📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোয়াখালীর অস্তিত্বহীন কলেজে পাঁচ শিক্ষার্থী শূন্য পাস, ক্যাম্পাস ও অধ্যক্ষ নেই কোথাও

নোয়াখালীর অস্তিত্বহীন কলেজে পাঁচ শিক্ষার্থী শূন্য পাস, ক্যাম্পাস ও অধ্যক্ষ নেই কোথাও

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ আপার মডেল কলেজের পাঁচ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় শূন্য পাস হলেও প্রতিষ্ঠানটির কোনো ক্যাম্পাস, অধ্যক্ষ বা স্থায়ী শিক্ষক নেই। শিক্ষা প্রশাসনও এর অস্তিত্ব সম্পর্কে অবগত নয়

নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত বেগমগঞ্জ আপার মডেল কলেজের পাঁচ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় শূন্য পাস হলেও প্রতিষ্ঠানটির কোনো দৃশ্যমান ক্যাম্পাস, অধ্যক্ষ বা স্থায়ী শিক্ষক নেই। শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল প্রকাশের পর সাংবাদিকদের তদন্তে দেখা যায়, কলেজটির অস্তিত্বই বাস্তবে অদৃশ্য।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় শূন্য পাসের তালিকায় রয়েছে বেগমগঞ্জ আপার মডেল কলেজ।
  • 📌 পাঁচ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সকলেই অকৃতকার্য হলেও প্রতিষ্ঠানটির কোনো ক্যাম্পাস, অধ্যক্ষ বা স্থায়ী শিক্ষক নেই।
  • 📌 রফিকুল আলম রুবেল নিজেকে কলেজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, কিন্তু কাগজে-কলমে দায়িত্ব নেননি এবং কোনো ক্যাম্পাস নেই বলে দাবি করেছেন।
  • 📌 বেগমগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, তিনি প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানেন না এবং গত তিন-চার বছরেও কেউ তাদের সাথে যোগাযোগ করেননি।
  • 📌 ৭০ জন শিক্ষার্থী থাকলেও ক্লাস হয় না এবং পরীক্ষাও অন্য প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয় বলে দাবি করেছেন রুবেল।

📰 বিস্তারিত

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শূন্য পাসের তালিকায় ১৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি হলো নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ আপার মডেল কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাঁচ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সকলেই অকৃতকার্য হলেও, ফলাফল প্রকাশের পর সাংবাদিকদের তদন্তে দেখা যায়, কলেজটির কোনো দৃশ্যমান ক্যাম্পাস নেই। প্রতিষ্ঠানটির ঠিকানা অনুসরণ করে বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নেওয়া হলেও কোনো সাইনবোর্ড বা অফিস পাওয়া যায়নি।

কলেজের প্রচারপত্রে দেওয়া মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করা হলে, রফিকুল আলম রুবেল নিজেকে কলেজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি জানান, ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত কলেজটি বর্তমানে তিনজন মিলে পরিচালনা করছে। তবে তিনি দায়িত্ব নেননি এবং কোনো ক্যাম্পাস নেই। আগে চৌমুহনী কলেজের পাশে একটি কক্ষে অফিস ছিল, কিন্তু সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে ৭০ জন শিক্ষার্থী থাকলেও তাদের নিয়মিত ক্লাস হয় না এবং পরীক্ষাও অন্য একটি মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত হয়।

বেগমগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম জানান, তিনি প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানেন না। গত তিন-চার বছরেও কেউ তাদের সাথে যোগাযোগ করেননি। তিনি বলেন, কলেজগুলো সরাসরি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়, তবে প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব সম্পর্কেই তার সন্দেহ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাওছার রহমানও জানান, এ নামে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে তিনি জানেন না। তিনি বলেন, অন্য কোনো কলেজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন এবং কীভাবে অনুমোদন পেয়েছে তা খতিয়ে দেখা হবে।

"আমি পাঁচ বছর আগে কলেজের দায়িত্বে ছিলাম। এখন আর নেই।"
"বর্তমানে কোনো অধ্যক্ষ কিংবা স্থায়ী শিক্ষক নেই। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস নেন বলে দাবি করলেও তাদের নাম জানাতে পারিনি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বেগমগঞ্জ উপজেলা, নোয়াখালী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রফিকুল আলম রুবেল, মো. জহিরুল ইসলাম, কাওছার রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩টি প্রতিষ্ঠান, ৫ শিক্ষার্থী, ৭০ শিক্ষার্থী

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖