📅 ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বরিশালের বেসরকারি কলেজে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন: সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির মামলায় অধ্যক্ষ-সভাপতিকে আদালত শোকজ

বরিশালের বেসরকারি কলেজে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন: সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির মামলায় অধ্যক্ষ-সভাপতিকে আদালত শোকজ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বরিশালের হাজী সৈয়দ বদরুল হোসেন কলেজে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় কলেজের অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সভাপতিসহ ২০ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। আদালত তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে

বরিশালের মুলাদীতে অবস্থিত হাজী সৈয়দ বদরুল হোসেন কলেজে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় কলেজের অধ্যক্ষ আ স ম সাহাদাত হোসাইন ও গভর্নিং বডির সভাপতি মো. বশির আহমেদকে আদালত শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী এইচ এম আশরাফুল আলম জানান, মামলাটি ৭ সেপ্টেম্বর বরিশাল সিভিল জজ আদালতে শুনানি শেষে নোটিশ দেওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বরিশালের হাজী সৈয়দ বদরুল হোসেন কলেজে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়
  • 📌 মামলায় কলেজের অধ্যক্ষ আ স ম সাহাদাত হোসাইন ও গভর্নিং বডির সভাপতি মো. বশির আহমেদকে আদালত শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়
  • 📌 মামলায় কলেজের অধ্যক্ষ ও গভর্নিং বডির সভাপতিসহ মোট ২০ জনকে বিবাদী করা হয়েছে
  • 📌 বাদী বাংলা বিভাগের প্রভাষক শ্রেম পাঠান শাহ ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর কলেজে যোগদান করেন
  • 📌 বাদী ২০২২ সালে পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও অপেক্ষাকৃত কনিষ্ঠ শিক্ষক মো. কামাল হোসেনকে সুপারিশ করা হয়

📰 বিস্তারিত

বরিশালের মুলাদীতে অবস্থিত হাজী সৈয়দ বদরুল হোসেন কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক শ্রেম পাঠান শাহ ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর কলেজে যোগ দেন এবং ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি এমপিওভুক্ত হন। তিনি ২০২২ সালে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করেন। তবে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, কলেজের কৃষিশিক্ষা বিষয়ের প্রভাষক মো. কামাল হোসেন ২০১৪ সালের ১৮ নভেম্বর যোগ দেন এবং ২০১৫ সালের ১ জুলাই এমপিওভুক্ত হন। বাদী শ্রেম পাঠান শাহের দাবি, জ্যেষ্ঠতা বিবেচনা না করে মো. কামাল হোসেনকে পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়েছে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী এইচ এম আশরাফুল আলম বলেন, বাদী পদোন্নতির জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন করলেও তাঁর বিষয়টি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। তিনি ৪ আগস্ট অধ্যক্ষকে আইনি নোটিশ পাঠান। নোটিশ পাওয়ার পরও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন।

অধ্যক্ষ আ স ম সাহাদাত হোসাইন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পদোন্নতির ক্ষেত্রে নীতিমালা অনুযায়ী সনদপত্রসহ বিভিন্ন দক্ষতা মূল্যায়ন করে সুপারিশ পাঠানো হয়। তিনি বলেন, নিয়ম মেনেই গভর্নিং বডির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কৃষিশিক্ষা বিষয়ের প্রভাষককে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির সুপারিশ করা হয়েছে।

"বাদী ২০২২ সালে পদোন্নতির জন্য যোগ্যতা অর্জন করলেও তাঁকে পদোন্নতি না দিয়ে পরবর্তী সময়ে যোগদান করা শিক্ষককে পদোন্নতির জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। বিষয়টি আইন ও প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী আদালতের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: হাজী সৈয়দ বদরুল হোসেন কলেজ, মুলাদী, বরিশাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শ্রেম পাঠান শাহ (বাদী), আ স ম সাহাদাত হোসাইন (অধ্যক্ষ), মো. বশির আহমেদ (সভাপতি), এইচ এম আশরাফুল আলম (আইনজীবী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন বিবাদী, ৭ সেপ্টেম্বর শুনানি, ৩০ আগস্ট মামলা দায়ের, ১৭ নভেম্বর ২০১৪ শ্রেম পাঠান শাহের যোগদান

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖