📌 বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হ্যাচারি ও হাওর পরিদর্শনে অংশ নিয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। হ্যাচারির ডিম থেকে নতুন প্রাণের জন্ম ও হাওরের লেন্টিং হাঁস পালনের দৃশ্য তাদের মুগ্ধ করে
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিমেল হাসবেন্ড্রি অনুষদের পোলট্রি সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থীরা হ্যাচারি ও হাওর পরিদর্শনে অংশ নিয়ে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ভোরে যাত্রা শুরু করে তাঁরা তাড়াইল, কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন হ্যাচারি ও হাওরের বিস্তীর্ণ জলরাশির সঙ্গে পরিচিত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শিক্ষার্থীরা হ্যাচারি কার্যক্রমের প্রতিটি ধাপ সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন
- 📌 প্রতিটি ডিম থেকে নতুন প্রাণের সম্ভাবনা দেখে অভিভূত হন শিক্ষার্থীরা
- 📌 হাওরের লেন্টিং হাঁস পালনের বাস্তব চিত্র দেখার সুযোগ পান
- 📌 হ্যাচারি পরিচালনার জন্য ২৯ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত সময় লাগে
- 📌 শিক্ষাসফরে অংশ নেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
📰 বিস্তারিত
সকাল সাতটার মধ্যে সবাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সমবেত হন। এরপর সকালের নাস্তা শেষে সাড়ে সাতটায় যাত্রা শুরু হয় তাড়াইল, কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে। গাড়িতে উঠেই শুরু হয়ে যায় আনন্দময় পরিবেশ। গান, নাচ আর লুডু খেলায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন শিক্ষার্থীরা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাঁরা পৌঁছান দামিহা উদয়ন কলেজে। সেখানে স্থানীয় হ্যাচারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হন শিক্ষার্থীরা।
এরপর আটটি দলে বিভক্ত হয়ে তাঁরা পরিদর্শন করেন আটটি আলাদা হ্যাচারি। প্রতিটি হ্যাচারিতে প্রবেশ করেই চোখ আটকে যায় হাজার হাজার ডিমের দিকে। কর্মকর্তারা প্রতিটি ধাপ অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে ব্যাখ্যা করেন। তাঁরা জানান, হ্যাচারি পরিচালনা অনেকটা সন্তান পালনের মতোই দায়িত্বশীল কাজ। সামান্য ভুলের কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে হাজার হাজার প্রাণের সম্ভাবনা।
প্রতিটি ধাপে সঠিক তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে হয়। টানা ২৯ থেকে ৩০ দিনের পরিশ্রমের পর নতুন প্রাণ পৃথিবীর আলো দেখে। কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জানা যায়, গ্রামীণ হ্যাচারি পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা আরও গভীর হয়।
হ্যাচারি পরিদর্শন শেষে কলেজে ফিরে কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে দুপুরের খাবার গ্রহণ করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর শুরু হয় হাওর অভিযান। সারিবদ্ধভাবে নৌকায় উঠে তাঁরা দেখেন চারপাশে শুধু পানি আর পানি। দূরে ছোট ছোট গ্রামের দৃশ্য মনকে প্রশান্তিতে ভরিয়ে দেয়।
হাওরের পানিতে লেন্টিং হাঁস পালনের দৃশ্য দেখে অভিভূত হন শিক্ষার্থীরা। কারও ব্যস্ততা ক্যামেরায় মুহূর্ত ধারণে, আবার কেউ নীরবে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। দুই ঘণ্টা পর ফেরার সময় আসে। বাসে উঠে তাঁরা ফিরে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। সন্ধ্যা সাড়ে আটটায় ক্যাম্পাসে পৌঁছান শিক্ষার্থীরা।
"হ্যাচারির প্রতিটি ধাপে সতর্কতা প্রয়োজন। সামান্য ভুলের কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে হাজার হাজার প্রাণের সম্ভাবনা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ (দল), ২৯-৩০ (দিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!