📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

দরিদ্রতার বাঁধা পার করে জিপিএ-৫ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নে অগ্রসর মুনিয়া খাতুন

দরিদ্রতার বাঁধা পার করে জিপিএ-৫ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নে অগ্রসর মুনিয়া খাতুন

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দরিদ্রতার কারণে বিজ্ঞান বিভাগ ছেড়ে মানবিক বিভাগে ভর্তি হলেও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ঝিনাইদহের মুনিয়া খাতুন। প্রথম আলো ট্রাস্টের শিক্ষাবৃত্তি তার পড়াশোনার পথে আলো ফেলেছে

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার দয়াপুর গ্রামের মুনিয়া খাতুন দরিদ্রতার বাঁধা পার করে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে মানবিক বিভাগে সরে আসার পরেও তিনি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ফল পেয়েছেন। প্রথম আলো ট্রাস্টের শিক্ষাবৃত্তি তার পড়াশোনার পথে সহায়তা করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জিপিএ-৫ নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেন ঝিনাইদহের মুনিয়া খাতুন, যিনি বিজ্ঞান বিভাগ ছেড়ে মানবিক বিভাগে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন
  • 📌 প্রথম আলো ট্রাস্ট ও ব্র্যাক ব্যাংকের ‘অপরাজেয় তারা’ শিক্ষাবৃত্তি তার পড়াশোনার খরচ বহন করছে
  • 📌 মুনিয়া খাতুনের বাবা কৃষিশ্রমিকের কাজ করে মাত্র ২ শতক জমিতে বসবাস করেন, যেখানে তিন বোনের পড়াশোনার খরচ দিতে পারেন না
  • 📌 মুনিয়ার বড় বোন মনিরা মাস্টার্স শেষ করেছেন, ছোট বোন তমা এইচএসসি পড়ছেন
  • 📌 স্বপ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাট চুকিয়ে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হওয়া

📰 বিস্তারিত

এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়ার পর কলেজে পড়ার খরচ নিয়ে চিন্তিত ছিলেন মুনিয়া খাতুন। দরিদ্র পরিবারের মেয়ে তিনি এইচএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ ছেড়ে মানবিক বিভাগে ভর্তি হন। কিন্তু তার পড়াশোনার পথে আলো ফেলে দিয়েছে প্রথম আলো ট্রাস্ট। ব্র্যাক ব্যাংক ও প্রথম আলো ট্রাস্টের ‘অপরাজেয় তারা’ শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে তিনি মানবিক বিভাগে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

মুনিয়া খাতুন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার রায়গ্রাম ইউনিয়নের দয়াপুর গ্রামের আবদুল মোতালেব ও শাহানাজ বেগমের মেয়ে। তিনি কালীগঞ্জ উপজেলার সরকারি মাহতাব উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী। তার স্বপ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাট চুকিয়ে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা হওয়া।

মুনিয়া খাতুনরা তিন বোন। বড় বোন মনিরা খাতুন মাস্টার্স শেষ করে চাকরির চেষ্টা করছেন। ছোট বোন তমা খাতুন এইচএসসি পড়ছেন। মুনিয়ার বাবা আবদুল মোতালেব অন্যের জমিতে কৃষিশ্রমিকের কাজ করেন। মুনিয়ার মা শাহানাজ বেগম জানান, মাঠে চাষযোগ্য কোনো জমি নেই তাদের। মাত্র ২ শতক জমির ওপর টিনের চালের দুই কক্ষের ঘরে বসবাস করেন। কৃষিশ্রমিকের কাজ করে মুনিয়ার বাবা যা আয় করেন, তা দিয়ে কষ্ট করে সংসার চলছে। মেয়েদের পড়ালেখার খরচ দিতে পারেন না।

মুনিয়া খাতুন জানান, এসএসসি পরীক্ষার আগে তাঁকে চারটি বিষয়ে প্রাইভেট পড়তে হয়েছে। শিক্ষকেরা তাঁর অবস্থার কথা চিন্তা করে টাকা কম রাখতেন। অনেক সময় টাকা দিতে দেরি হলে পড়তে যেতে লজ্জাবোধ করতেন। তাই এসএসসি পাসের পর সিদ্ধান্ত নেন বিজ্ঞান বিভাগ ছেড়ে মানবিক বিভাগ নেওয়ার। সেই মোতাবেক মানবিক বিভাগে ভর্তি হন। প্রথম আলো ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বৃত্তি পেয়ে পড়াশোনায় কষ্ট করতে হয়নি। তবে তিনি বলেন, বিভাগ পরিবর্তন আর করতে পারেননি। তাঁর একসময় ইচ্ছা ছিল চিকিৎসক হওয়ার, এখন বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তা হওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।

"আমার বাবা কৃষিশ্রমিকের কাজ করে মাত্র ২ শতক জমিতে বসবাস করছেন। মেয়েদের পড়ালেখার খরচ দিতে পারেন না। কিন্তু প্রথম আলো ট্রাস্টের বৃত্তি আমার পড়াশোনার পথে সহায়তা করেছে।"

গবেষণা মাহতাব উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক আবদুর রহিম জানান, মুনিয়া মেধাবী মেয়ে। তবে আর্থিক কারণে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পড়তে পারেননি। এরপরও মানবিক বিভাগে পড়ালেখা করে একদিন সে ভালো কিছু করতে পারবে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা, দয়াপুর গ্রাম, রায়গ্রাম ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুনিয়া খাতুন, মনিরা খাতুন, তমা খাতুন, আবদুল মোতালেব, শাহানাজ বেগম, আবদুর রহিম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: জিপিএ-৫ (এসএসসি ও এইচএসসি), ২ শতক জমি, ৩ বোন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖