📌 পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় প্রায় দুই বছর আগে উদ্বোধিত পাবলিক পাঠাগার বন্ধ থাকায় বই ও আসবাবপত্র নষ্টের আশঙ্কা। পাঠাগারের সামনে অটোরিকশার দখল ও ছাদে মাদকসেবীদের আনাগোনা চলছে। স্থানীয়রা দাবি করছে, দ্রুত পাঠাগার চালু ও পরিবেশ পরিষ্কার করার জন্য কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত ‘বাউফল সাধারণ পাঠাগার’ প্রায় দুই বছর আগে উদ্বোধিত হলেও বন্ধ থাকায় বই ও আসবাবপত্র নষ্টের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পাঠাগারের সামনে অটোরিকশার দখল ও আশপাশে মূত্রত্যাগের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি রাতের বেলায় ছাদে মাদকসেবীদের আনাগোনা চলছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, দ্রুত পাঠাগারটি চালু ও পরিবেশ পরিষ্কার করার জন্য কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত বাউফল সাধারণ পাঠাগার বন্ধ থাকায় বই ও আসবাবপত্র নষ্টের আশঙ্কা
- 📌 পাঠাগারের সামনে অটোরিকশার দখল, আশপাশে মূত্রত্যাগের দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে
- 📌 রাতের বেলায় পাঠাগারের ছাদে মাদকসেবীদের আনাগোনা চলছে
- 📌 পাঠাগারটি চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থী ও বইপ্রেমীদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি
- 📌 বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বলেছেন, এই সপ্তাহের মধ্যে পাঠাগারটি খুলে দেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
১৯৯১ সালে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়াছ উদ্দিন মিয়ার উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বাউফল সাধারণ পাঠাগার ছিল বইপ্রেমী ও জ্ঞানপিপাসু মানুষের মিলনস্থল। প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বাউফল সরকারি কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মরহুম আব্দুল সাত্তার। পরে এই দায়িত্ব পালন করেন কেশবপুর কলেজের সাবেক অধ্যাপক এ কে এম হুমায়ুন কবির। পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠার পর শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বই ও সংবাদপত্র পড়তে আসতেন। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পাঠাগারটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকত।
পুরোনো ভবন জরাজীর্ণ হয়ে পড়লে পাঠাগারের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে ওই ভবনে বাউফল রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যক্রম চলছে। শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজের উদ্যোগে নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। প্রায় দুই বছর আগে ভবনটির উদ্বোধন করেন তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম। তবে উদ্বোধনের পরও পাঠাগারটি চালু না হওয়ায় স্থানীয় শিক্ষার্থী ও বইপ্রেমীদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
সরেজমিনে দেখা যায়, পাঠাগারের ভেতরে বই ও আসবাবপত্র পড়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেগুলো নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভবনের সামনের অংশে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে অটোরিকশা। আশপাশে মূত্রত্যাগের কারণে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাতের বেলায় ছাদে মাদকসেবীদের আনাগোনা দেখা যায়।
"পাঠাগারটি চালু হলে শিক্ষার্থীসহ এলাকার সাধারণ মানুষ বই পড়ার সুযোগ পেতেন। কিন্তু প্রায় দুই বছরেও এটি চালু না হওয়ায় বই ও আসবাবপত্র নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা চাই, কর্তৃপক্ষ দ্রুত পাঠাগারটি চালু করে জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করুক।" — **এ কে এম হুমায়ুন কবির**, বাউফল সাধারণ পাঠাগারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাউফল উপজেলা সদর, পটুয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এ কে এম হুমায়ুন কবির, জসিম উদ্দিন, সালেহ আহমেদ, নিয়াছ উদ্দিন মিয়া, আমিনুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০.০ (পাঠাগার খোলার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!