📌 এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নে চার লাখ শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১৩ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যেও আবেদনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, এ পরিস্থিতি অসম্ভব ও ভবিষ্যতে নীতিমালা তৈরির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে
চার লাখের বেশি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য ১৩ লাখের কাছাকাছি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থীও রয়েছেন। পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের এই বিপুল সংখ্যা শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চার লাখের বেশি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য ১৩ লাখের কাছাকাছি আবেদন জমা হয়েছে
- 📌 জিপিএ-৫ পাওয়া তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থীও পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছেন
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, "দেখে মনে হচ্ছে যেন সকলেই খাতা মূল্যায়ন করতে চায়। মানে আমাকে আবার ২০ লক্ষ শিক্ষার্থীর খাতা প্রত্যেকটিই দেখতে হবে। ইট ইজ কোয়াইট ইমপসিবল।"
- 📌 এ বছর পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়ায় আবেদনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষাবোর্ড সংশ্লিষ্টরা
- 📌 এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্যের সংখ্যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ
📰 বিস্তারিত
এ বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। চার লাখের বেশি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মোট ১৩ লাখের কাছাকাছি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পাওয়া তিন হাজারের বেশি শিক্ষার্থীও রয়েছেন। পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের আবেদনের এই বিপুল সংখ্যা শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
শিক্ষামন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, "দেখে মনে হচ্ছে যেন সকলেই খাতা মূল্যায়ন করতে চায়। মানে আমাকে আবার ২০ লক্ষ শিক্ষার্থীর খাতা প্রত্যেকটিই দেখতে হবে। ইট ইজ কোয়াইট ইমপসিবল।" তিনি ভবিষ্যতে এ বিষয়ে একটি নীতিমালা তৈরির কথাও জানিয়েছেন।
এ বছর খাতা পুনঃনিরীক্ষার পরিবর্তে পুনর্মূল্যায়নের সুযোগ দেওয়ায় আবেদনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষাবোর্ড সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, অতীতে কখনই খাতা পুনঃনিরীক্ষার জন্য এত বেশি আবেদন পড়েনি। বিশেষ করে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যেও আবেদনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্যের সংখ্যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। ফলে অকৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীরাও বেশি আবেদন করেছেন। গত দশ আগস্ট প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল, যার মধ্যে পাস করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন।
এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী ওয়াহিদুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেন, "উচ্চতর গণিতে পেয়েছি ৭২, পদার্থবিজ্ঞানে ৭৮ আর বায়োলজিতে ৭১। এই তিনটাতেই আবেদন করছি। পরীক্ষা তো ভালো দিছিলাম, ফিজিক্স আর বায়োলজিতে তো এ-প্লাস মিস হওয়ার কথা না।" তার মতো অনেক শিক্ষার্থীই প্রতিবছর পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনরায় মূল্যায়নের আবেদন করেন।
"এমনও আবেদিন আমরা পেয়েছে যে, একটি বিষয়ে একশর মধ্যে ৯৮ পেয়েও আবেদন করেছে, এখানে আসলে কেন সে আবেদন করেছে, কী বলবো,"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী তারেক রহমান, শিক্ষার্থী ওয়াহিদুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ লাখ শিক্ষার্থী, ১৩ লাখ আবেদন, ৩ হাজার জিপিএ-৫ শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!