা অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়
বিশ্বজিত চ্যাটার্জির পক্ষে কথা বলার পর নিজেও সমালোচনার মুখে পড়েছেন ‘ঝিলিক’ অভিনেত্রী তিথি বসু। ভারতীয় অভিনেতা বিশ্বজিতের গরুর মাংস খাওয়ার বিষয়ে প্রকাশিত বক্তব্যের পর বাংলাদেশে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। সেই বিতর্কে তিথি বসু বিশ্বজিতের পক্ষে কথা বললেও নিজেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিশ্বজিত চ্যাটার্জি বাংলাদেশে গরুর মাংস ও ইলিশের বিভিন্ন পদের প্রশংসা করেছিলেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক সৃষ্টি করে।
- 📌 ‘ঝিলিক’ অভিনেত্রী তিথি বসু বিশ্বজিতের পক্ষে কথা বলেন এবং দাবি করেন, গরুর মাংস খাওয়া ব্যক্তিগত বিষয় এবং অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
- 📌 তিনি দাবি করেন, চলচ্চিত্র ও ধারাবাহিক জগতে অনেক ব্রাহ্মণ শিল্পী গরুর মাংস খান, কিন্তু তা প্রকাশ্যে বলেন না।
- 📌 তিথি বলেন, মুসলিমদের তুলনায় হিন্দুদের গরুর মাংস খাওয়ার হার বেশি।
- 📌 তার মন্তব্যের পরও তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছেন, কেউ তাকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন যে তার কথা না বলাই উচিত ছিল।
📰 বিস্তারিত
বিশ্বজিত চ্যাটার্জি বাংলাদেশে গিয়ে গরুর মাংস ও ইলিশের বিভিন্ন পদের প্রশংসা করেছিলেন। সেই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি সমালোচনার মুখে পড়েন। এই পরিস্থিতিতে ‘মা’ ধারাবাহিকের অভিনেত্রী তিথি বসু বিশ্বজিতের পক্ষে কথা বলেন। তিনি বলেন, বিশ্বজিত একজন জ্যেষ্ঠ অভিনেতা এবং নিজের সততা থেকেই সত্য কথা বলেছেন। তিনি আরও দাবি করেন, বাংলাদেশে গিয়ে কে কী খাবেন, সেটি প্রত্যেকের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়।
তিথি বসু দাবি করেন, চলচ্চিত্র ও ধারাবাহিক জগতের অনেক ব্রাহ্মণ শিল্পী গরুর মাংস খান। তিনি বলেন, তাদের ধারাবাহিকেও এমন অনেক ব্রাহ্মণ অভিনেতা ছিলেন, যারা সেটে বসে গরুর মাংস নিয়ে আলোচনা করতেন। তিনি কলকাতার অনেক পরিচিত জায়গায় গরুর মাংস বিক্রি হতো এবং অধিকাংশ হিন্দু মানুষ সেই জায়গায় যেতেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, ২০১০ সাল পর্যন্ত অনেক জনপ্রিয় গায়ক ও বিভিন্ন চ্যানেলের কর্মকর্তাও গরুর মাংস খেতে যেতে দেখেছেন।
তিথি বলেন, অনেক মানুষ গরুর মাংস খান এবং এটাই বাস্তবতা। তিনি দাবি করেন, মুসলিমদের তুলনায় হিন্দুদের গরুর মাংস খাওয়ার হার বেশি। তিনি আরও বলেন, যারা প্রকাশ্যে এ কথা বলেন না, তাদের অনেকেই হয়তো আড়ালে গরুর মাংস খান। তিনি মনে করেন, কার ধর্ম কী কিংবা কে কী খাবেন, সেটি একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় এবং নিজের খাদ্যাভ্যাস অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়।
"বিশ্বজিত একজন জ্যেষ্ঠ অভিনেতা এবং মানুষ হিসেবেও অসাধারণ। নিজের সততা থেকেই তিনি সত্য কথা বলেছেন। বাংলাদেশে গিয়ে কে কী খাবেন, সেটি প্রত্যেকের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ, কলকাতা, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিনেত্রী তিথি বসু, অভিনেতা বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!