📌 রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কান্দির হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় একমাত্র শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। ৯ জন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার মান ও ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত হয়নি এবং অবকাঠামো সংকটের কারণে শিক্ষার্থী সংকট চরমে পৌঁছেছে
রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কান্দির হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা প্রশ্ন উঠিয়ে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান ও ব্যবস্থাপনার দিকে। কলেজ শাখায় ৯ জন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও একমাত্র পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কান্দির হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় মাত্র একজন শিক্ষার্থী অংশ নেয়ার পরও সে একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
- 📌 কলেজ শাখায় ৯ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও শিক্ষার্থী সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে।
- 📌 প্রতিষ্ঠানটি ২০১২ সাল থেকে এমপিওভুক্ত হয়নি এবং অবকাঠামো সংকটের কারণে শিক্ষার্থী আকর্ষণে ব্যর্থতা দেখা দিয়েছে।
- 📌 পরপর দুই বছর কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। গত বছরও ফলাফল বিপর্যয়কর ছিল।
- 📌 ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল বারী জানান, শিক্ষার্থী সংকটের পাশাপাশি মামলা-মোকদ্দমা ও পদসংক্রান্ত জটিলতার কারণে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থা উন্নত হয়নি।
📰 বিস্তারিত
কান্দির হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে এই বছর মাত্র একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার পরও সে একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন। এই ঘটনা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান ও পাঠদান কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠিয়ে দিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরও কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি। তৎকালীন অধ্যক্ষ আগামীতে ভালো ফলাফলের আশ্বাস দিয়েছিলেন, কিন্তু শিক্ষার্থী সংকট ও প্রতিষ্ঠানটির জটিল পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়নি।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল বারী জানান, কলেজটি ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। তিনি দাবি করেন, এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং অবকাঠামো সংকটের কারণে শিক্ষার্থীরা কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহী হয় না। বর্তমানে কলেজ শাখায় ৯ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন, কিন্তু নিজস্ব পাকা একাডেমিক ভবন থাকলেও বাস্তবে পুরোনো অবকাঠামোতে পাঠদান চলছে।
অভিভাবক ও সচেতন মহলে এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য শিক্ষা প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগের দাবি জানানো হয়েছে। তারা বলছেন, শিক্ষার্থী সংকট ও শিক্ষার মান উন্নত করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন।
"এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এ কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহী হয় না। ফলে দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পীরগাছা উপজেলা, রংপুর, কান্দির হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রফিকুল বারী (ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ), অভিভাবক ও সচেতন মহল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ জন শিক্ষক, ১ জন শিক্ষার্থী (অকৃতকার্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!