📅 ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা ইউটিউব ও কষ্টের পথে জিপিএ-৫ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছান

দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা ইউটিউব ও কষ্টের পথে জিপিএ-৫ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা ইউটিউব দেখে পড়াশোনা করে জিপিএ-৫ পেয়ে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে পড়াশোনা করছেন। আইডিএলসি ও প্রথম আলো ট্রাস্টের ‘অদ্বিতীয়া’ বৃত্তি তাদের পড়াশোনার খরচ বহন করছে

দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা ইউটিউব দেখে পড়াশোনা করে জিপিএ-৫ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছান। এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে (এইউডব্লিউ) পড়াশোনা করছেন এমন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ বহন করছে আইডিএলসি ও প্রথম আলো ট্রাস্টের ‘অদ্বিতীয়া’ বৃত্তি। বৃত্তি পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন দরিদ্র পরিবারের প্রথম মেয়েসন্তানরা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **ইউটিউব ও বন্ধুদের নোট দিয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি ও এইচএসসি পাস** করেছেন অন্তরা তাঁতী শ্রীমঙ্গল থেকে, যিনি বাবার ১৮৭ টাকা মজুরিতে বড় হচ্ছেন।
  • 📌 **চা-বাগানের শ্রমিক পরিবার থেকে এসএসসি ও এইচএসসিতে ভালো রেজাল্ট পেলেও** অনিমা রানী পালের পরিবারকে টাকা পাঠাতে হয় চট্টগ্রাম থেকে বাড়িতে।
  • 📌 **স্কুলের পোশাক কিনতে মানুষের জুমে কাজ** করেছেন লিডিয়া বম, যিনি ঋণ নিয়ে ঢাকায় চাকরি করতেন।
  • 📌 **বাবা মারা যাওয়ার পর একা দাঁড়িয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন** মেহেরুন নেছা, যিনি ‘প্রি-আন্ডারগ্র্যাড পাথওয়ে’ কোর্সে পড়ছেন।
  • 📌 **২০১২ সাল থেকে ১৪৩ জন শিক্ষার্থী পেয়েছেন ‘অদ্বিতীয়া’ বৃত্তি**—তাদের মধ্যে ৮৬ জন স্নাতক হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

দরিদ্র পরিবারের মেয়েরা কষ্টের পথে পড়াশোনা করে জিপিএ-৫ পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছান। এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে (এইউডব্লিউ) পড়াশোনা করছেন এমন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খরচ বহন করছে আইডিএলসি ও প্রথম আলো ট্রাস্টের ‘অদ্বিতীয়া’ বৃত্তি। বৃত্তি পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন দরিদ্র পরিবারের প্রথম মেয়েসন্তানরা।

বৃত্তি প্রোগ্রামটি ২০১২ সাল থেকে শুরু হয়। ট্রান্সকম গ্রুপের সহযোগিতায় ৪২ জন এবং ২০১৭ সাল থেকে আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসির সহযোগিতায় ১০১ জনসহ মোট ১৪৩ জন এই বৃত্তি পেয়েছেন। এর মধ্যে ৮৬ জনের স্নাতক সম্পন্ন হয়েছে। এ বছর বৃত্তি পেয়েছেন ১৫ জন।

অন্তরা তাঁতী শ্রীমঙ্গলের কালীঘাট চা-বাগানের একটি ছোট্ট ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা চা-শ্রমিক, প্রতিদিন ১৮৭ টাকা মজুরি পান। অভাবের কারণে স্কুলে পড়ার সময় গাইড বই কিনতে পারতেন না। বন্ধুদের কাছ থেকে বই ধার করে পড়তেন। ২০২২ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাস করেন। একাদশ শ্রেণিতে ওঠার পর কোচিং করার সামর্থ্য ছিল না। বাসায় স্মার্টফোন না থাকায় মাঝেমধ্যে পিসতুতো ভাইয়ের ফোনে ইউটিউব দেখে দেখে ক্লাস করতেন। ২০২৪ সালে এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনি।

অনিমা রানী পাল ২০২৩ সালে এসএসসি ও ২০২৫ সালে এইচএসসি পাস করেছেন। বাবা কৃষক, মা চা-শ্রমিক। চার বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে, ছোট দুই বোনের একজন অষ্টম শ্রেণিতে, অন্যজন প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। দাদু-ঠাকুমাও তাদের সঙ্গেই থাকেন। বাবার খেত-খামারের অনিশ্চিত আয় আর মায়ের সামান্য মজুরিতে সাতজনের সংসার চলে। চট্টগ্রাম শহরে পড়াশোনা করলেও প্রতি মাসে বাড়ি থেকে টাকা পাঠাতে হয়।

লিডিয়া বম একটি ছোট মাচাং ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। পরিবারে শিক্ষার সুযোগ খুব বেশি ছিল না। মা-বাবা দুজনই জুমচাষি। খাবার জোগাড় করতে অন্যের জুমেও কাজ করতে হয়। স্কুলের পোশাক কেনার টাকা ছিল না বলে মানুষের জুমে কাজ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার খরচ জোগাতে বাবা ঋণ নেন, কিন্তু পরীক্ষায় সুযোগ পাননি। ঋণের টাকা শোধ করতে ঢাকায় চাকরি করেন। সেখানে এক সিনিয়র আপুর কাছ থেকে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বৃত্তির খোঁজ পান।

মেহেরুন নেছা বাবা মারা যাওয়ার পর একা দাঁড়িয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। পরিবারে তিনজন—তিনি, ছোট ভাই ও মা। বাবা কিডনির রোগে মারা যান। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন বাবা। এরপর থেকে সংসারের দায়িত্ব পড়ে মায়ের ওপর। মা গৃহিণী, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। মেহেরুন নিজের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ নিজেই চালানোর চেষ্টা করছেন।

"আমার দুই ছোট বোনের পড়াশোনার খরচও বাবাকেই বহন করতে হয়। আশা করি, অদ্বিতীয়া বৃত্তি আমাকে পড়াশোনার সাহস জোগাবে, বাবার ওপরও চাপ কমবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শ্রীমঙ্গল (চা-বাগান), চট্টগ্রাম, ঢাকা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: অন্তরা তাঁতী, অনিমা রানী পাল, লিডিয়া বম, মেহেরুন নেছা, শিক্ষার্থীরা (১৪৩ জন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮৭ টাকা (বাবার মজুরি), ১৪৩ জন (বৃত্তি পেয়েছেন), ৮৬ জন (স্নাতক হয়েছে), ১৫ জন (এ বছর বৃত্তি পেয়েছেন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖