📌 ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশের চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চারটি নতুন পাঠ্যবই যুক্ত হবে। এনসিটিবি প্রণীত বইগুলোতে খেলাধুলা, সংস্কৃতি, আনন্দময় শিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুদ্রণ কাজ শেষ হবে
২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় নতুন মাত্রা আনতে এনসিটিবি চারটি উদ্ভাবনী পাঠ্যবই যুক্ত করেছে। শিক্ষার্থীদের শারীরিক-মানসিক বিকাশ ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রণীত এই বইগুলোতে খেলাধুলা, সংস্কৃতি, আনন্দময় শিক্ষা এবং কারিগরি দক্ষতা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চতুর্থ শ্রেণিতে যুক্ত হয়েছে ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ বই — ফুটবল, ক্রিকেট, কারাতে, জুডো ও প্রাথমিক চিকিৎসা শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত
- 📌 ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হয়েছে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ও ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ — আনন্দময় শিক্ষা ও একবিংশ শতাব্দীর দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে
- 📌 ১ কোটি ৫০ লাখ কপি মুদ্রণ করা হবে — ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুদ্রণ কাজ শেষ হবে
- 📌 ২৫ অক্টোবর এনসিসি সভায় অনুমোদন পাবেন বইগুলো
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মানবিক মূল্যবোধ ও কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে এই সংস্কার
📰 বিস্তারিত
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) গতানুগতিক শিক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের জীবনমুখী ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দক্ষ করে তুলতে নতুন পাঠ্যবই প্রণয়ন করেছে। এনসিটিবির বিশেষজ্ঞ টিমের গবেষণা ও পরিকল্পনা অনুসারে, চতুর্থ শ্রেণির ‘খেলাধুলা’ বইয়ে ফুটবল, ক্রিকেটের পাশাপাশি কারাতে, জুডো এবং প্রাথমিক চিকিৎসা শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ বইয়ে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি এবং ‘নতুন কুঁড়ি’র মতো উদ্যোগ তুলে ধরা হয়েছে।
ষষ্ঠ শ্রেণির ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বইটি শিক্ষার্থীদের ভীতিহীন ও আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করবে। এছাড়া ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ বইটি শিক্ষার্থীদের স্বাবলম্বী ও একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ করে তুলবে। এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, চারটি নতুন বইয়ের প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ কপি প্রিন্ট করা হবে এবং আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুদ্রণ কাজ সম্পন্ন হবে।
২৫ অক্টোবর জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসি) সভায় বইগুলোর অনুমোদন শেষে প্রেস পাঠানো হবে। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে মানবিক মূল্যবোধ, সুনাগরিকের গুণাবলি ও কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে এই সংস্কার। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে এই বিষয়গুলো অন্যান্য শ্রেণিতেও সম্প্রসারিত করা হবে।
"শিক্ষার্থীদের মাঝে মানবিক মূল্যবোধ, সুনাগরিকের গুণাবলি ও কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে এই সংস্কার"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মাহ্দী আমিন (প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি ৫০ লাখ কপি মুদ্রণ, ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুদ্রণ কাজ শেষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!