📌 ঝিনাইদহের কেসি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনার কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। ক্যাম্পাসে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফেসবুক পোস্টের কারণে উত্তেজনা শুরু হয়
ঝিনাইদহ সরকারি কেশব চন্দ্র (কেসি) কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনার কারণে বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) থেকে সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। ক্যাম্পাসে সভা, সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) থেকে কেসি কলেজে সব শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে
- 📌 ক্যাম্পাসে সভা-সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ
- 📌 ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে
- 📌 ফেসবুক পোস্টের কারণে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়
- 📌 শিবিরের সভাপতি মাহবুব ইসলাম বলেন, নবীনবরণ অনুষ্ঠানের অনুমতি অপেক্ষায় রয়েছে
- 📌 ছাত্রদলের সভাপতি বাবর আলী মাহফুজ দাবি করেন, শিবিরের কর্মী প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করেছেন
📰 বিস্তারিত
কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মাসরুর উল আলমের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বুধবার অনুষ্ঠিত ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিলের জরুরি সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বৃহস্পতিবার থেকে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
গত সোমবার দুপুরে ফেসবুকে একটি পোস্টের কারণে উত্তেজনা শুরু হয়। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর শহরে পাল্টাপাল্টি মিছিল করে দু’পক্ষ। আগামীকাল সকালে শিবিরের উদ্যোগে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল, কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার কারণে তা বাতিলের আশঙ্কা রয়েছে।
কেসি কলেজ শাখা শিবিরের সভাপতি মাহবুব ইসলাম বলেন, “কিছুদিন ধরে আমরা নবীনবরণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। অতিথিদের আমন্ত্রণও দেওয়া হয়েছে। সোমবার ছাত্রদলের সঙ্গে ঝামেলার পর কলেজ প্রশাসন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। অনুমতি দিলে অনুষ্ঠান হবে, না দিলে হবে না।”
অপরদিকে, ছাত্রদলের সভাপতি বাবর আলী মাহফুজ দাবি করেন, “শিবিরের একজন কর্মী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট করেন। তাঁরা শিবির নেতাদের পোস্টটি মুছে ফেলতে বলেন। এরপর কথা-কাটাকাটি হয়। পরে প্রশাসনের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। শিবিরের যে ঝামেলা হয়েছে, সেটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়। বর্তমানে কলেজ ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।”
অধ্যক্ষ প্রফেসর মাসরুর উল আলমের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি, পাবনা জেলায় ৩০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারের মামলায় আরেক ফেনসিডিল কারবারী লাল মোহাম্মদ লালু (২৭) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন। আদালত তাঁকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও দুই মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে।
"কিছুদিন ধরে আমরা নবীনবরণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। অতিথিদের আমন্ত্রণও দেওয়া হয়েছে। সোমবার ছাত্রদলের সঙ্গে ঝামেলার পর কলেজ প্রশাসন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। অনুমতি দিলে অনুষ্ঠান হবে, না দিলে হবে না।"
"শিবিরের একজন কর্মী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কটূক্তি করে ফেসবুকে পোস্ট করেন। তাঁরা শিবির নেতাদের পোস্টটি মুছে ফেলতে বলেন। এরপর কথা-কাটাকাটি হয়। পরে প্রশাসনের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঝিনাইদহ, কেশব চন্দ্র কলেজ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুব ইসলাম (শিবির সভাপতি), বাবর আলী মাহফুজ (ছাত্রদল সভাপতি), প্রফেসর মাসরুর উল আলম (অধ্যক্ষ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১৬তম একাডেমিক কাউন্সিল, ৩০ বোতল ফেনসিডিল, ২৭ বছর (লাল মোহাম্মদ লালু), ১০ হাজার টাকা জরিমানা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!