📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শিল্পী পলাশ ভট্টাচার্যের ‘ভূমিবচন’: স্মৃতি ও

শিল্পী পলাশ ভট্টাচার্যের ‘ভূমিবচন’: স্মৃতি ও

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের গ্যালারি-৫-এ প্রদর্শিত হচ্ছে শিল্পী পলাশ ভট্টাচার্যের একক প্রদর্শনী ‘ভূমিবচন’। চট্টগ্রামের পরিত্যক্ত পৈতৃক মাটির বাড়িকে কেন্দ্র করে পারিবারিক স্মৃতি, গ্রামীণ নারীর জীবন-অভিজ্ঞতা ও অবক্ষয়ী কৃষি অর্থনীতির আন্তঃসম্পর্ককে তুলে ধরা হয়েছে মাল্টিমিডিয়া প্রকল্পে

আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের গ্যালারি–৫-এ প্রদর্শিত হচ্ছে শিল্পী পলাশ ভট্টাচার্যের একক প্রদর্শনী ‘ভূমিবচন’ (দ্য টেল অব দ্য সয়েল)। ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় ডব্লিউওডব্লিউ বাংলাদেশের অনুদানপ্রাপ্ত এই মাল্টিমিডিয়া প্রকল্পে শিল্পী চট্টগ্রামের একটি জরাজীর্ণ পৈতৃক মাটির বাড়িকে কেন্দ্র করে পারিবারিক স্মৃতি, গ্রামীণ নারীর জীবন-অভিজ্ঞতা, মৌখিক ইতিহাস এবং অবক্ষয়ী কৃষি অর্থনীতির আন্তঃসম্পর্ককে ভিডিও, ডিজিটাল কোলাজ, সিল্কস্ক্রিন ও ইনস্টলেশনের মাধ্যমে অনুসন্ধান করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রদর্শনীটির নাম ‘ভূমিবচন’ (দ্য টেল অব দ্য সয়েল), শিল্পী পলাশ ভট্টাচার্য
  • 📌 আগারগাঁওয়ের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের গ্যালারি–৫-এ প্রদর্শিত হচ্ছে
  • 📌 ব্রিটিশ কাউন্সিল ও ডব্লিউওডব্লিউ বাংলাদেশের অনুদানে পরিচালিত মাল্টিমিডিয়া প্রকল্প
  • 📌 চট্টগ্রামের পরিত্যক্ত পৈতৃক মাটির বাড়িকে কেন্দ্র করে নির্মিত
  • 📌 পারিবারিক স্মৃতি, গ্রামীণ নারীর জীবন-অভিজ্ঞতা ও অবক্ষয়ী কৃষি অর্থনীতির অনুসন্ধান

📰 বিস্তারিত

শিল্পের ইতিহাসে স্মৃতি কেবল অতীতের পুনরাবৃত্তি নয়; এটি বর্তমানকে বোঝারও একটি উপায়। সমকালীন শিল্পে স্মৃতি নিয়ে কাজ করা মানে ব্যক্তিগত নস্টালজিয়ার বাইরে গিয়ে ভাষা, বসবাস, বিশ্বাস, প্রযুক্তি, সময় ও সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের অনুসন্ধান। শিল্পী পলাশ ভট্টাচার্যের ‘ভূমিবচন’ শুধু একটি পরিত্যক্ত পৈতৃক বাড়ির গল্প নয়; এটি সেই বাড়িকে ঘিরে জন্ম নেওয়া স্মৃতি ও তার ভেতরে সঞ্চিত জ্ঞানের বহুস্তরীয় অনুসন্ধান।

শিল্পী বাড়িটিকে সংরক্ষণ করতে চান না; তিনি সংরক্ষণ করতে চান বাড়িটিকে ঘিরে জন্ম নেওয়া স্মৃতিকে। ভিডিও, সিল্কস্ক্রিন, পুরোনো আলোকচিত্র, সিআরটি মনিটর, ভিএইচএস, মরিচবাতি এবং কবুতরের অ্যানিমেশন সমকালীন স্থাপত্য শিল্পের পরিচিত ভাষার কথা মনে করিয়ে দেয়। ক্রিশ্চিয়ান বোলতানস্কি, ডো হো সু কিংবা সুসান হিলারের কাজের সঙ্গে এর একটি ভাবগত সংলাপ তৈরি হলেও ‘ভূমিবচন’-এর শক্তি আন্তর্জাতিক শিল্পভাষার অনুসরণে নয়; বরং বাংলাদেশের একটি নির্দিষ্ট পারিবারিক অভিজ্ঞতাকে নিজস্ব শিল্পভাষায় রূপ দেওয়ায়।

প্রদর্শনীর কেন্দ্রে থাকা বাড়িটি শিল্পীর পরিবারের মালিকানাধীন হলেও বহুদিন ধরে পরিত্যক্ত। শিল্পী বাড়িটির কোনো আসল বস্তু গ্যালারিতে আনেননি, কারণ সময়ের সঙ্গে সেগুলো ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে। এই অনুপস্থিতিই প্রদর্শনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প-সিদ্ধান্ত। তিনি বস্তু নয়, বস্তুকে ঘিরে জন্ম নেওয়া স্মৃতিকেই স্থানান্তর করেছেন। ফলে দর্শক একটি বাড়ির প্রতিরূপ নয়, তার স্মৃতির ভেতরে প্রবেশ করেন।

"স্মৃতি কেবল আবেগের আশ্রয় নয়, একটি জ্ঞানব্যবস্থাও। ‘ভূমিবচন’ একটি বাড়িকে ঘিরে জন্ম নেওয়া স্মৃতি এবং তার ভেতরে সঞ্চিত জ্ঞানের বহুস্তরীয় অনুসন্ধান।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আগারগাঁও, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, গ্যালারি–৫
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিল্পী পলাশ ভট্টাচার্য
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: গ্যালারি নং ৫

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖