📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৫২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পীরগঞ্জের বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী মাত্র ৬, শিক্ষক ৮ — শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে পরিবারিক নিয়ন্ত্রণে

পীরগঞ্জের বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী মাত্র ৬, শিক্ষক ৮ — শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে পরিবারিক নিয়ন্ত্রণে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার গুর্জিপাড়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী মাত্র ৬ জন এবং শিক্ষক ৮ জন উপস্থিত। বিদ্যালয়ের নথিতে ১২০ শিক্ষার্থী ও ১১ শিক্ষক-কর্মচারী উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে শিক্ষা কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, এটি একটি পরিবারিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এবং শিক্ষার মান নিম্নে পতিত হয়েছে।

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার গুর্জিপাড়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রমের অবস্থা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিদ্যালয়ের নথিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১২০ এবং শিক্ষক-কর্মচারী ১১ জন উল্লেখ থাকলেও সরেজমিনে দেখা গেছে মাত্র ৬ জন শিক্ষার্থী এবং ৮ জন শিক্ষক-কর্মচারী উপস্থিত। শিক্ষা কার্যক্রমের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত হতাশাজনক।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **শিক্ষার্থী মাত্র ৬ জন** — নথিতে ১২০ শিক্ষার্থী উল্লেখ থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৬ জন উপস্থিত
  • 📌 **শিক্ষক ৮ জন উপস্থিত** — ১১ জনের মধ্যে ৮ জন উপস্থিত, বাকি ৩ জন অনুপস্থিত
  • 📌 **প্রধান শিক্ষকের কক্ষ ও প্রধান ফটক তালাবদ্ধ** — শিক্ষার্থীদের হাজিরা খাতা প্রধান শিক্ষক নিজের কক্ষে রেখেছেন
  • 📌 **গত ২ বছর ধরে মাত্র ১ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ** — ২০২৫ ও ২০২৬ সালে প্রত্যেক বছর মাত্র ১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন
  • 📌 **৪ জন শিক্ষক একই পরিবারের সদস্য** — প্রধান শিক্ষিকার স্বামী, ভাই ও ভাইয়ের মেয়ে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত
  • 📌 **শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ** — সরকারি বরাদ্দকৃত ল্যাপটপগুলো প্যাকেটবন্দি অবস্থায় রয়েছে

📰 বিস্তারিত

গত সপ্তাহে বিদ্যালয়ের প্রতিনিধি যান গিয়ে দেখা যায়, প্রধান ফটক ও প্রধান শিক্ষকের কক্ষ তালাবদ্ধ অবস্থায়। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে দায়িত্বরত শিক্ষকরা জানান, খাতাটি প্রধান শিক্ষক নিজের কক্ষে রেখে তালাবদ্ধ করে গেছেন। বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন শরীরচর্চা শিক্ষক এবং প্রধান শিক্ষকের স্বামী কাউকেই পাওয়া যায়নি। বিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়মিত সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলন করলেও ক্লাসে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও পাঠদানের বাস্তব চিত্র অত্যন্ত হতাশাজনক।

শিক্ষার্থী সংকটের পেছনে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, এই বিদ্যালয় এলাকার মেয়েদের শিক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু শিক্ষার পরিবেশ ভালো না থাকায় অভিভাবকেরা তাদের সন্তানদের ওই স্কুলে পাঠাতে চান না। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল খালেক বলেছেন, প্রতিষ্ঠানে ৮ জন শিক্ষকের মধ্যে ৪ জনই একই পরিবারের সদস্য। প্রধান শিক্ষিকার স্বামী শরীরচর্চার শিক্ষক, ভাই অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর এবং ভাইয়ের মেয়ে আয়া। এটি একটি পরিবারিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়ায় শিক্ষার মান তলানিতে ঠেকেছে।

অন্য একজন স্থানীয় বাসিন্দা মাইদুল ইসলাম বলেছেন, শিক্ষার্থী সংকট দীর্ঘদিন ধরে চললেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে নামমাত্র প্রতিষ্ঠানটি জিইয়ে রাখা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, বিদ্যালয়টি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগেই প্রশাসনিক তদন্ত ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

"আমরা জেলা পরিষদে আছি। আপনাদের কী করার আছে করেন। আমি কিছু বলতে পারব না।"

অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরে ছবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেন তাঁর স্বামী ও শরীরচর্চা শিক্ষক মাহফুজার রহমান ওরফে ফাইন। তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে এই কথা বলেন।

পীরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে এবং অনিয়মের প্রমাণ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী বলেন, তিনি দ্রুত উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ওই বিদ্যালয়ের অনিয়মের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেবেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গুর্জিপাড়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, পীরগঞ্জ উপজেলা, রংপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধান শিক্ষক নুরে ছবি, মাইদুল ইসলাম, আব্দুল খালেক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, ইউএনও আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: শিক্ষার্থী ৬ জন (নথিতে ১২০), শিক্ষক ৮ জন (নথিতে ১১), এসএসসি পরীক্ষার্থী ১ জন (২০২৫ ও ২০২৬ সালে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖