📌 ধানমন্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি ভবনে ‘ভোরের আলো’ দল আয়োজন করে ‘বর্ষামুখর শ্রাবণসন্ধ্যা’। রবীন্দ্রসংগীত ও নৃত্যের মাধ্যমে শ্রাবণের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়।
ধানমন্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে শনিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত হয় ‘বর্ষামুখর শ্রাবণসন্ধ্যা’ নামের গীতিনৃত্য-আলেখ্য। প্রয়াত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ও শিক্ষক সাদি মহম্মদের প্রতিষ্ঠিত দল ‘ভোরের আলো’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে অংশ নেয় সংগীত সংগঠন গানে গানে আড্ডা, উত্তরায়ণ ও নৃত্যসংগঠন নৃত্যাঞ্চল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অনুষ্ঠানের নাম: ‘বর্ষামুখর শ্রাবণসন্ধ্যা’
- 📌 আয়োজক দল: ‘ভোরের আলো’ (প্রয়াত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী সাদি মহম্মদের প্রতিষ্ঠিত)
- 📌 সহযোগী সংগঠন: গানে গানে আড্ডা, উত্তরায়ণ, নৃত্যাঞ্চল
- 📌 অনুষ্ঠানের স্থান: ধানমন্ডি, ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তন
- 📌 অনুষ্ঠানের তারিখ: শনিবার সন্ধ্যা
- 📌 প্রধান শিল্পী: অনুপম কুমার পাল, জেসমিন রোজ, মৌমিতা পাল, সৌরভ শিকদার, ফারজানা অপরাজিতা, অনন্যা সাহা, হাফিজুর রহমান
- 📌 পরিচালনা: শিল্পী লিলি ইসলাম (সার্বিক পরিকল্পনা), শিবলী মোহাম্মদ ও স্নাতা শাহরিন (নৃত্য পরিচালনা)
📰 বিস্তারিত
শ্রাবণ মাসের বিদায়ের প্রাক্কালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আয়োজিত হয় ‘বর্ষামুখর শ্রাবণসন্ধ্যা’ নামের বিশেষ গীতিনৃত্য-আলেখ্য। প্রয়াত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী ও শিক্ষক সাদি মহম্মদের হাতে গড়া দল ‘ভোরের আলো’র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে অংশ নেয় সংগীত সংগঠন গানে গানে আড্ডা (ছোটদের দল), উত্তরায়ণ ও নৃত্যসংগঠন নৃত্যাঞ্চল।
বর্ষা বাংলার প্রকৃতিতে প্রাণসঞ্চারী ঋতু হিসেবে পরিচিত। গ্রীষ্মের তপ্ত প্রকৃতিতে বর্ষার অবিরল বর্ষণ মাটিকে আর্দ্র করে তুললেও কবিদের চিত্তেও ব্যাকুলতা সৃষ্টি করে। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কাব্যে-সংগীতে বর্ষাকে নতুনভাবে তুলে ধরেন। মূলত তাঁর সেই সৃজনসম্ভারের মাধ্যমেই সাজানো হয়েছিল শ্রাবণসন্ধ্যার এই আয়োজন।
অনুষ্ঠান শুরু হয় সমবেত কণ্ঠে ‘আহ্বান আসিল মহোৎসব/ অম্বরে গম্ভীর ভেরিরবে’ গানের পরিবেশনা দিয়ে। এরপর ছিল সমবেত সংগীত ও নৃত্য, ‘আজ তালের বনের করতালি’ গানে গানে। একক কণ্ঠের পরিবেশনার মধ্যে ছিল ‘চক্ষে আমার তৃষ্ণা’, ‘গগনে গগনে আপন মনে’, ‘চিত্ত আমার হারাল’, ‘শাওন গগনে’, ‘আজি শ্রাবণ ঘন গহন মোহে’।
"বর্ষা বাংলার প্রকৃতিতে প্রাণসঞ্চারী ঋতু হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে। গ্রীষ্মের তপ্ত–শুষ্ক প্রকৃতিতে বর্ষার অবিরল বর্ষণ মাটিকে কেবল আর্দ্র–কোমলই করে না, প্রকৃতিকে যেন নতুন করে জাগিয়ে তোলে। কবিদের চিত্তেও ব্যাকুল করে তোলে বর্ষা।"
একক গানের শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন অনুপম কুমার পাল, জেসমিন রোজ, মৌমিতা পাল, সৌরভ শিকদার প্রমুখ। পাঠ ও আবৃত্তিতে অংশ নিয়েছিলেন অনন্যা সাহা ও হাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানে সমবেত কণ্ঠের ‘আষাঢ় কোথা হতে আজ পেলি ছাড়া’ গানের সঙ্গে ছিল নৃত্যপরিবেশনা। অনুষ্ঠান শেষ হয় ‘মরু বিজয়ের কেতন উড়াও শূন্যে হে প্রবল প্রাণ’ সমবেত কণ্ঠের গানটির মাধ্যমে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধানমন্ডি, ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তন, রাজধানী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাদি মহম্মদ, লিলি ইসলাম, শিবলী মোহাম্মদ, স্নাতা শাহরিন, অনুপম কুমার পাল, জেসমিন রোজ, মৌমিতা পাল, সৌরভ শিকদার, ফারজানা অপরাজিতা, অনন্যা সাহা, হাফিজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা ৪টি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!