📌 ২৫ অক্টোবর নয়া দিগন্তের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুমাইয়া রাবেয়া সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাবা শহীদ মীর কাসেম আলী শুধু সত্য প্রকাশের জন্য নয়া দিগন্ত প্রতিষ্ঠা করেননি—এটি ছিল তার বিশাল সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের পরিকল্পনা
২৫ অক্টোবর নয়া দিগন্ত পত্রিকার ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ মীর কাসেম আলীর কন্যা সুমাইয়া রাবেয়ার সাথে। সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বাবা শুধু সত্য প্রকাশের জন্য নয়া দিগন্ত প্রতিষ্ঠা করেননি—এটি ছিল তার সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের বিশাল পরিকল্পনা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৫ অক্টোবর নয়া দিগন্তের ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুমাইয়া রাবেয়া সাক্ষাৎকার দেন, যেখানে তিনি বলেন, বাবা শহীদ মীর কাসেম আলী শুধু সত্য প্রকাশের জন্য পত্রিকাটি প্রতিষ্ঠা করেননি—এটি ছিল তার সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের পরিকল্পনা।
- 📌 সুমাইয়া রাবেয়া জানান, বাবা রমজান মাসে পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশের সময় ২টা-৩টা রাতে সশরীরে প্রিন্টিং দেখতেন এবং সেজদায় প্রিন্টিংয়ের শব্দ শুনে বুঝতেন যে প্রিন্ট হচ্ছে।
- 📌 তিনি বলেন, বাবা সমাজ বিনির্মাণের আন্দোলন শুরু করার সময় থেকেই সাংস্কৃতিক গুরুত্ব বুঝতেন এবং নয়া দিগন্ত শুধু একটি প্রকল্প ছিল না—এটি ছিল তার বিশাল সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের পরিকল্পনা।
- 📌 সুমাইয়া রাবেয়া মায়ের অবদানকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন, বলেন, বাবা মায়ের সাথে আলোচনা করতেন এবং তার পরামর্শ নিতেন। তিনি বলেন, ‘আব্বু-আম্মুর মিশ্রণটা আল্লাহর একটি পরিকল্পনা’।
- 📌 সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বাবা সাংস্কৃতিক পরিবেশে বড় হয়েছেন এবং গান, লেখালেখি, সংস্কৃতি সবই পছন্দ করতেন।
📰 বিস্তারিত
২৫ অক্টোবর নয়া দিগন্ত পত্রিকার ২২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ মীর কাসেম আলীর কন্যা সুমাইয়া রাবেয়ার সাথে। সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বাবা শুধু সত্য প্রকাশের জন্য নয়া দিগন্ত প্রতিষ্ঠা করেননি—এটি ছিল তার সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের বিশাল পরিকল্পনা। সুমাইয়া বলেন, “আমাদের বেড়ে ওঠা এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে জড়িত। আমাদের ছোটবেলার স্মৃতি এগুলো। মানুষের এমন থাকে যে, বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে যায়। আমাদের হচ্ছে আব্বুর কাজগুলোতে, তার স্বপ্নগুলোতে ছুটির দিনে আমাদের ঘুরতে নিয়ে যেতেন তিনি।”
সুমাইয়া রাবেয়া জানান, বাবা রমজান মাসে পত্রিকার প্রথম সংখ্যা প্রকাশের সময় ২টা-৩টা রাতে সশরীরে প্রিন্টিং দেখতেন। তিনি বলেন, “আব্বু রাত ২টা-৩টা পর্যন্ত সশরীরে প্রিন্টিং দেখছিলেন। ওখানেই নামাজ পড়েছেন, সবার জন্য রান্না করা খাবার একই সাথে খেয়েছেন। বাসায় আসার পর আব্বু মজা করে বলেছিলেন, প্রিন্টিংয়ের সময় এমন হয়েছে, যান্ত্রিকত্রুটির কারণে কিছু প্রিন্ট হয়ে বারবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। তো আব্বু তারাবির নামাজে সেজদার সময় ভাইব্রেট টের পেলেই বুঝতেন যে প্রিন্ট হচ্ছে।”
সুমাইয়া রাবেয়া মায়ের অবদানকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আব্বু জানতেন, বিকশিত করার যোগ্যতা তার আছে। কিন্তু কি বিকশিত করতে হবে এই জিনিসটা তার ছিল না। সুতরাং পছন্দের জায়গায় তিনি বুঝেছিলেন যে আম্মু তাকে পথ দেখাবেন, তিনি তাকে পরামর্শ দেবেন, তার খোরাক জোগাবেন। আমি সত্যিই বিশ্বাস করি আব্বু-আম্মুর মিশ্রণটা আল্লাহর একটি পরিকল্পনা এবং এই মিশ্রণটা না হলে আব্বু, আব্বু হয়ে উঠতেন না অথবা আব্বুর কোনো প্রকল্প আসলে ওভাবে জীবন্ত হয়ে উঠত না।”
"আমাদের হচ্ছে আব্বুর কাজগুলোতে, তার স্বপ্নগুলোতে ছুটির দিনে আমাদের ঘুরতে নিয়ে যেতেন তিনি। এই জায়গা-জুরাইন আমার জন্য বেশি স্পেশাল ছিল। আব্বুকে গ্রেফতারও করা হলো নয়া দিগন্তের প্রাঙ্গণ থেকে। তো শুরু এবং শেষের অর্থ্যাৎ টক-ঝাল-মিষ্টি মিশ্রণ এই জায়গাটা আমার জন্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নয়া দিগন্ত পত্রিকার অফিস, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুমাইয়া রাবেয়া (শহীদ মীর কাসেম আলীর কন্যা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ (অক্টোবর), ২২ (তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী), ২-৩ (রাত), ১৭ (বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!