📌 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিলের অর্থ অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। তাঁরা দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে অনিয়মের হিসাব প্রকাশের দাবি জানান
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিলের অর্থ অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন। বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে পরিবহন মার্কেট থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে গিয়ে সমাবেশে রূপ নেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাকসুর তহবিলের অর্থ ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ ও অনিয়মের তদন্তের দাবিতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
- 📌 সমাবেশে দেওয়া হয় ‘এক দুই তিন চার, রাকসুর সব বাটপার’, ‘ক্যাম্পাসের নতুন চোর, রাকসুর সব টাকা চোর’ প্রভৃতি স্লোগান
- 📌 ছাত্রদলের নেতারা অভিযোগ করেন, রাকসুর ভিপি ১৩ লাখ টাকা উত্তোলন করলেও ভোটের আমানত রক্ষা করতে পারবেন না
- 📌 রাকসুর কোষাধ্যক্ষ সেতাউর রহমানকে ‘আলিবাবা’ হিসেবে উল্লেখ করে তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তোলেন নেতারা
- 📌 ছাত্রদলের নেতারা দাবি করেন, রাকসুর অর্থ ব্যয়ে অনিয়ম হয়ে থাকলে সেই অর্থ উদ্ধারের ব্যবস্থা করতে হবে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিলের অর্থ অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা বৃহস্পতিবার রাত আটটার দিকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। পরিবহন মার্কেট থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে গিয়ে সমাবেশে রূপ নেয়। সমাবেশে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা রাকসুর অর্থ ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ ও অনিয়মের তদন্তের দাবি জানান।
সমাবেশে ছাত্রদলের নেতারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাঁরা বলেন, ‘এক দুই তিন চার, রাকসুর সব বাটপার’, ‘ক্যাম্পাসের নতুন চোর, রাকসুর সব টাকা চোর’, ‘ভাউচার লাগলে ভাউচার নে, রাকসুর টাকার হিসাব দে’, ‘টাকা চুরি করিস না’ প্রভৃতি স্লোগান দেওয়া হয়। রাত পৌনে নয়টার দিকে কর্মসূচি শেষ হয়।
ছাত্রদলের শাখা সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিঠু বলেন, রাকসুর ভিপি ১২ থেকে ১৩ হাজার ভোট পেলেও ১৩ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন। তিনি আট লাখ টাকা বেশি হিসাব দেখিয়েছেন, যা তাঁকে দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, গোঁজামিল দিয়ে হিসাব জমা দিতে পারলেও ভোটের আমানত রক্ষা করতে পারবেন না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আমানতের দায়িত্ব নিয়ে ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ করা হলে লজ্জা পাওয়া উচিত।
রাকসুর কোষাধ্যক্ষ সেতাউর রহমানের সমালোচনা করে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘আপনি যদি “আলিবাবা” হতে চান, তবে আপনার “৪০ চোর” কোথায়?’ তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ জন চোর ধরা পড়লেও বাকি ৩০ জন চোর রয়েছেন, যারা ছাত্রশিবিরের মধ্যে অবস্থান করছেন। তাঁরা রাকসুর টাকা দিয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।
ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, রাকসু শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করার কথা থাকলেও সেখানে অর্থের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তিনি দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে অনিয়ম হয়ে থাকলে সেই অর্থ উদ্ধারের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি আরও দাবি করেন, ছাত্রদলের উদ্যোগে বিশ্বকাপ খেলা দেখানোর জন্য এলইডি স্ক্রিন স্থাপনে প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হলেও রাকসু একই আয়োজনে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ দেখিয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার সময় ছাত্রদলের বুথ স্থাপনে এক থেকে দেড় হাজার টাকা খরচ হলেও রাকসু তিন লাখ টাকা খরচ দেখিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
‘আপনি যদি “আলিবাবা” হতে চান, তবে আপনার “৪০ চোর” কোথায়?’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহমুদুল হাসান মিঠু, শাকিলুর রহমান সোহাগ, সুলতান আহমেদ রাহী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ হাজার, ১৩ হাজার, ১৩ লাখ, ৪০, ১০, ৩০, ৫০ হাজার, ৩ লাখ ৮০ হাজার, ১ থেকে দেড় হাজার, ৩ লাখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!