📌 বুলগেরিয়ার দ্বিতীয় দফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলিয়ানা ইয়োতোভাই ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি দেশের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইতিহাস রচনা করবেন। প্রতিদ্বন্দ্বী গিউরভ পান ৩৮ শতাংশ ভোট। নির্বাচনে অংশগ্রহণ হার বেড়ে ২৭-২৯ শতাংশে উঠেছে
বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ইলিয়ানা ইয়োতোভাই ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন। বুথফেরত জরিপের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, তিনি দেশের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইতিহাস রচনা করবেন। প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই গিউরভ ৩৮ শতাংশ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বুলগেরিয়ার দ্বিতীয় দফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইলিয়ানা ইয়োতোভাই ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন, প্রতিদ্বন্দ্বী গিউরভ পান ৩৮ শতাংশ
- 📌 ইয়োতোভাই হবেন বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট
- 📌 নির্বাচনে অংশগ্রহণ হার বেড়ে ২৭-২৯ শতাংশে উঠেছে, যা প্রথম দফার তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি
- 📌 প্রথম দফায় ভোট পড়েছিল মাত্র ২৩ শতাংশ, যা রেকর্ড সর্বনিম্ন
- 📌 ইয়োতোভাই রাশিয়ার সঙ্গে সংলাপের পক্ষে এবং ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিরোধী
- 📌 বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলায় ২১ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব বলে ধারণা
📰 বিস্তারিত
বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়া থেকে জানা গেছে, বুথফেরত জরিপে ইলিয়ানা ইয়োতোভাই ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে জয়ী হন। তিনি রাশিয়ার সঙ্গে সংলাপের পক্ষে এবং ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিরোধী অবস্থান নেন। ইয়োতোভাই বলেছেন, ‘শুধু আলোচনার মাধ্যমেই শান্তি আসতে পারে।’
প্রতিদ্বন্দ্বী গিউরভ বলেছেন, ‘বুলগেরিয়ার নাগরিকেরা এভাবেই তাঁদের রায় দিয়েছেন। ফলাফল যা এসেছে, তা মেনে নিতে হবে।’ গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার নির্বাচনে ইয়োতোভাই ৩৫ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন, গিউরভ পেয়েছিলেন ৩২ শতাংশ। তবে জনমত জরিপে ইয়োতোভার ২০ শতাংশ ব্যবধানে এগিয়ে থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ভোটের ফলাফলে দুই প্রার্থীর ব্যবধান ছিল অনেক কম।
৬১ বছর বয়সী ইয়োতোভা ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর দীর্ঘদিনের মিত্র রুমেন রাদেভ পার্লামেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে পদত্যাগ করলে তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হন। বর্তমানে রাদেভ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
বুলগেরিয়ার উপকূলে ড্রোন হামলায় ২১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী রাদেভ বলেছেন, এসব হামলা মস্কোর স্বার্থ রক্ষা করছে বলে মনে হচ্ছে। তিনি রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছেন। তবে সরকারের দাবি, হামলার সঙ্গে মস্কোর সরাসরি সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ নেই।
"দুই প্রার্থীর কাউকেই আমার পছন্দ নয়।" — সোফিয়ার ৬৪ বছর বয়সী শিক্ষক ক্রাসিমিরা কোস্তোভা
"তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানই আমার গণতন্ত্রের ভাবনার সঙ্গে মেলে না। তাই আমি ‘কম খারাপ’ প্রার্থীকে ভোট দিয়েছি।" — ৬৭ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী পেতার দোইচিনভ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বুলগেরিয়া (সোফিয়া), ইউক্রেন, রাশিয়া (মস্কো), কৃষ্ণসাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইলিয়ানা ইয়োতোভাই, আন্দ্রেই গিউরভ, রুমেন রাদেভ, ক্রাসিমিরা কোস্তোভা, পেতার দোইচিনভ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৮ শতাংশ (ইয়োতোভাই), ৩৮ শতাংশ (গিউরভ), ২৭-২৯ শতাংশ (ভোটার অংশগ্রহণ), ২৩ শতাংশ (প্রথম দফা অংশগ্রহণ), ২১ জন (নিখোঁজ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!