📌 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটের ২০১৭ সালের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী অনিক বিশ্বাস বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনে সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজিতে পিএইচডি করছেন। তিনি গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করছেন এবং ভবিষ্যতে রোগের কারণ ও প্রতিকার অনুসন্ধানে আগ্রহী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ২০১৭ সালে প্রথম স্থান অধিকারী অনিক বিশ্বাস বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা বিশ্বে নিজের নাম গড়ছেন। স্নাতকোত্তর পড়াশোনা শেষে তিনি ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনে সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজিতে পিএইচডি করছেন এবং পাশাপাশি গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়াও তিনি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী অনিক বিশ্বাস বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসনে পিএইচডি করছেন সেলুলার অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজিতে
- 📌 গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজের পাশাপাশি তিনি বায়োমেডিক্যাল গবেষণায় বিশেষ আগ্রহী, বিশেষ করে রোগের কারণ ও প্রতিকার অনুসন্ধানে
- 📌 ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার পর পরিচিতি বেড়ে গেলেও তিনি নিজেকে গুটিয়ে নেন অপরিচিতদের যোগাযোগের কারণে
- 📌 তিনি পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোতে নিষেধ করেন এবং জীবনের একটা স্টেপ হিসেবে ভর্তি পরীক্ষা দেখার পরামর্শ দেন
- 📌 অনিক বলেন, ‘প্রত্যাশাই হতাশার মূল হয়ে যেতে পারে, তাই ভর্তি পরীক্ষাকে জীবনের একটা স্টেপ হিসেবে দেখতে হবে’
📰 বিস্তারিত
অনিক বিশ্বাসের জীবনে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। তবে তিনি মনে করেন, ওই অর্জন জীবনের শেষ কথা নয়। স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পড়াশোনা শেষে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণার পথে এগিয়ে যান। তিনি বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল ছিল মুক্তির মতো। যেন একটা অমানবিক পরিশ্রমের শেষমেশ ইতি হলো।’
ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের দিনটি তার জীবনে বিশেষ স্মৃতির মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দুপুরবেলা, কেবল বাবা আর আমি গ্রিন রোডের একটা দোকানে বসে নাশতা খেয়েছিলাম। সন্ধ্যাবেলায় অনেক লোক চলে এল আমাকে অভিনন্দন জানাতে। সেই দিনটা এখনো চোখে ভাসে।’
প্রথম হওয়ার পর পরিচিতি বেড়ে গেলেও অনিক নিজেকে কিছুটা গুটিয়ে নেন। তিনি বলেন, ‘প্রথম দিকে বিষয়টি ভালো লাগলেও পরে অপরিচিত মানুষের যোগাযোগ বাড়তে থাকায় নিজেকে কিছুটা গুটিয়ে নেন।’ ফার্মগেটে তাঁকে ঘিরে ঢাকঢোল বাজানোর আয়োজন হয়েছিল, কিন্তু বাদক দল প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে নামতে দেওয়া হচ্ছিল না।
অনিকের মতে, ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হওয়া উচ্চশিক্ষা বা চাকরিজীবনে খুব বেশি প্রভাব ফেলে না। তিনি বলেন, ‘পরে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফলাফল এবং নিজের কাজই বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।’ তবে ওই অর্জন তাঁকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সাহস দিয়েছিল।
"‘যেকোনো মানুষের কাছেই পৃথিবীর সিস্টেমগুলোর বেশির ভাগই অজানা। নতুন কোনো জায়গায় খাপ খাওয়াতে আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হয়, এটা মেনে নিয়েই এগোতে হয়। আর অবশ্যই ভাগ্যের সাহায্য লাগে।’"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ক ইউনিট), যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব উইসকনসিন-ম্যাডিসন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনিক বিশ্বাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০১৭ (ভর্তি পরীক্ষার বছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!