📌 পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দাসত্বের মতো আচরণ ও হয়রানি করার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, কোভিড সময়ে লুইজিয়ানায় সফরে গেলেও পরিবার তাকে সন্তানদের মতো আচরণ করতে বাধ্য করেছিল
পপ তারকা ব্রিটনি স্পিয়ার্স তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দাসত্বের মতো আচরণ ও হয়রানি করার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি নিজের ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত একটি দীর্ঘ পোস্টে পরিবারের সদস্যদের আচরণের কথা তুলে ধরেছেন এবং নতুন পরিবার খুঁজে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রিটনি স্পিয়ার্সের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দাসত্বের মতো আচরণের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
- 📌 তিনি জানিয়েছেন, কোভিড সময়ে লুইজিয়ানায় সফরে গেলেও জেমি লিন তাকে সন্তানদের মতো আচরণ করতে বাধ্য করেছিলেন।
- 📌 ব্রিটনি বলেছেন, পরিবার তাকে বাথরুম ব্যবহার করতে দেওয়া হতো না এবং তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপেক্ষায় রাখা হয়েছিল।
- 📌 তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, পরিবার তার পিছনে গোপন কাজ করেছে এবং তিনি শুধু বাবার জন্য কাজ করেছেন।
📰 বিস্তারিত
ব্রিটনি স্পিয়ার্সের পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি নতুন পরিবার খুঁজে নেব!’ তিনি লুইজিয়ানায় দুই সপ্তাহের সফরে গেলেও জেমি লিন তাকে একবারও সন্তানদের মতো কোলে নিতে দেয়নি। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, কেভিনের বাড়িতে সন্তানদের আনতে গেলে তাকে বাথরুম ব্যবহার করতে দেওয়া হতো না।
ব্রিটনি স্পিয়ার্সের অভিযোগ অনুযায়ী, পরিবার তাকে দাসের মতো ব্যবহার করেছে। তিনি বলেছেন, ‘তারা আমার সঙ্গে দাসের মতো আচরণ করেছে। আমার আড়ালে তারা অনেক কিছু করেছে, যা গোপন রেখেছে।’
তিনি সাম্প্রতিক এক ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার অভিযোগ, আলোকচিত্রীদের ছবি তোলার প্রস্তুতির মধ্যে তাকে ইচ্ছাকৃতভাবে অপেক্ষায় রাখা হয়েছিল। তিনি বলেছেন, ‘বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় পুরো ঘটনাটিকে বড় ধরনের পরিকল্পিত ফাঁদ বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।’
"আমি নতুন পরিবার খুঁজে নেব! কোভিডের সময় লুইজিয়ানায় দুই সপ্তাহের সফরে গেলেও জেমি লিন আমাকে একবারের জন্যও আইভিকে কোলে নিতে দেয়নি। আর কেভিনের বাড়িতে সন্তানদের আনতে গেলে আমাকে বাথরুমও ব্যবহার করতে দেওয়া হতো না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লুইজিয়ানা (সফর), দেশে (ব্রিটনি স্পিয়ার্সের উল্লেখিত দেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্রিটনি স্পিয়ার্স, জেমি লিন, কেভিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ সপ্তাহ (সফরকালীন সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!