📌 কক্সবাজার বিজিবির সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল ফারুখ হোসেন খানকে ইয়াবা সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কোর্ট মার্শালে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। চাকরি থেকে বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়। যুগান্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছিল তদন্তের মূল সূত্র
কক্সবাজার বিজিবির ৩৪ ব্যাটালিয়নের সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল ফারুখ হোসেন খানকে ইয়াবা সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কোর্ট মার্শালে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রথমবারের মতো কোনো অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সূত্রে তদন্ত শুরু হয়ে কোর্ট মার্শাল পর্যন্ত গড়ানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কক্সবাজার বিজিবির ৩৪ ব্যাটালিয়নের সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল ফারুখ হোসেন খানকে ইয়াবা সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কোর্ট মার্শালে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে
- 📌 তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 গত ২৫ এপ্রিল যুগান্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর তদন্ত শুরু হয়
- 📌 বিচারিক প্রক্রিয়ায় ৫০-এর অধিক সাক্ষীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, প্রথম সাক্ষী ছিলেন যুগান্তরের প্রতিবেদক জসিম উদ্দিন
- 📌 বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার ও সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠে আসে
- 📌 সেনাবাহিনী ঘোষণা দেয়, মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে
📰 বিস্তারিত
গত ২৫ এপ্রিল যুগান্তর প্রকাশিত ‘কক্সবাজারে বিজিবি সিও-র ইয়াবা ভাগাভাগি’ শিরোনামের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ছিল এই ঘটনার মূল সূত্র। প্রতিবেদনে ইয়াবা ভাগাভাগি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছিল। প্রতিবেদন প্রকাশের পর সেনাবাহিনী তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করে।
বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রায় অর্ধশত সাক্ষীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রথম সাক্ষী ছিলেন যুগান্তরের প্রতিবেদক জসিম উদ্দিন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর যুগান্তর প্রকাশিত আরেকটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ফারুখ হোসেন খানের বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পাশাপাশি প্রভাব বিস্তার, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মাধ্যমে তদবির এবং সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠে আসে। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিচারিক কার্যক্রমে বাধা দিতে একজন সাক্ষীকে গুম করার চেষ্টা এবং অন্য সাক্ষীদের হত্যা ও গুমের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
বিচারিক কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুই উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কোর্ট মার্শালে ফারুখ হোসেন খানকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। তারা বলেন, যুগান্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হয়েছে।
"অপরাধ করে তদবির বা প্রভাব খাটিয়ে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। বিশেষ করে মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিষয়ে বাহিনী কঠোর অবস্থানে রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লে. কর্নেল ফারুখ হোসেন খান, জসিম উদ্দিন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৪ (ব্যাটালিয়ন নম্বর), ২৫ (এপ্রিল), ২৩ (সেপ্টেম্বর), ৫০+ (সাক্ষী সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!