📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০৩১ সালের মধ্যে ৪৫ লাখ নিরক্ষরকে দক্ষতায় রূপান্তর: সরকারের বাস্তবিক শিক্ষা বিপ্লব

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
২০৩১ সালের মধ্যে ৪৫ লাখ নিরক্ষরকে দক্ষতায় রূপান্তর: সরকারের বাস্তবিক শিক্ষা বিপ্লব

📷 ছবি: বাসস

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BSS ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০৩১ সালের মধ্যে ৪৫ লাখ নিরক্ষর মানুষকে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারের নতুন প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘আলফা’ ও ‘আলো’ প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষা বিপ্লব শুরু করেছে

২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় ৪৫ লাখ নিরক্ষর মানুষকে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে সরকারের একটি বিপ্লবী প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের সাক্ষরতার হার ৯০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **৪৫ লাখ নিরক্ষরকে দক্ষতায় রূপান্তর**: ২০৩১ সালের মধ্যে ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৪৫ লাখ মানুষকে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
  • 📌 **সাক্ষরতার হার ৯০%**: বর্তমান সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য।
  • 📌 **‘আলফা’ প্রকল্পের পাইলট**: প্রথমে ৪০টি জেলায় ৩৫ হাজার নিরক্ষরকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাইলট প্রকল্প শুরু হয়েছে।
  • 📌 **‘আলো’ প্রকল্পে ৩৯ হাজার শিশু**: ৬৪ জেলায় ১০ থেকে ২৪ বছর বয়সী ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীকে শিক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে।
  • 📌 **১৮০ দিনের কর্মসূচি**: সরকারের ১৮০ দিনের পরিকল্পনার আওতায় এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে।

📰 বিস্তারিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের উদ্যোগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো (বিএনএফই) ‘অ্যাডাল্ট অ্যান্ড ফাংশনাল লিটারেসি ফর অ্যাবিলিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (আলফা)’ নামে একটি প্রকল্প শুরু করেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৪৫ লাখ নিরক্ষর মানুষকে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, ‘শিক্ষাকে কর্মসংস্থান ও বাস্তব জীবনদক্ষতার সাথে সম্পৃক্ত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে প্রায়োগিক বা দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করতে চাই।’

বিএনএফই’র মহাপরিচালক মনোয়ারা ইশরাত জানিয়েছেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে শিক্ষার সুযোগবঞ্চিতদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা হবে। বর্তমান শ্রমবাজারের চাহিদা বুঝে আমরা কারিগরি ও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে তাদের দক্ষ করে তুলতে চাই।’

‘আলফা’ প্রকল্পের অধীনে প্রথমে ৪০টি জেলার ৪০টি উপজেলায় ৩৫ হাজার নিরক্ষর মানুষকে নিয়ে এক বছরের পাইলট প্রকল্প শুরু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ২০৩১ সালের মধ্যে দেশে সাক্ষরতার হার ৯০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারের ‘১৮০ দিনের পরিকল্পনার’ আওতায় এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হচ্ছে। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো জানিয়েছে, বর্তমানে প্রকল্পের বাস্তবায়ন নির্দেশিকা চূড়ান্তকরণ এবং শিক্ষার্থী-জরিপ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এছাড়াও, ‘অল্টারনেটিভ লার্নিং অপারচুনিটি ফর আউট অব স্কুল চিলড্রেন (আলো)’ প্রকল্পের মাধ্যমে ৬৪ জেলায় ৬৪টি উপজেলায় ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী ১৯ হাজার ২০০ জন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া হবে। দ্বিতীয় ধাপে ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী আরও ১৯ হাজার ২০০ জন কিশোর-কিশোরীকে প্রাক-বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

"শিক্ষাকে কর্মসংস্থান ও বাস্তব জীবনদক্ষতার সাথে সম্পৃক্ত করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (মন্ত্রণালয়), ৪০টি জেলা (পাইলট), ৬৪টি জেলা (আলো প্রকল্প)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, মনোয়ারা ইশরাত
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ লাখ (নিরক্ষর), ৭৭.৯% (বর্তমান সাক্ষরতার হার), ৯০% (লক্ষ্যমাত্রা), ৩৫ হাজার (পাইলট প্রকল্প), ৩৯ হাজার (শিশু-কিশোর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖