📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এসএসসি পাসের হার কমে যাওয়ায় একাদশ শ্রেণিতে প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ আসন খালি থাকবে

এসএসসি পাসের হার কমে যাওয়ায় একাদশ শ্রেণিতে প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ আসন খালি থাকবে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ায় আগামী শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ আসন খালি থাকবে। ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে অনলাইনে, নির্ধারিত ফি ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। তবে এবার পাসের হার কমে যাওয়ায় প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ আসন খালি থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে অনলাইনে, যেখানে শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রম ও ফলাফলের ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার কমে যাওয়ায় একাদশ শ্রেণিতে প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ আসন খালি থাকবে
  • 📌 ভর্তি প্রক্রিয়া চলবে অনলাইনে, নির্ধারিত ফি ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে
  • 📌 শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের পছন্দক্রম দিতে হবে
  • 📌 ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ভিন্ন প্রক্রিয়া

📰 বিস্তারিত

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অপেক্ষায় রয়েছেন। এবার ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পর্কে জানিয়েছে হলি ক্রস কলেজসহ অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান জানান, ভর্তি কার্যক্রম আগের মতোই চলবে। অর্থাৎ এসএসসি ও সমমানের ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তি করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে এবং মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তিনি আরও বলেন, এবার পাসের হার কম হওয়ায় প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ আসন খালি থাকবে। গত বছর ভর্তিযোগ্য আসনের মধ্যে ৫৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছিল, অর্থাৎ খালি ছিল ৪১ শতাংশ। এবার পাসের হার আরেকটু কমেছে, ফলে আসন খালির সংখ্যাও বাড়বে। শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ফি দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে এবং সর্বনিম্ন ৫টি ও সর্বোচ্চ ১০টি কলেজের পছন্দক্রম দিতে হবে। পরে ফলাফল, কোটা ও পছন্দক্রম বিবেচনায় ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।

"ভর্তি কার্যক্রম আগের মতোই। লটারিও না, ভর্তি পরীক্ষাও না অর্থাৎ প্রচলিত যে বিধান মানে জিপিএ এবং শিক্ষার্থীদের চাহিদার (পছন্দক্রম) ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাড়ে ১৩ লাখ, ৫৮ শতাংশ, ৪১ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖