📌 প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন জানিয়েছেন, সরকার মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠনে কাজ করছে। তিনি বলেন, তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখারও আহ্বান জানান তিনি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, সরকার মেধাভিত্তিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তিনি জানান, তদবিরের মাধ্যমে চাকরি পাওয়া এখন অসম্ভব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বৃহস্পতিবার সকালে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মো. রাশেদ খাঁন জানান, সরকার মেধাভিত্তিক প্রশাসন গঠনে কাজ করছে
- 📌 তিনি বলেন, তদবির করে চাকরি পাওয়া এখন আর সম্ভব নয়
- 📌 ডাকসু নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর প্রায় সাড়ে সাত বছর পর তাকে জিএস পদে ঘোষণা করা হয়েছে
- 📌 রাশেদ খাঁন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার আহ্বান জানান
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, বর্তমান সরকার প্রশাসনে মেধাবীদের প্রাধান্য দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি জানান, সরকারি চাকরিতে তদবিরের কোনো সুযোগ নেই। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কেবল যোগ্যতাই বিবেচ্য হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাশেদ খাঁন বৃহস্পতিবার সকালে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, তদবির করে চাকরি পাওয়া এখন আর সম্ভব নয়। যার মেধা আছে, সেই চাকরি পাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল একটি মেধাভিত্তিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করা।’
ডাকসু নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর প্রায় সাড়ে সাত বছর পর তাকে জিএস পদে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘অন্যায় করে কেউ পার পায় না। শেখ হাসিনা থেকে শুরু করে গোলাম রাব্বানীরা আজ টের পাচ্ছে।’ রাশেদ খাঁন শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখারও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন আর গণরুম বা গেস্টরুম নেই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।’
‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, তদবির করে চাকরি পাওয়ার সুযোগ এখন আর নেই। যার মেধা আছে, সেই চাকরি পাবে। আমরা ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন করেছিলাম, তার মূল লক্ষ্যই ছিল একটি মেধাবী প্রশাসন গঠন এবং কোটাবৈষম্য দূর করা। আজকের বাংলাদেশে চাকরিতে কোনো বৈষম্য হচ্ছে না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রাশেদ খাঁন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর ৫ মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!