📌 সিরাজগঞ্জের পাঁচটি মাদরাসার ৭২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি। জেলা প্রশাসন নোটিশ জারি করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। স্থানীয়রা শিক্ষকদের পাঠদানের অনিয়মকে দায়ী করছেন
সিরাজগঞ্জ জেলায় পাঁচটি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের এইচএসসি ও সমমান আলিম পরীক্ষায় শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্কটের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়েছে। ৩১ অক্টোবর প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া ৭২ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি। জেলা প্রশাসন নোটিশ জারি করে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিরাজগঞ্জে পাঁচটি মাদরাসার ৭২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষায় পাস করতে পারেননি — শতভাগ অকৃতকার্য
- 📌 শ্যামপুর কাজী ইসমাইল হোসেন আলিম মাদ্রাসা থেকে ৮ জন, রায়গঞ্জের আমছারা ইসলামিয়া দারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা থেকে ২১ জন সর্বাধিক অকৃতকার্য
- 📌 তাড়াশের দোবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা ও উল্লাপাড়া চন্দ্রগাতী আলিম মাদ্রাসা থেকে যথাক্রমে ১৪ জন ও ১৪ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা শিক্ষকদের নিয়মিত ক্লাস না নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন
- 📌 জেলা প্রশাসক রোজিনা আক্তার বলেছেন, নোটিশ জারি করে কারণ দর্শানোর পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শ্যামপুর কাজী ইসমাইল হোসেন আলিম মাদ্রাসা থেকে অংশ নেওয়া ৮ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি। রায়গঞ্জ উপজেলার আমছারা ইসলামিয়া দারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা থেকে সর্বাধিক ২১ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। তেলিজানা আলিম মাদ্রাসা থেকে ১৫ জন, তাড়াশ উপজেলার দোবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা ও উল্লাপাড়া উপজেলার চন্দ্রগাতী আলিম মাদ্রাসা থেকে যথাক্রমে ১৪ জন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি।
এ ঘটনার পেছনে শিক্ষকদের পাঠদানের অনিয়মকে দায়ী করে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ তুলেছেন। উল্লাপাড়া উপজেলার চন্দ্রগাতী আলিম মাদ্রাসার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা আনিসুর রহমান বলেছেন, ‘শিক্ষকেরা নিয়মিত ক্লাস নেন না। পাঠদানের এই অনিয়মই প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার মূল কারণ।’
জেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করা গেলেও পাঁচটি মাদরাসার প্রধানদের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গিয়েছে। ফলে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ সম্পর্কে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রোজিনা আক্তার বলেছেন, ‘শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া এই পাঁচটি মাদরাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
"শিক্ষকেরা নিয়মিত ক্লাস নেন না। পাঠদানের এই অনিয়মই প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের শতভাগ অকৃতকার্য হওয়ার মূল কারণ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রোজিনা আক্তার, বাসিন্দা আনিসুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭২ জন শিক্ষার্থী (পাঁচটি মাদরাসা থেকে), ২১ জন (আমছারা ইসলামিয়া দারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা), ৩১ অক্টোবর (ফলাফল প্রকাশের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!