📅 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুনামগঞ্জে জিপিএ-৫ শিক্ষার্থী নাদিয়া: ‘মা-বাবার প্রেরণা আমার সবচেয়ে বড় সম্মান’

সুনামগঞ্জে জিপিএ-৫ শিক্ষার্থী নাদিয়া: ‘মা-বাবার প্রেরণা আমার সবচেয়ে বড় সম্মান’

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুনামগঞ্জে ‘শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছেন নাদিয়া বেগম। তিনি বলেছেন, ‘৬০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে এসেছি, মা-বাবার প্রেরণা আমার সবচেয়ে বড় সম্মান’। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন স্থানীয় শিক্ষক ও সাংবাদিকরা

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার মঈনপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাদিয়া বেগম এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে আজ সুনামগঞ্জে অনুষ্ঠিত ‘শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। ৬০ কিলোমিটার দূরত্ব পাড়ি দিয়ে এসেছিলেন তিনি। অনুষ্ঠানে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে নাদিয়া বলেন, ‘এ অর্জনের পেছনে মা-বাবার অবদান সবচেয়ে বেশি। বাবা আমার মোটিভেশনাল স্পিকার, মা প্রতিদিন নতুন নতুন স্বপ্ন দেখান। ছোট্ট অর্জনে এত বড় সম্মান পাচ্ছি।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুনামগঞ্জে অনুষ্ঠিত ‘শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’ অনুষ্ঠানে ৬৪টি জেলার শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দেওয়া হয়
  • 📌 ছাতক উপজেলার মঈনপুর উচ্চবিদ্যালয়ের নাদিয়া বেগম ৬০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে এসেছিলেন এবং বলেন, ‘মা-বাবার প্রেরণা আমার সবচেয়ে বড় সম্মান’
  • 📌 অনুষ্ঠানে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. শাহাদত হোসেন বলেন, ‘জিপিএ-৫ পাওয়া চূড়ান্ত সফলতা নয়, মানবিক ও সৃজনশীল মানুষ হওয়া চূড়ান্ত সফলতা’
  • 📌 সুনামগঞ্জ সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি কানিজ সুলতানা শিক্ষার্থীদের সতর্ক করেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সতর্ক থাকতে হবে, ভালো বন্ধু নির্বাচন করতে হবে’
  • 📌 অনুষ্ঠানে ৭১ বছর বয়সী সহজ-সরল লস্কর আলীর গল্প শোনান সিলেটের সাংবাদিক সুমনকুমার দাশ, যিনি ৪৫ বছর ধরে শর্ষের তেল তৈরি করছেন
  • 📌 অনুষ্ঠানে ১০ শিক্ষার্থীকে অনলাইন কুইজে বিজয়ী হিসেবে বই উপহার দেওয়া হয়

📰 বিস্তারিত

সুনামগঞ্জ পৌর শহরের হাছন রাজা মিলনায়তনে আজ শনিবার অনুষ্ঠিত হয় ‘শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা-২০২৬’। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ‘স্বপ্ন দেখো, জীবন গড়ো’ স্লোগানের অধীনে। অনুষ্ঠানে সারা দেশের ৬৪টি জেলার শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দেওয়া হয়। সুনামগঞ্জের এই অনুষ্ঠানটি পাওয়ার্ড বাই বিকাশের সহযোগিতায় এবং কনকর্ড গ্রুপ, ফ্রেশ, সেভয় আইসক্রিম, কনকা-গ্রী, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, কোয়ালিটি গ্রুপ, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, জিংক বি, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস, আম্বার আইটি লিমিটেড, এটিএন বাংলা ও প্রথম আলো বন্ধুসভার পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। বন্ধুসভার সদস্য ও শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. শাহাদত হোসেন, সুনামগঞ্জ সরকারি জুবিলী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ কে আজাদ এবং সুনামগঞ্জ সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি কানিজ সুলতানা। সুনামগঞ্জ বন্ধুসভার সভাপতি সৌরভ সরকারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক খলিল রহমান।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাদক, মিথ্যা ও মুখস্থকে ‘না’ বলার শপথ পাঠ করেন বন্ধুসভার উপদেষ্টা মোহাম্মদ রাজু আহমেদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সিলেটের প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক সুমনকুমার দাশ এবং বন্ধুসভার উপদেষ্টা দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেয় নাদিয়া বেগম ও তাসনিম সরকার ইমামিম।

অধ্যক্ষ শাহাদত হোসেন বলেন, ‘জিপিএ-৫ পাওয়া চূড়ান্ত সফলতা নয়। চূড়ান্ত সফলতা হলো মানবিক মানুষ হওয়া, সৃজনশীল মানুষ হওয়া। দেশকে গড়তে হলে জ্ঞান-বিজ্ঞানে আধুনিক মানুষ হতে হবে। জীবনে চূড়ান্ত সফলতার জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।’ কানিজ সুলতানা বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে। ভালো বন্ধু নির্বাচনেও সচেতন হতে হবে। ভালো বন্ধু ভালো কাজে সহযোগিতা করবে, কিন্তু খারাপ সঙ্গ জীবনকে হতাশা ও ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়।’

সাংবাদিক সুমনকুমার দাশ শুরু করেন সুনামগঞ্জের ৭১ বছর বয়সী সহজ-সরল লস্কর আলীর গল্প দিয়ে। তিনি বলেন, ‘আজ আমরা যাদের সংবর্ধনা দিচ্ছি, তাদেরও সততা ও দক্ষতায় সফল মানুষ হওয়ার প্রত্যাশা করি। তোমাদের পাশে সব সময় প্রথম আলো থাকবে।’ অনুষ্ঠানের শেষ দিকে অনলাইন কুইজে বিজয়ী ১০ শিক্ষার্থীকে বই উপহার দেওয়া হয়। বন্ধুসভার সদস্য, সংবর্ধিত শিক্ষার্থী, স্থানীয় নৃত্যম নৃত্যালয় ও স্পন্দনের শিল্পীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন।

"৬০ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে এসেছি। অনেক দিনের ইচ্ছা পূরণ হলো আজ। এ অর্জনের পেছনে মা-বাবার অবদান সবচেয়ে বেশি। বাবা আমার মোটিভেশনাল স্পিকার, মা প্রতিদিন নতুন নতুন স্বপ্ন দেখান।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হাছন রাজা মিলনায়তন, সুনামগঞ্জ পৌর শহর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাদিয়া বেগম, মো. শাহাদত হোসেন, কানিজ সুলতানা, সুমনকুমার দাশ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ কিলোমিটার, ৬৪টি জেলা, ১০ শিক্ষার্থী, ৭১ বছর বয়স, ৪৫ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖