📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রংপুরের এরশাদ হকার্স মার্কেট: বরাদ্দ দোকানগুলোর ভাড়া আদায় হয়নি, মাদকসেবীদের আড্ডা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাজার

রংপুরের এরশাদ হকার্স মার্কেট: বরাদ্দ দোকানগুলোর ভাড়া আদায় হয়নি, মাদকসেবীদের আড্ডা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাজার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রংপুরের এরশাদ হকার্স মার্কেটে ১ হাজার ৬১টি দোকানের মধ্যে মাত্র ৭৪৭টি বরাদ্দ দেওয়া হলেও ভাড়া আদায় হয়নি। মার্কেটে ব্যবসার পরিবেশ না থাকায় দোকানগুলো বন্ধ পড়ে গেছে এবং সন্ধ্যায় মাদকসেবীদের আড্ডা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিটি করপোরেশন এখনো দোকানগুলোর ভাড়া আদায়ের উদ্যোগ নেয়নি

রংপুরের এরশাদ হকার্স মার্কেটে নির্মাণের পর থেকে ব্যবসার পরিবেশ না থাকায় দোকানগুলোর ভাড়া আদায় হয়নি। ১৬ বছর ধরে এই অবস্থা চলতে থাকায় রাজস্ব বঞ্চিত হয়েছে। মার্কেটের সামনের কিছু দোকানে কাপড়ের ব্যবসা চলছে, কিন্তু অধিকাংশ দোকান বন্ধ পড়ে আছে। সন্ধ্যায় মাদকসেবীদের আড্ডা হয়ে দাঁড়িয়েছে এই মার্কেটে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রংপুরের এরশাদ হকার্স মার্কেটে নির্মাণের পর থেকে ১৬ বছর ধরে দোকানগুলোর ভাড়া আদায় হয়নি
  • 📌 ১ হাজার ৬১টি দোকানের মধ্যে মাত্র ৭৪৭টি বরাদ্দ দেওয়া হলেও বাকি সব দোকান বন্ধ পড়ে আছে
  • 📌 মার্কেটে সন্ধ্যায় মাদকসেবীদের আড্ডা হয়ে দাঁড়িয়েছে, নিরাপত্তা ও ব্যবসার পরিবেশ নেই
  • 📌 সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ দোকানগুলোর ভাড়া আদায়ের উদ্যোগ নেয়নি, অবৈধ দখলকারীদের দোকান ছেড়ে দিতে বলা হবে
  • 📌 সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা ছয়তলা করার পরিকল্পনা করেছিলেন, কিন্তু কাজ এগোয়নি

📰 বিস্তারিত

রংপুরের এরশাদ হকার্স মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছিল ২০১০ সালে। নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল ৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। মার্কেটের নামকরণ করা হয়েছিল সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নামে। নির্মাণের পরপরই ১ হাজার ৬১টি দোকানের মধ্যে ৭৪৭টি বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রতিটি দোকানের জন্য জামানত নেওয়া হয়েছিল অফেরতযোগ্য দেড় লাখ টাকা এবং মাসিক ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫০ টাকা। তবে বরাদ্দ পাওয়া দোকানিরাও দিচ্ছেন না ভাড়া।

মার্কেটের সভাপতি মো. রিপন সিকদার বলেছেন, ‘দোকান বরাদ্দ নিয়ে অনেকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কেউ জমিজমা বিক্রি করে দোকান নিয়েছিলেন, কিন্তু ব্যবসার পরিবেশ না থাকায় তাঁদের অনেকে অন্য কিছু করছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাবেক মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা মার্কেটটি ছয়তলা করার এবং সামনের জায়গা উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা করেছিলেন। এ নিয়ে আলোচনা ও সভাও হয়েছিল, কিন্তু তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আর কাজ এগোয়নি।’

রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রুবেল রানা জানান, ‘প্রশাসক মার্কেটটির সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করেছেন। বৈধভাবে দোকান বরাদ্দ পাওয়া ব্যবসায়ী ও মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনা করে মার্কেটটি কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে। সিটি করপোরেশনের ভাড়া না দিয়ে অবৈধভাবে দখলে থাকা ব্যক্তিদের দোকান ছেড়ে দিতে বলা হবে।’

মার্কেটের সামনের কিছু দোকানে কাপড়ের ব্যবসা চলছে, কিন্তু ভেতরের অধিকাংশ দোকান বন্ধ। কিছু দোকান গোডাউন ও ছোট কারখানা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। হকারদের জন্য রাখা খোলা জায়গার দোকান বা সেটগুলোও অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মার্কেটটিতে নিরাপত্তা ও ব্যবসার উপযুক্ত পরিবেশ নেই। সন্ধ্যার পর বসে মাদকসেবী ও জুয়াড়িদের আড্ডা।

"এখানে ব্যবসা করতে পারিনি। দোকানগুলোর ভাড়াও কেউ নেয়নি। ব্যবসার পরিবেশ নেই, পুরো মার্কেটেই দোকানপাট বন্ধ। সিটি করপোরেশনকে টাকা দেব কীভাবে, কেউ তো টাকা চায়ওনি।"

— আবুল হোসেন, রংপুরের গোমস্তাপাড়ার বাসিন্দা ও মার্কেটের দোকান বরাদ্দপ্রাপ্ত

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রংপুরের এরশাদ হকার্স মার্কেট, রাধাবল্লভ মৌজা, হনুমানতলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রিপন সিকদার (মার্কেট সভাপতি), আবুল হোসেন (দোকান বরাদ্দপ্রাপ্ত), রুবেল রানা (রসিকের প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর (অব্যবহৃত), ১ হাজার ৬১টি (মোট দোকান), ৭৪৭টি (বরাদ্দ দোকান), ৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা (নির্মাণ ব্যয়), ৪৫০ টাকা (মাসিক ভাড়া)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖