📌 চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ সিফাতুর নূরের মৃত্যুর ঘটনায় শাশুড়ি রিজিয়া বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে তার ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় গৃহবধূ সিফাতুর নূরের মৃত্যুর ঘটনায় নির্যাতনকারী শাশুড়ি রিজিয়া বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেলে নিহতের বাবা মোহাম্মদ নূর পটিয়া থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। ঘটনায় শাশুড়ির পাশাপাশি নিহতের স্বামী ও দুই ননদও আসামি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরায় অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ সিফাতুর নূর (২০) মৃত্যুবরণ করেন ২৩ অক্টোবর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
- 📌 নির্যাতনকারী শাশুড়ি রিজিয়া বেগম (৬৫) কারাগারে পাঠানো হয়েছে; আসামিরা হলেন স্বামী তারেক (২৬), ননদ সুমি আক্তার (৩৮) ও রাশেদা বেগম (৪৩)
- 📌 ১৪ অক্টোবর রাতে নাশতার পরিমাণ কম হওয়ার অভিযোগে সিফাতকে মারধর ও গালিগালাজ করা হয়; ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়
- 📌 সিফাতের স্বামী তারেক দুবাই পবাসী; তিনি দাবি করেন, কোনো পারিবারিক ঝামেলা ছিল না, সিফাত আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন
- 📌 নিহতের বাবা মোহাম্মদ নূর বাদী হয়ে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন; পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের পূর্ব কুসুমপুরায় বসবাসকারী সিফাতুর নূর সিফাত (২০) গত ২৩ অক্টোবর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। নিহতের বাবা মোহাম্মদ নূর জানান, সিফাতের মা গত ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় নাশতা নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে গিয়েছিলেন। নাশতার পরিমাণ কম হওয়ার অভিযোগে সিফাতকে মারধর ও গালিগালাজ করা হয়। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্যাতনের কারণে সিফাত আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এবং পরে হাসপাতালে ভর্তি হন।
সিফাতের স্বামী তারেক (২৬) দুবাই পবাসী। তিনি দাবি করেন, কোনো পারিবারিক ঝামেলা ছিল না। তিনি বলেন, সিফাত আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন কারণ তিনি মায়ের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয়ে অভিমান করেছিলেন। তারেকের মতে, প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে সিফাতকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। তিনি আরও বলেন, এ আগেও সিফাত আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
নিহত সিফাত চন্দনাইশ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মোহাম্মদ নূর ও জুহিনুর আক্তারের মেয়ে। সিফাতের বিয়ে হয়েছিল চলতি বছরের ১৯ জুন তারেকের সাথে। বিয়ের পর তারেক দুবাই চলে যান। মৃত্যুর আগে সিফাত তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
"গত ১৪ অক্টোবর রাতে নাশতার পরিমাণ কম হওয়ার অভিযোগে সিফাতকে মারধর ও গালিগালাজ করা হয়। ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা, কুসুমপুরা ইউনিয়ন, পূর্ব কুসুমপুরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সিফাতুর নূর সিফাত (২০), রিজিয়া বেগম (৬৫), মোহাম্মদ নূর, তারেক (২৬), সুমি আক্তার (৩৮), রাশেদা বেগম (৪৩)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ অক্টোবর (মৃত্যু), ১৪ অক্টোবর (ঘটনা), ২০ (সিফাতের বয়স), ৬৫ (শাশুড়ির বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!