📅 ২ নভেম্বর ২০২৬, ১:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণমাধ্যম শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমে যাচ্ছে: কেন?

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণমাধ্যম শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমে যাচ্ছে: কেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা শিক্ষার ইতিহাস ৬০ বছরেরও বেশি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়টি বিস্তৃত হলেও শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমে যাচ্ছে। ডিজিটাল মাধ্যমের বিকাশ ও ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা নিয়ে পরিবারগণ সন্তানদের এই পেশা বেছে নিতে দ্বিধা করছেন

বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা শিক্ষার ইতিহাস ৬০ বছরেরও বেশি। তবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়টি পড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ক্রমশ কমে যাচ্ছে। ডিজিটাল মাধ্যমের বিকাশ, কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা এবং পরিবারগণের অর্থনৈতিক বিবেচনার কারণে এই বিষয়টিকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা সাবধানে থাকছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার শুরু ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাধ্যমে, যা বর্তমানে ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে।
  • 📌 ১৯৯০-এর দশকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিষয়টি বিস্তার লাভ করে, যেখানে ১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিভাগ চালু হয়েছে।
  • 📌 গণমাধ্যমের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে সাংবাদিকতা থেকে গণমাধ্যমে চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, ডিজিটাল মাধ্যম, বিজ্ঞাপন, জনসংযোগ ও উন্নয়ন যোগাযোগের মতো বিষয় যুক্ত হয়েছে।
  • 📌 শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমে যাওয়ার পেছনে রয়েছে পরিবারগণের অর্থনৈতিক বিবেচনা, কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা এবং ভবিষ্যতের আয় সম্পর্কে প্রশ্ন।
  • 📌 ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের মতো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ২০০৪ সাল থেকে মিডিয়া স্টাডিজ ও সাংবাদিকতা বিষয়টি পাঠ্যক্রমে যুক্ত হয়েছে, যেখানে ডিজিটাল চলচ্চিত্র, টেলিভিশন প্রযোজনা ও জনসংযোগের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশে সাংবাদিকতা শিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাধ্যমে। শুরুতে এক বছরের স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা কোর্স চালু করা হয়েছিল। ১৯৭৭ সালে বিভাগের নাম পরিবর্তন করে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা রাখা হয়। এরপর স্নাতকোত্তর ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা চালু হয়। দীর্ঘকাল ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল সাংবাদিকতা শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র। ১৯৯০-এর দশকে অন্যান্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় যেমন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ বিভাগ চালু হয়, যা পরে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে রূপান্তরিত হয়।

নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিষয়টি নতুন অধ্যায় শুরু করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত ‘৫০ ইয়ার্স অব জার্নালিজম স্টাডিজ ইন বাংলাদেশ’ সংকলনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভস, স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশসহ ১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়টি বিস্তার লাভ করেছে।

গণমাধ্যমের পরিধি বাড়ার সাথে সাথে সাংবাদিকতা শিক্ষার পাঠ্যক্রমেও পরিবর্তন আসে। শুধু সংবাদপত্রে রিপোর্টার তৈরির বিষয় নয়, চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, বিজ্ঞাপন, জনসংযোগ, উন্নয়ন যোগাযোগ ও ডিজিটাল মাধ্যমের মতো বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত হয়। ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের ইতিহাসে দেখা যায়, ২০০৪ সালে তাদের মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের স্নাতক পর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হয়। পরে মিডিয়া ল্যাব, চলচ্চিত্র ও আলোকচিত্রভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং ব্যবসায় সাংবাদিকতা, ডিজিটাল চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন প্রযোজনা এবং জনসংযোগের মতো বিষয় পাঠ্যক্রমে যুক্ত হয়।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণমাধ্যম বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমে যাওয়ার পেছনে একটি প্রধান কারণ হলো পরিবারগণের অর্থনৈতিক বিবেচনা। তারা সন্তানদের পেশা ও ভবিষ্যত নিয়ে হিসাব-নিকাশ করেন। সাংবাদিকতা বা মিডিয়া পড়ে ভবিষ্যতে কী করা যাবে, আয় কেমন হবে, চাকরির নিশ্চয়তা কতটা—এসব প্রশ্ন তাদের ভাবায়। এই বাস্তবতা বুঝতে হলে বাংলাদেশের সাংবাদিকতা শিক্ষার ইতিহাস এবং পরিবর্তিত গণমাধ্যমের দিকে একসঙ্গে তাকাতে হয়।

"বিজ্ঞাপন ও জনসংযোগের কাজও অনেকখানি চলে গেছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। এখন যোগাযোগের জগতে যুক্ত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, রাজশাহী, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থীরা, পরিবারগণ, সাংবাদিকতা শিক্ষকগণ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ বছর (সাংবাদিকতা শিক্ষার ইতিহাস), ১৬টি (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖