📌 এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশে নেমেছে। প্রায় ৩৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছে। শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা উপদেষ্টা পরীক্ষার ফল নির্মোহ মূল্যায়নের কথা বললেও শিক্ষাব্যবস্থার বৈষম্য ও মানসিক স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশিত হয়েছে।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার পাসের হার ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্রাসা মিলিয়ে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এর ফলে প্রায় ৩৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে। সব মিলিয়ে ৬ লাখ ৯০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এবার ফেল করেছে। একই সঙ্গে ১৮ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী জিপিএ ৩ দশমিক ৫-এর নিচে পেয়েছে। কম জিপিএ পাওয়া এসব শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন
- 📌 প্রায় ৩৮ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী
- 📌 ১৮ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী জিপিএ ৩ দশমিক ৫-এর নিচে পেয়েছে
- 📌 শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক বলেন, ‘মন খুলে গান গাওয়া যায়, পরীক্ষার খাতায় নাম্বার দেওয়া যায় না’
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, ‘এবারের পরীক্ষার ফল নির্মোহভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে’
📰 বিস্তারিত
শিক্ষা বিশ্লেষকরা এবারের ফল বিপর্যয়ের জন্য গণিত ও ইংরেজির দুর্বলতাকে দায়ী করেছেন। মানবিক বিভাগের খারাপ ফলাফলও সামগ্রিক পাসের হারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। ফল প্রকাশের দিন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক তাঁর বক্তব্যে পরীক্ষার খাতায় নম্বর দেওয়ার কঠোরতার কথা তুলে ধরেন। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন সরাসরি উল্লেখ করেন যে, এবারের পরীক্ষার ফলাফল নির্মোহভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে।
ঢাকা, কুষ্টিয়া ও কিশোরগঞ্জের তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে আলাপকালে তাঁরা চব্বিশের অভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের আচরণে পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরেন। অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে ‘থোড়াই কেয়ার’ মনোভাব দেখা দিয়েছে। শিক্ষকদের কথা না শোনা এবং শ্রেণিকক্ষে মনোযোগের অভাব বেড়েছে বলে জানান তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের জন্য ক্লাস পরিচালনা করা আরও চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে।
শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা উপদেষ্টার বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পাসের হার ও জিপিএ-৫-এর যে উচ্চ হার ছিল, তা থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছে বিএনপি সরকার। এই প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় থেকেই। গত বছরের তুলনায় এবারের পাসের হার প্রায় ৬ শতাংশ কম।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, ফেল করেছে ৬ লাখ ৯০ হাজার শিক্ষার্থী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!